Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬

প্রশ্বাসের সঙ্গে অক্সিজেন ছাড়ে গরু! আজব দাবি উত্তরাখণ্ডের মন্ত্রীর

গরুকে 'রাষ্ট্রমাতা' ঘোষণা করার প্রস্তাব।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২১, ২০১৮, ১০:৩৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২১, ২০১৮, ১০:৩৪

options
link
প্রশ্বাসের সঙ্গে অক্সিজেন ছাড়ে গরু! আজব দাবি উত্তরাখণ্ডের মন্ত্রীর zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: গরুকে ‘রাষ্ট্রমাতা’ ঘোষণা করার দাবি উঠল উত্তরাখণ্ডে। বুধবার উত্তরাখণ্ড বিধানসভায় এনিয়ে একটি প্রস্তাব পেশ করা হয়। প্রস্তাবে এক অদ্ভুত কারণ জানানো হয়। বলা হয়, গরু নাকি প্রশ্বাসের সঙ্গে অক্সিজেন ছাড়ে। এছাড়া আরও অনেক গুণের অধিকারী এই প্রাণী। তাই তাকে ‘রাষ্ট্রমাতা’ করা হোক।

রাজ্যের প্রাণী বিষয়ক মন্ত্রী রেখা আর্য বিধানসভায় এই প্রস্তাব পেশ করেন। সেখানে শাসকদলের এই প্রস্তাবকে সমর্থন করেন বিরোধী দল ও ট্রেজারি ব্রাঞ্চ। তারপরই কেন্দ্রের কাছে এই প্রস্তাব পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বিলটি বিধানসভায় পেশ করে মন্ত্রী বলেন, গরু হল একমাত্র প্রাণী যে অক্সিজেন শুধু গ্রহণই করে না, প্রশ্বাসের সঙ্গে তা পরিত্যাগও করে। তাছাড়া চিকিৎসাক্ষেত্রেও গোমূত্রের অনেক প্রভাব রয়েছে। এর রোগ নিরাময় ক্ষমতা অপরিসীম। গরুকে মায়ের আসনে বসানো হয়। সদ্যোজাতেরা মাতৃদুগ্ধর পর গরুর দুধই পান করে। এইসবের জন্য গরুকে ‘রাষ্ট্রমাতা’-র মর্যাদা দেওয়া উচিত বলে জানিয়েছেন মন্ত্রী।

Advertisement

আতঙ্কের উড়ান, অক্সিজেনের অভাবে মাঝ আকাশে রক্তাক্ত যাত্রীরা ]

গরুকে জাতীয় সম্মান দেওয়ার জন্য অনেকদিন ধরেই প্রস্তাব উঠছে। বিতর্কও উঠছে বিস্তর। সম্প্রতি তামিলনাড়ুর স্বঘোষিত ধর্মগুরু নিত্যানন্দ বলেছেন, গরু নাকি এবার সংস্কৃত বলবে। শুধু সংস্কৃত নয়, সামান্য প্রশিক্ষণ পেলে হামেশাই তামিলে কথা বলে তাক লাগিয়ে দেবে ভারতীয়দের গোমাতা। দীর্ঘদিন অন্তরালে থাকার পর এই দাবিই করেছেন আত্মবিশ্বাসী নিত্যানন্দ। তিনি বলেন, ‘গরুর মধ্যে বিশেষ প্রাকৃতিক ক্ষমতা রয়েছে। বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিভঙ্গিতে তা কাজে লাগালেই কেল্লা ফতে। যুগান্তকারী আবিষ্কার যেমন সম্ভব হবে, তেমনই গোমাতাও যে বিরল প্রতিভার অধিকারী তা বিশ্বের কাছে তুলে ধরা যাবে। আমি ইতিমধ্যেই এনিয়ে গবেষণা শুরু করেছি। ডাক্তারি পরীক্ষার মাধ্যমে গরুর গলায় কিছু পরিবর্তন আনলেই সে গড়গড়িয়ে সংস্কৃত বলবে। যেহেতু নিজে হাতে গবেষণা করেছি, তাই চাই তামিলও বলুক গোমাতা। সে ব্যবস্থাও হয়ে যাবে। এতদিন বিষয়টি শুধু পরীক্ষার মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল। কিন্তু গতকাল এনিয়ে নাড়াচাড়া করতে গিয়ে দেখলাম। খুব শিগগির সাফল্যের শীর্ষে পৌঁছে যাব। ফোনেটিকের ভোকাল কর্ড তৈরি করেছি। তা দিয়েই গরুর কণ্ঠস্বর আমরা শুনব।’

৩৩ বছরের লজ্জা মুছে শাস্তিযোগ্য তিন তালাক, সিলমোহর রাষ্ট্রপতির ]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.