Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ১০ জুন ২০২৬
Delhi Crime

‘দিদি টাকা দিয়ে দিলে এমন করতাম না’, দিল্লি ধর্ষণ কাণ্ডে অভিযুক্তের নির্লিপ্ত উত্তর

১২ ঘণ্টারও কম সময়ের মধ্যে দু’টি ধর্ষণে অভিযুক্ত বছর বাইশের ছেলেটিকে দেখে বিস্মিত পুলিশ।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২৪, ২০২৬, ১৪:২১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২৪, ২০২৬, ১৪:২১

options
link
‘দিদি টাকা দিয়ে দিলে এমন করতাম না’, দিল্লি ধর্ষণ কাণ্ডে অভিযুক্তের নির্লিপ্ত উত্তর zoom
নিজের অপরাধের সপক্ষে 'যুক্তি'ও খাড়া করতে চাইছে রাহুল।

রাজস্থানের অলওয়ারের বাসিন্দা রাহুল মিনা। ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের মধ্যে দু’টি ধর্ষণে অভিযুক্ত বছর বাইশের ছেলেটিকে দেখে বিস্মিত পুলিশ। দ্বিতীয় ধর্ষণের ক্ষেত্রে খুনেরও অভিযোগ রয়েছে। এহেন সব গুরুতর অপরাধের কথা নাকি স্বীকার করার পরও নাকি কোনও ধরনের অনুতাপের চিহ্নমাত্র নেই তার মধ্যে। কেবল তাই-ই নয়। নিজের অপরাধের সপক্ষে ‘যুক্তি’ও খাড়া করতে চাইছে রাহুল। এমনই দাবি তদন্তকারীদের।

এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের সূত্রের দাবি, রাহুল রীতিমতো স্বাভাবিক ভঙ্গিতেই কথাবার্তা বলছে। পাশাপাশি সে জানিয়েছে, তার উদ্দেশ্য ছিল টাকা চাওয়া। রাহুলের কথায়, ”দিদি টাকাটা দিয়ে দিলে এমন ঘটত না।” পরে আবার সে বলেছে, ”সব কিছুই কেমন যেন এমনি এমনি ঘটে গেল।” পুলিশ জানতে পেরেছে, জুয়া খেলার নেশা ছিল রাহুলের। তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, সেই আসক্তির কথা জানতে পারার পরই তাকে কাজ থেকে বরখাস্ত করা হয়। অভিযোগ, সে ওই পরিবারের সঙ্গে প্রতারণা করেছিল। নিজের জুয়ার নেশার খরচ জোগাতে বিভিন্ন উৎস থেকে টাকা ধারও করেছিল। তার এই নেশার কথা গ্রামেও সকলে জানত।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

পুলিশের দাবি, ২২ বছরের তরুণীর ঘরে আচমকাই নাকি ঢুকে পড়ে অভিযুক্ত রাহুল। তারপর ভারী বস্তুর সাহায্যে বারংবার আঘাত করে তাঁকে অচেতন করে দেয়। ওই অবস্থাতেই সে ধর্ষণ করে তাঁকে। এরপর ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে গ্র্যাজুয়েট তরুণীকে হত্যা করে টাকাপয়সা হাতিয়ে নেয়। নিজের রক্তে মাখা পোশাক খুলে ফেলে নির্যাতিতার ভাইয়ের পোশাক পরে সেখান থেকে পালিয়ে যায়। পরে মৃতার পরিবারের লোক বাড়ি ফিরে আবিষ্কার করে রক্তে ভেসে যাচ্ছে মেঝে।

এদিকে জানা গিয়েছে, রাহুলকে ধরতে সবথেকে বড় ভূমিকা নিয়েছে সিসিটিভি ফুটেজ। সিসিটিভি ক্যামেরা পরীক্ষা করতেই ধরা পড়ে অভিযুক্ত কোন দিকে পালিয়ে গিয়েছিল। সেই সঙ্গেই পুলিশ ফুটেজ থেকে সেই অটোটিকেও শনাক্ত করতে পারে, যেটায় চেপে রাহুল পালিয়ে যায় বলে দাবি। দ্রুত খুঁজে বের করা হয় চালককে। চালক পুলিশকে জানায়, সে অভিযুক্তকে একটি হোটেলে নামিয়ে দিয়েছিল। এই তথ্যের সূত্র ধরেই পুলিশ ওই হোটেলে পৌঁছায়। এবং এরপরই অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেন তদন্তকারীরা। কিন্তু কীভাবে ওই বাড়িতে ঢুকেছিল সে? পুলিশ জানাচ্ছে, আসলে রাহুল ওই বাড়ির পুরনো কাজের লোক হওয়ায় একটি অতিরিক্ত চাবি তার কাছেও ছিল। সেটা দিয়েই সে বাড়িতে ঢুকে পড়ে বলে দাবি।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.