BREAKING NEWS

৭ আশ্বিন  ১৪২৭  বুধবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

কর্মী সুরক্ষায় দু’দিনে রেলের ঘরে তৈরি হল ৬ লক্ষ ফেস মাস্ক

Published by: Subhamay Mandal |    Posted: April 14, 2020 12:01 pm|    Updated: April 14, 2020 12:01 pm

An Images

সুব্রত বিশ্বাস: মঙ্গলবার দেশজুড়ে লকডাউনের মেয়াদ বৃদ্ধির কথা ঘোষণা করেছেন। এই অবস্থায় ৩ মে পর্যন্ত পরিষেবা বাতিল করেছে রেল। এই প্রেক্ষিতে স্বাস্থ্য সুরক্ষিত রাখতে প্রোটেকশন ইকুইপমেন্ট তৈরি করে ফেলছে রেল। দেশে সবচেয়ে অভাব এই ইকুইপমেন্টের। গত ৭ এপ্রিল রেল বোর্ড জোনাল রেলগুলিকে নির্দেশ দেয় বিভিন্ন ইউনিটে পিপিই তৈরি করতে। নির্দেশ পেয়েই কোমর বেঁধে নেমে পড়েন রেলকর্মীরা। রাত-দিন এক করে তৈরি করছে রিইউজিবল ফেস মাস্ক ও স্যানিটাইজার। রেল বোর্ডের দেওয়া হিসাবে, জোনাল রেলগুলি দুদিন ছয় লক্ষের বেশি ফেস মাস্ক তৈরি করে ফেলেছে। প্রায় ৪৫ হাজার লিটার স্যানিটাইজার তৈরি করেছেন রেলকর্মীরা।

রেল বোর্ডের এক কর্তার কথায়, যদি রেল ৩ মে’র পর চালু হয়, তখন গার্ড, টিটিইদের এই সুরক্ষার সামগ্রী দিতে হবে। না হলে তাঁরা সুরক্ষায় গাফিলতির অভিযোগ তুলে কাজে যোগ দিতে চাইবেন না। এই পরিস্থিতি এড়াতে আগেই প্রস্তুত হয়েছে রেল। রেলের প্রোডাকশন ইউনিটগুলোতে এখন মাস্ক ও স্যানিটাইজার তৈরি হচ্ছে। মহিলা সংগঠন, আরপিএফ কর্মীরা এখন ব্যস্ত মাস্ক তৈরি করতে। ওয়েস্টার্ন রেলের পুণের আরপিএফ তৈরি করছে দশ হাজার মাস্ক। হাবিলদার রশিদ মুলানি, কনস্টেবল শাকিল শেখ, মহিলা কনস্টেবল মাধুরী গায়কোয়াড়, সুধীর গিরি এখন মাস্ক তৈরিতে ব্যস্ত।

[আরও পড়ুন: ভারতে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ছাড়াল ১০ হাজার, একদিনে মৃত ৩১]

রেলে ১৩ লক্ষ কর্মী। এই পরিস্থিতিতে কাজ করতে যত সংখ্যক মাস্ক লাগবে তা জোগান দেওয়ার ক্ষমতা নির্ধারিত সংস্থাগুলির না থাকায় রেল নিজেদের মাস্ক নিজের তৈরির সিদ্ধান্ত নেয়। বোর্ডের নির্দেশ পেয়ে কাজ শুরু হয়। দুদিনে তৈরি করে ৬,১৩,৮১৮টি রিইউজিবল ফেস মাস্ক ও ৪৪,৩৭৫ লিটার স্যানিটাইজর। আগেই উত্তর রেলের ওয়ার্কসশপ পিপিই ড্রেস তৈরি করে তা অনুমোদন করিয়ে নিয়ে বানানোর কাজ শুরু করেছে। এবার মাস্ক ও স্যানিটাইজার তৈরি করছে জরুরি ভিত্তিতে।

পশ্চিম রেল দুদিনে তৈরি করেছে ৮১,০০৪টি মাস্ক ও ২,৫৬৯ লিটার স্যানিটাইজার, উত্তর-মধ্য রেল বানিয়েছে ৭৭,৯৯৫টি মাস্ক ও ৩,৬২২ লিটার স্যানিটাইজার, উত্তর-পশ্চিম রেল মাস্ক তৈরি করেছে ৫১,৯৬১টি ও ৩,০২৭ লিটার স্যানিটাইজার, মধ্য রেল ৩৮,৯০৪টি মাস্ক ও ৩,০১৫ লিটার স্যানিটাইজার, পূর্ব-মধ্য রেল তৈরি করেছে ৩৩,৪৭৩টি মাস্ক ও ৪,২০০ লিটার স্যানিটাইজার, পশ্চিম-মধ্য রেলের তৈরি ৩৬,৩৪২টি মাস্ক ও ৩,৭৫৬ লিটার স্যানিটাইজার রেলের ঘরে জমা পড়েছে। পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্ব রেল মাস্ক তৈরি করলেও পরিসংখ্যান দিতে পারেনি। পরে দক্ষিণ-পূর্ব রেল জানায়, 10 এপ্রিল পর্যন্ত তারা তৈরি করেছে ৩১,৫০১টি মাস্ক ও ২,৪৩৯ লিটার স্যানিটাইজার।

[আরও পড়ুন: লকডাউন চললেও ২০ এপ্রিলের পর ছাড়ের সম্ভাবনা, ভাষণে আশ্বাস মোদির]

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement