Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ১৩ জুন ২০২৬

গো-মাংস নিয়ে বিদেশি পর্যটকদের ‘ফতোয়া’ কেন্দ্রীয় পর্যটনমন্ত্রীর

বিদেশিরা কী উসাৎহ হারাবেন, উঠছে প্রশ্ন।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ৮, ২০১৭, ০৭:৩৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ৮, ২০১৭, ০৭:৩৮

options
link
গো-মাংস নিয়ে বিদেশি পর্যটকদের ‘ফতোয়া’ কেন্দ্রীয় পর্যটনমন্ত্রীর zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বিদেশি পর্যটকরা ভারতে স্বাগত। কিন্তু তাঁরা এদেশে এসে গো-মাংসের আবদার করতে পারবেন না। বিফ খাওয়ার হলে নিজেদের দেশে খেয়ে আসতে হবে। ভারতে এসব চলবে না। এমনই বিতর্কিত মন্তব্য করে বসলেন পর্যটন মন্ত্রকের দায়িত্ব পাওয়া আলফোনস কান্নানথানম।

[নোট বদলাতে বিপাকে পড়েছিলেন রিজার্ভ ব্যাঙ্কের প্রাক্তন গর্ভনরও!]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

সদ্য মন্ত্রিসভার রদবদলে পর্যটন মন্ত্রকের স্বাধীন দায়িত্ব পেয়েছেন প্রাক্তন এই আমলা। গত মঙ্গলবার তিনি জানিয়েছিলেন কেরল এবং গোয়ায় গো-মাংস ভক্ষণকারীদের নিয়ে কোনও সমস্যা নেই। বিজেপি এভাবে কাউকে দাগিয়ে দেয়নি। গো-মাংস বিতর্ক নিয়ে অবস্থানের কয়েক ঘণ্টার মধ্যে তাঁর এমন মন্তব্য নিয়ে শোরগোল পড়ে গেছে। আলফোনস যে জায়গায় এই কথাটি বলেছেন তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ওড়িশার রাজধানী ভুবনেশ্বরে ট্যুর অপারেটরদের একটি সম্মলেনে এমন মন্তব্য করেন কেন্দ্রীয় পর্যটনমন্ত্রী। সেখানে মন্ত্রী জানান, বিদেশি পর্যটকরা তাদের দেশে গোমাংস খেয়ে ভারতে আসুক। আলফোনসর এই মন্তব্য বিদেশিদের কাছে ভারতের ভাবমূর্তি কতটা উজ্জ্বল করবে তা নিয়ে ইতিমধ্যে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। ট্যুর অপারেটদের একাংশের বক্তব্য, পর্যটকরা কী খাবেন তা একান্ত নিজস্ব ব্যাপার। দেশের বেশ কিছু রাজ্য গো-মাংস খাওয়ার কোনও নিষেধাজ্ঞা নেই। কীভাবে এই নিয়ম চালু হবে তা নিয়ে ধোঁয়াশায় পর্যটন ব্যবসায়ীরা।

[ফসল বাঁচাতে স্কুলে বন্দি গরুর পাল, পড়াশোনা লাটে যোগীর রাজ্যের স্কুলে]

শুধু কেন্দ্রের মন্ত্রী করা নয়, আলফোনসকে মেঘলায়ের দায়িত্ব দিয়েছে বিজেপি। আগামী বছর উত্তর পূর্বের এই রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন। মেঘালয়ের ভোটারদের বড় অংশ খ্রিস্টধর্মাবলম্বী। খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের সঙ্গে সেতু বন্ধনের কাজ করতেই তাঁর মতো প্রাক্তন আমলাকে মন্ত্রিসভায় নিয়ে এসেছেন প্রধানমন্ত্রী। এমন দাবি করেছিলেন কেরলের এই সংখ্যালঘু মুখ। তবে দু-দিনের মধ্যে কেন তিনি অবস্থান বদলালেন? এর জবাবে আলফোনসের সাফাই, তিনি যেহেতু খাদ্যমন্ত্রী নন, তাই এসব বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে পারেন না।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.