Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
ঝাড়খণ্ডে হামলা

ঝাড়খণ্ডের লোহারদাগায় CAA’র সমর্থন মিছিলে ধুন্ধুমার, জখম একাধিক

কংগ্রেসের মদতে হিন্দুদের ওপর অত্যাচার চালাচ্ছে রাজ্য সরকার, অভিযোগ বিশ্ব হিন্দু পরিষদের।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২৪, ২০২০, ১৬:৪১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২৪, ২০২০, ১৬:৪১

options
link
ঝাড়খণ্ডের লোহারদাগায় CAA’র সমর্থন মিছিলে ধুন্ধুমার, জখম একাধিক zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সংশোধিত নাগরিকত্ব আইনের সমর্থনে আয়োজিত মিছিলে হামলা চালাল একদল দুষ্কৃতী। মিছিলে থাকা মানুষদের মারধর করার পাশাপাশি পাথরও ছোঁড়ে তারা। এর জেরে জখম হয়েছেন একাধিক জন। শুধু তাই নয়, বেশ কয়েকটি গাড়িতে আগুনও ধরিয়ে দেয় হামলাকারীরা। বৃহস্পতিবার বিকেলে ঘটনাটি ঘটেছে ঝাড়খণ্ডের লোহারদাগা শহরে। বিষয়টিকে কেন্দ্র করে প্রবল উত্তেজনা ছড়ানোয় শুক্রবার সকাল থেকে সেখানে ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে।

Advertisement

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, CAA ও NPR সমর্থনে দেশজুড়ে মিছিল ও শোভাযাত্রা করার পরিকল্পনা নিয়েছে বিশ্ব হিন্দু পরিষদ। তাদের সঙ্গে এই বিষয়ে এগিয়ে এসেছে দেশের বেশ কয়েকটি হিন্দুত্ববাদী সংগঠনও। বৃহস্পতিবার বিকেলে সেই রকমই একটি মিছিলের আয়োজন করা হয়েছিল ঝাড়খণ্ডের লোহারদাগা শহরে। মিছিলটি যখন স্থানীয় আমলাতলী এলাকা দিয়ে যাচ্ছিল তখন তার ওপরে হামলা চালায় দুষ্কৃতীরা। ক্রমাগত পাথরও ছুঁড়তে থাকে। মিছিলের লোকজনকে মারধর করার পাশাপাশি রাস্তার ধারে থাকা প্রচুর গাড়িতে আগুন লাগিয়ে দেয়।

[আরও পড়ুন: হাউজবোটে দাউদাউ আগুন! জলে ঝাঁপ দিয়ে প্রাণে বাঁচল শিশু-সহ ১৬ পর্যটক ]

 

বিষয়টিকে কেন্দ্র করে নিমিষে তুমুল উত্তেজনা ছড়ায় ওই এলাকায়। খবর পেয়ে স্থানীয় থানার পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করে। কিন্তু, তারপরও সামাল দিতে পারেনি। এরপরই বিশাল পুলিশ বাহিনী নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন জেলাশাসক আকাঙ্ক্ষা রঞ্জন ও স্থানীয় পুলিশ সুপার। আর তারপরই গোটা এলাকাজুড়ে ১৪৪ ধারা জারি করা হয়। দুদিন এই অবস্থা থাকবে। পরে পরিস্থিতির বদল হলে ১৪৪ ধারা প্রত্যাহার করা হবে বলে জানিয়েছেন জেলাশাসক।

গন্ডগোলের কিছুক্ষণ বাদেই এর তীব্র নিন্দা জানিয়ে টুইট করা হয় বিশ্ব হিন্দু পরিষদের তরফে। তাতে তারা এই ঘটনার জন্য সোজাসুজি দায়ী করেছে রাজ্যের ক্ষমতাসীন জোট সরকার ও মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেনকে। তাদের অভিযোগ, আগে থেকে অনুমতি নিয়েই ওই মিছিল বের করা হয়েছিল। তারপরও মিছিল হামলা হয়েছে। আর ঘটনাস্থলে দাঁড়িয়ে থেকে পুরো বিষয়টি চুপচাপ দেখেছে পুলিশ। সংগঠনের তরফে এর তীব্র নিন্দা জানানো হয়েছে। কংগ্রেসের সমর্থনে সরকার গঠন হওয়ার পরেই রাজ্যের হিন্দুদের ওপর আক্রমণ চালানো হচ্ছে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.