Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬

কাশ্মীরে বিক্ষোভ ঠেকাতে নয়া বুলেট ভরসা সেনার

জানেন, কেন এই সিদ্ধান্ত?

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ৮, ২০১৭, ০৫:৫৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ৮, ২০১৭, ০৫:৫৬

options
link
কাশ্মীরে বিক্ষোভ ঠেকাতে নয়া বুলেট ভরসা সেনার zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক:  অশান্ত কাশ্মীরের রাস্তায় সাধারণ মানুষের বিক্ষোভ নিত্যদিনের ঘটনা। হামেশাই সে বিক্ষোভ হিংসাত্মক চেহারা নেয়। পুলিশ বা নিরাপত্তাবাহিনীকে লক্ষ্য চলে পাথরবৃষ্টি। বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে ছড়রা গুলি চালায় পুলিশ বা নিরাপত্তাবাহিনীর সদস্যরা। তাতে বিক্ষোভকারীরা মারাত্মকভাবে জখম হন। প্রাণহানিও ঘটে। এই পরিস্থিতিতে উপত্যকার রাস্তায় বিক্ষোভ সামাল দেওয়ার জন্য ২১ রাউন্ড অপেক্ষাকৃত কম ক্ষতিকারক প্লাস্টিকের গুলি পাঠাল সিআরপিএফ।

[রাম রহিমকে ‘শিক্ষা’ দিতে প্রেমিক খুঁজছিল হানিপ্রীত?]

Advertisement

জানা গিয়েছে, ডিফেন্স রিসার্চ অ্যান্ড ডেভালপমেন্ট অর্গানাইজেশন বা DRDO-র নকশায় এই প্লাস্টিক গুলি তৈরি হয়েছে পুণের গান অ্যান্ড শেল ফ্যাক্টারিতে। এই প্লাস্টিক গুলি একে-৪৭ রাইফেলে লাগিয়ে ব্যবহার করা যাবে। সিআরপিএফের ডিজি আর আর ভাটনগর জানিয়েছেন, ‘পরীক্ষায় দেখা গিয়েছে, প্লাস্টিকের এই গুলি তুলনামূলকভাবে অনেক কম ক্ষতিকারক। তাই বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করা ক্ষেত্রে ছড়রা গুলি ও অন্যান্য প্রাণঘাতী নয়, এমন অস্ত্রের উপর নির্ভরতা অনেকটাই কমবে।’ তিনি জানিয়েছেন, প্রথম দফায় উপত্যকায় কর্মরত সিআরপিএফ জওয়ানের জন্য ২১ রাউন্ড গুলি পাঠানো হয়েছে।

[নোবেল পেতে পারেন রিজার্ভ ব্যাঙ্কের প্রাক্তন গভর্নর রঘুরাম রাজন]

কাশ্মীরের মূলত জঙ্গি বিরোধী অভিযান ও আইন-শৃঙ্খলাজনিত সমস্যার মোকাবিলার জন্য সিআরপিএফ মোতায়েন করেছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। একে-৪৭, একে-৫৬ সিরিজের রাইফেল ব্যবহার করেন সিআরপিএফ জওয়ানরা। সিআরপিএফের ডিজি আর আর ভাটনগর জানিয়েছেন, বিক্ষোভ বা পাথর ছোঁড়ার ঘটনার সময়ে শুধুমাত্র বন্দুকের গুলি বদলে নিতে হবে জওয়ানদের। তবে কাশ্মীরের এই বিশেষ ধরনের প্লাস্টিকের গুলি পাঠানো হয়েছে ঠিকই। তবে এখনই ছড়রা গুলি সহ প্রাণঘাতী নয় এমন অন্য যেসব অস্ত্র রয়েছে, সেগুলির ব্যবহার পুরোপরি বন্ধ করা হবে না বলে জানা গিয়েছে।

[পার্লারে যেতে পারবেন না মুসলিম মহিলারা, যোগীর রাজ্যে ফতোয়া জারি ]

প্রসঙ্গত, কাশ্মীরের পুলিশ বা সিআরপিএফের ছোড়া ছড়রা গুলির আঘাতে দৃষ্টিশক্তি হারানো ও প্রাণহানির ঘটনায় প্রবল সমালোচনার মুখে পড়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। এরপরই উপত্যকায় বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে ছড়রা গুলির ব্যবহার বন্ধ করা নিয়ে চিন্তাভাবনা শুরু হয়। এরআগে ছড়রা গুলির বদলে লঙ্কার গুঁড়ো মেশানো এক বিশেষ ধরণের গুলি ব্যবহার করার নির্দেশ দিয়েছিল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। কিন্তু কোনও কিছুতেই সেভাবে সাফল্য আসেনি। এবার প্লাস্টিক গুলি কতটা ফলপ্রসূ তা নিয়ে তৈরি হয়েছে নানা জল্পনা।

[টিকটিকিতে পা, ফ্ল্যাট থেকে উদ্ধার বৃদ্ধের পচাগলা দেহ]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.