Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৯ আগস্ট ২০২৬
Delhi

‘সরি মা…’, দিল্লিতে ‘আত্মঘাতী’ দশমের পড়ুয়া, মানসিক নির্যাতনে অভিযুক্ত তিন শিক্ষক

শিক্ষকদের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন মৃত ছাত্রের বাবা।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ২০, ২০২৫, ১১:০৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ২০, ২০২৫, ১১:০৮

options
link
‘সরি মা…’, দিল্লিতে ‘আত্মঘাতী’ দশমের পড়ুয়া, মানসিক নির্যাতনে অভিযুক্ত তিন শিক্ষক zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ‘সরি মা, শেষ বার তোমার মন ভাঙছি…’। সুইসাইড নোটে এমন কথা লিখে দিল্লিতে মেট্রোর সামনে ঝাঁপ দিয়ে আত্মঘাতী হল দশম শ্রেণির এক পড়ুয়া! এই ঘটনায় অভিযোগ উঠছে স্কুলের প্রিন্সিপাল-সহ তিন শিক্ষকের বিরুদ্ধে। মৃত পড়ুয়ার বাবার দাবি, শিক্ষকদের মানসিক অত্যাচারের কারণে চরম পথ বেছে নেয় তাঁর ১৬ বছরের ছেলে। শিক্ষকদের বিরুদ্ধে আত্মহত্যার প্ররোচনার মামলা করেছেন তিনি। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বুধবার দুপুর আড়াইটে নাগাদ রাজেন্দ্র প্লেস স্টেশনে ঘটে মর্মান্তিক ঘটনা। নাটকের ক্লাসে যাওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বেরোনোর পর ওই কিশোর মেট্রোর লাইনে ঝাঁপ দেয়। তাঁকে উদ্ধার করে নিকটবর্তী ব্লক হাসপাতালের দিকে নিয়ে যাওয়া হলেও চিকিৎসকেরা মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনাস্থল থেকে ‘সুইসাইড নোট’ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সেখানে শিক্ষকদের বিরুদ্ধে মানসিক হেনস্তার অভিযোগ এনেছে পড়ুয়া। সে লিখেছে, “সরি মা, এতবার তোমার মন ভেঙেছি, এই শেষ বার মন ভাঙছি। স্কুলের শিক্ষকরা এমন, আর কী বলব!”

Advertisement

শেষ চিঠিতে স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষিকাদের দীর্ঘদিনের বকাঝকা, অপমান এবং মানসিক চাপে ভেঙে পড়ার কথা জানিয়েছে কিশোর। সেই চাপেই যে সে মৃত্যুর পথ বেছে নিয়েছে, তাও জানিয়েছে! পাশাপাশি আত্মঘাতী হওয়ার জন্য বাবা-মা ও দাদার কাছে ক্ষমা চেয়েছে। আরও লিখেছে যে তার দেহ যেন দান করা হয়। স্কুল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে মারাত্মক অভিযোগ করেছেন মৃত কিশোরের বাবা।

একাধিক সংবাদমাধ্যমকে তিনি জানিয়েছেন, ছেলের আচরণগত পরিবর্তন এবং মানসিক দুশ্চিন্তার বিষয়টি তারা লক্ষ্য করেছিলেন। সেই বিষয়ে শিক্ষকদের সঙ্গে আলোচনাও করেছিলেন। যদিও স্কুল কর্তৃপক্ষ তথা শিক্ষকরা কোনও সদার্থক পদক্ষেপ করেননি। উলটে নাটকের ক্লাসে পড়ে যাওয়া নিয়ে তাকে অপমান করা হয়। বারবার স্কুল থেকে বের করে দেওয়ার ভয় দেখানো হয় তাকে। সুইসাইড নোটে শিক্ষক-সহ যাঁদের নাম রয়েছে, তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারে পুলিশ। শিক্ষকে মানসিক নির্যাতনে এক ছাত্রের মৃত্যুর ঘটনায় বিতর্ক শুরু হয়েছে রাজধানীতে।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.