Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ১০ আগস্ট ২০২৬
Madhya Pradesh

মধ্যপ্রদেশে হদিশ নেই ৯ হাজারের বেশি করোনা পরীক্ষার রিপোর্টের

তথ্য গোপনের চেষ্টা চলছে বলে অভিযোগ বিরোধীদের।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ৯, ২০২০, ১৭:১১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ৯, ২০২০, ১৭:১১

options
link
মধ্যপ্রদেশে হদিশ নেই ৯ হাজারের বেশি করোনা পরীক্ষার রিপোর্টের zoom
ফাইল ফটো
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: করোনাতঙ্কের জেরে কাঁপছে গোটা পৃথিবী। ভারতেও লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা। এর মাঝেই মধ্যপ্রদেশে ৯ হাজারের বেশি করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট পাওয়া যাচ্ছে না বলে জানা গিয়েছে। বিজেপিশাসিত ওই রাজ্যে গত ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত কোভিড-১৯ (COVID-19) পরীক্ষার রিপোর্ট ও সংগ্রহ করা নমুনাগুলির মধ্যে কমপক্ষে ৯ হাজার ২৭১টির কোনও হদিশ নেই। এই বিষয়টি প্রকাশ্যে আসার পরেই শিবরাজ সিং চৌহানের সরকারের বিরুদ্ধে তোপ দাগছে বিরোধীরা। তথ্য লুকোনোর অভিযোগও উঠছে।

আরও অদ্ভুত বিষয় হচ্ছে, ৩০ এপ্রিলই সাত হাজার ৮৭৫টি করোনা পরীক্ষা হয়েছে বলে দাবি করেছে মধ্যপ্রদেশ সরকার। অন্যদিন যে পরিমাণ টেস্ট করা হচ্ছিল ওইদিন তার দ্বিগুণ পরীক্ষা করা হয়েছে। আর এর থেকে একটু বেশি ৯ হাজার ২৭১টি করোনা পরীক্ষার কোনও রিপোর্ট পাওয়া যায়নি।

Advertisement

[আরও পড়ুন: ‘ইউরোপীয় দেশগুলির তুলনায় ভারতের অবস্থা ঢের ভাল’, দাবি স্বাস্থ্যমন্ত্রীর ]

এই পরিস্থিতির মধ্যেই মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহান দাবি করেছেন, রাজ্যে সংক্রমণের হার অনেক কমে গিয়েছে। পরিস্থিতিও আগের থেকে ভাল হয়েছে। ঠিক সেই সময়েই রাজ্যের তরফে প্রকাশিত তথ্যে জানা যাচ্ছে, গোটা দেশে যখন করোনায় মৃত্যুর গড় হার ৩.৪২ শতাংশ তখন মধ্যপ্রদেশে প্রাণ হারাচ্ছে ৫.২ শতাংশ মানুষ। আর সবথেকে বেশি মৃত্যুর হার উজ্জিয়নীতে। সেখানে দেশের অন্য শহরগুলির তুলনায় করোনায় আক্রান্তদের মধ্যে ১৭ শতাংশ মানুষ মারা যাচ্ছে।

[আরও পড়ুন: আপ বিধায়কের বিরুদ্ধে তোলাবাজি ও হেনস্তার অভিযোগ, দিল্লিতে আত্মঘাতী চিকিৎসক]

এর আগে গত ২৬ এপ্রিল মধ্যপ্রদেশের স্বাস্থ্য দপ্তরের তরফে শেষবার বুলেটিন প্রকাশ করা হয়েছিল। সেখানে এখনও পর্যন্ত মোট ৩৮,৭০৮ জনের লালা রস পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয। তবে এর মধ্যে ৮৪৩০ জনের পরীক্ষা রিপোর্ট তখনও পর্যন্ত আসেনি বলে জানানো হয়। কিছুক্ষণ পরে তড়িঘড়ি আরও একটি বুলেটিন প্রকাশ করে মধ্যপ্রদেশ সরকার। সেখানে কত পরীক্ষা হয়েছে তা উল্লেখ করার পাশাপাশি কতজন করোনায় আক্রান্ত ও কতজন এখনও পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন তার বিস্তারিত রিপোর্ট দেওয়া হয়। স্বাস্থ্যদপ্তর সূত্রে প্রকাশিত এই দুটি বুলেটিনের তথ্যের মধ্যেও অনেক পার্থক্য ছিল।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.