Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৯ আগস্ট ২০২৬
Delhi

বাবাকে অপমান স্ত্রীর! ‘আর বাঁচতে চাই না’, ফোনে বাবার কাছে ক্ষমা চেয়েই ‘আত্মঘাতী’ বিচারক

তাঁর আত্মহত্য়ার কারণ নিয়ে ধন্দে ছিল পুলিশ। এবার পরিবারের তরফে এই বিস্ফোরক অভিযোগ করা হল।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ৩, ২০২৬, ১৬:৪৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ৩, ২০২৬, ১৬:৪৫

options
link
বাবাকে অপমান স্ত্রীর! ‘আর বাঁচতে চাই না’, ফোনে বাবার কাছে ক্ষমা চেয়েই ‘আত্মঘাতী’ বিচারক zoom
মৃত বিচারক অমন কুমার শর্মা।
Advertisement

‘আর বেঁচে থাকা সম্ভব নয়।’ মৃত্যুর দুদিন আগে বাবাকে ফোন করে এই কথাই জানিয়েছিলেন দিল্লির ৩০ বছর বয়সি বিচারক অমন শর্মা। তাঁর পরিবারের অভিযোগ, আমনের বাবা প্রেম কুমার শর্মাকে অপমান করেছিলেন তাঁর স্ত্রী। বাবার সেই অপমান সহ্য করতে পারেননি তিনি। সেই কারণে ২ মে বিকেলে বাথরুমে গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করেন অমন। তাঁর আত্মহত্য়ার কারণ নিয়ে ধন্দে ছিল পুলিশ। এবার পরিবারের তরফে এই বিস্ফোরক অভিযোগ করা হল।

পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, অমনের সামনে তাঁর বাবাকে অপমান করেছিলেন অমনের স্ত্রী। সেই অপমান সহ্য করতে পারেননি তিনি। তাই দম্পতির মধ্য়ে অশান্তি চলছিল। মৃত্যুর দিনও তাঁদের মধ্যে বাদানুবাদ হয়েছিল। এর জেরে স্ত্রী তাঁদের দুই সন্তানকে নিয়ে বাড়ি ছেড়ে চলে যান। মৃত্যুর দুই দিন আগে বাবাকে ফোন করে অমন জানান, তিনি আর বেঁচে থাকতে চান না। এটাই ছিল পরিবারকে তাঁর শেষ ফোন। ছেলের মুখে এই কথা শুনে তড়িঘড়ি দিল্লিতে ছুটে আসেন প্রেমকুমার।

Advertisement

পরিবারের অভিযোগ, অমনের উপর মানসিক নির্যাতন চালানো হচ্ছিল। তাঁর স্ত্রী লাগাতার তাঁর সঙ্গে অশান্তি করতেন। এর পিছনে মৃতের শ্যালিকা রয়েছেন বলে অভিযোগ পরিবারের। তিনি জম্মুতে কর্মরত একজন আইএএস অফিসার। তাঁর বিরুদ্ধে অশান্তিতে উস্কানি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।।

রবিবার অমনের শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়েছে। পরিবার-সহ দিল্লি, হরিয়ানা, রাজস্থানের একাধিক বিচারক শেষকৃত্যে উপস্থিত ছিলেন। কিন্তু শ্বশুরবাড়ির কেউ সেখানে ছিলেন না। অমনের মৃত্যুর সঠিক তদন্তের দাবি জানিয়েছেন পরিবারের সদস্যরা। পরিবারের দাবি, যিনি ন্যায়বিচার করেন, তার সঙ্গে যদি এমন ঘটনা ঘটতে পারে, তবে যে কারও সঙ্গেই এই অপরাধ ঘটতে পারে।

উল্লেখ্য, দক্ষিণ দিল্লির গ্রিন পার্কের বাড়ির বাথরুম থেকে উদ্ধার করা হয় ৩০ বছর বয়সি ওই বিচারকের দেহ। তিনি আত্মহত্যা করেছেন বলে জানা গেলেও কারণ সম্পর্কে ধন্দে ছিল পুলিশ। অবশেষে আত্মহত্যার কারণ সম্পর্কে মুখ খুললেন পরিবারের সদস্যরা। তাঁর মৃত্যুর জন্য স্ত্রী ও শ্বশুরবাড়ির সদস্যদের দায়ী করা হয়েছে।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.