Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
অরবিন্দ কেজরিওয়াল

কর্মীদের বেতন দিতে দিয়ে কেন্দ্রের দ্বারস্থ কেজরিওয়াল! ৫ হাজার কোটি টাকার আরজি

আর্থিক মন্দার জেরে কেন্দ্রের কাছে সাহায্যের আবেদন দিল্লি সরকারের।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ৩১, ২০২০, ১৬:৪১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ৩১, ২০২০, ১৬:৪১

options
link
কর্মীদের বেতন দিতে দিয়ে কেন্দ্রের দ্বারস্থ কেজরিওয়াল! ৫ হাজার কোটি টাকার আরজি zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: কর্মীদের বেতন দিতে গিয়ে মাথায় হাত কেজরিওয়াল সরকারের! ৫ হাজার কোটি টাকা সাহায্য চেয়ে কেন্দ্রের কাছে আবেদন করেন অরবিন্দ কেজরিওয়াল।। রবিবার সকালে এই মর্মে টুইট করে কেন্দ্রের সাহায্যের আরজি জানান তিনি।

করোনায় সংক্রমিত বাকি রাজ্যগুলির মত হিটলিস্টে রয়েছে রাজধানীর নামও। দীর্ঘ দু মাস লকডাউনের জেরে ধসে গিয়েছে দিল্লির অর্থনীতি। লাটে উঠেছে ব্যবসা। ফলে অর্থনীতিতে মন্দা থাকায় সরকারের ভাঁড়ারেও টান পড়েছে। জুনের শুরুতেই কর্মীদের বেতন দেওয়ার হিসেব কষতে গিয়ে চোখ কপালে উঠেছে দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালের (Arving Kejriwal)। তাই কেন্দ্রের কাছে ৫ হাজার কোটি টাকা আর্থিক সাহায্যের আরজি করেন তিনি। রবিবার সকালে টুইট করে মুখ্যমন্ত্রী জানান, “এই সঙ্কটের মুহুর্তে আমি কেন্দ্রকে দিল্লির পাশে থাকার আবেদন করেছি।” দিল্লির উপমুখ্যমন্ত্রী মণীষ সিসোদিয়া বলেন, “কেন্দ্রের কাছে ৫ হাজার কোটি টাকা আর্থিক সাহায্য চাওয়া হয়েছে। অন্য রাজ্যগুলো বিপর্যয় মোকাবিলা খাতে সাহায্য পেলেও দিল্লি কিছুই পায়নি। সরকারি কর্মীদের বেতন দিতে দিল্লি সরকারের প্রয়োজন ৩ হাজার ৫০০ কোটি টাকা। বাকি খরচ বাবদ প্রয়োজন আরও দেড় হাজার টাকা।”

Advertisement

[আরও পড়ুন:‘বিতর্ক তৈরি করে বাংলার মানুষকেই অপমান করা হচ্ছে’, বিরোধীদের কটাক্ষ শিক্ষামন্ত্রীর]

রবিবার সাংবাদিক বৈঠক করে দিল্লির উপ মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন যে, গত দুমাসে জিএসটি (GST) বাবদ ৫০০ কোটি টাকা আয় হয়েছে। কর্মীদের বেতন মেটাতে আরও অন্তত ৭ হাজার কোটি টাকা প্রয়োজন। এঁদের মধ্যে রয়েছেন প্রথম সারির করোনা যোদ্ধারা। যাঁরা গত ৩ মাস ধরে অক্লান্ত পরিশ্রম করে চলেছেন। মানুষের সেবায় নিজেদের নিয়োজিত করেছেন।

[আরও পড়ুন:শ্রমিক স্পেশ্যাল ট্রেন থেকে প্ল্যাটফর্মে ঝাঁপ, পলাতক চেন্নাই ফেরত বাংলার ১৬ জন পরিযায়ী শ্রমিক]

চতুর্থ দফা লকডাউনের শুরু থেকেই আর্থিক মন্দা নিয়ে সরব হয়েছিলেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী। লকডাউনের বিধি মেনে বেশ কিছু স্থানে ব্যবসা শুরু করার প্রস্তাবও দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রীকে। কেজরিওয়ালই প্রথম মুখ্যমন্ত্রী, যিনি চরম সত্য স্বীকার করে বলেছিলেন, “আমাদের করোনা নিয়েই বাঁচতে হবে। আসুন করোনার সঙ্গে বাঁচতে শিখি।”

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.