Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
Kakali Ghosh Dastidar

লোকসভাতেও ‘আসল তৃণমূল’, দলনেতা হচ্ছেন কাকলি! জল্পনার মাঝে বিস্ফোরক পোস্ট সাংসদের

কী লিখলেন কাকলি?

Advertisement
নন্দিতা রায়
নন্দিতা রায়

শেষ আপডেট: জুন ৫, ২০২৬, ১৩:৪৫

link
নন্দিতা রায়
নন্দিতা রায়

শেষ আপডেট: জুন ৫, ২০২৬, ১৩:৪৫

options
link
লোকসভাতেও ‘আসল তৃণমূল’, দলনেতা হচ্ছেন কাকলি! জল্পনার মাঝে বিস্ফোরক পোস্ট সাংসদের zoom
লোকসভাতেও 'আসল তৃণমূল', দলনেতা হচ্ছেন কাকলি! জল্পনার মাঝে বিস্ফোরক পোস্ট সাংসদের

কয়েকটা দিনের অপেক্ষা, বিধানসভার ধাঁচে লোকসভার দখলও যেতে চলেছে ‘আসল তৃণমূলে’র হাতে! এমনই শোনা যাচ্ছে সর্বত্র। জল্পনা, লোকসভার দলনেতা হবেন কাকলি ঘোষ দস্তিদার (Kakali Ghosh Dastidar)। যদিও সাংসদের দাবি তিনি কিছুই জানেন না। তবে এই কানাঘুষোর মাঝে বিস্ফোরক পোস্ট কাকলির। স্রেফ নিজের স্বার্থে কেউ চারদশক কারও সঙ্গে থাকে না বলে উল্লেখ করে তুলে ধরলেন নীতিগত ভুলের কথা। 

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দীর্ঘদিনের সঙ্গী কাকলি ঘোষ দস্তিদার। সময়টা চারদশকেরও বেশি। তৃণমূল সুপ্রিমোর কাছে ভরসার হাত ছিলেন তিনি। ছাব্বিশের নির্বাচনের ফল প্রকাশের আগে পর্যন্ত লোকসভার মুখ্য সচেতক ছিলেন কাকলি। কিন্তু মাসখানেক আগে হঠাৎই তাঁকে সরিয়ে সেই জায়গায় দায়িত্ব দেওয়া হয় কল্যাণ বন্দ্য়োপাধ্যায়কে। এখানেই ফাটলের শুরু। প্রকাশ্যে আইপ্যাকের বিরুদ্ধে সরব হন তিনি। আইপ্যাক দলের সর্বনাশ করেছে দাবি করেন। ছেড়ে দেন দলের যাবতীয় পদ। তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হল, এরপরই কেন্দ্রের তরফে তাঁর নিরাপত্তা বাড়ানো হয়। এতেই জল্পনা শুরু হয়, প্রাক্তন সহযোদ্ধা শুভেন্দুর সঙ্গে গোপন আঁতাত হয়েছে তাঁর। তৃণমূলের পরিষদীয় দলের ‘মালিকানা’ বদল হতেই গুঞ্জন ওঠে, সাংসদদের মধ্যে ভাঙন কেবল মাত্র সময়ের অপেক্ষা। 

Advertisement

সূত্রের খবর, আগামী রবিবার অর্থাৎ ৭ জুন প্রায় কুড়ি জন তৃণমূল সাংসদের সঙ্গে বৈঠক হওয়ার সম্ভাবনা। সব ঠিক থাকলে সোমবার অর্থাৎ ইন্ডিয়া জোটের বৈঠকের দিন লোকসভার অধ্যক্ষের কাছে তাঁদের স্বাক্ষরিত চিঠি জমা দিতে পারেন। তাতে লোকসভায় নতুন দলনেতা হিসাবে কাকলি ঘোষ দস্তিদারের নাম প্রস্তাব করা হতে পারে বলেও জল্পনা। এরই মাঝে শুক্রবার এক্স হ্যান্ডেলে তাৎপর্যপূর্ণ পোস্ট কাকলির। লিখলেন, ‘আপনার কি মনে হয়, একটি রাজনৈতিক পরিবারের চারবারের সাংসদ, যিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে থেকে চার দশক ধরে স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে লড়েছেন, তিনি নিজের কথা ভাবেন? এটি নীতির বিরুদ্ধে রায় এবং শাসনের ব্যর্থতা।’ বুঝিয়ে দিলেন, বর্তমানে বাংলার পরিস্থিতি তা পূর্বতন শাসকের, শাসনের ব্যর্থতা। নীতি ও আদর্শের জনতা এমন রায় দিয়েছে, তৃণমূলের এই পরিণতি। 

 

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.