BREAKING NEWS

৭ আশ্বিন  ১৪২৭  শুক্রবার ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

করোনা আক্রান্ত দিল্লির পিজ্জা ডেলিভারি বয়, হোম কোয়ারেন্টাইনে ৭২ টি পরিবার

Published by: Tiyasha Sarkar |    Posted: April 16, 2020 1:30 pm|    Updated: April 16, 2020 2:01 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: এবার দিল্লির এক পিজ্জা ডেলিভারি বয়ের শরীরে মিলল করোনার (Corona Virus) জীবাণু। কোভিড-১৯ টেস্টের রিপোর্ট হাতে আসার পরই দিল্লির একটি হাসপাতালে চিকিৎসা শুরু হয়েছে তাঁর। ওই যুবকের শরীরে মারণ ভাইরাসের অস্তিত্ব পাওয়ার পরই ৭২টি পরিবারকে হোম কোয়ারেন্টাইন করা হয়েছে। কারণ, শেষ কয়েকদিন এদের প্রত্যেকের সংস্পর্শে এসেছিলেন ওই যুবক।

জানা গিয়েছে, দক্ষিণ দিল্লির সাবিত্রী নগরের মালভিয়া নগরের বাসিন্দা ওই যুবক। শেষ প্রায় ২০ দিন ধরে জ্বর-সহ করোনার একাধিক উপসর্গ ছিল তাঁর। অসুস্থ অবস্থাতেও ১২ এপ্রিল পর্যন্ত অর্ডার অনুযায়ী বাড়ি বাড়ি পিজ্জা ডেলিভারি দিয়েছেন তিনি। এরপর অবস্থা বেশি খারাপ হলে তাঁকে হাসপাতালে ভরতি করা হয়। উপসর্গে সন্দেহ হতেই তাঁর নমুনা পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়। রিপোর্ট মিলতেই জানা গিয়েছে, করোনা আক্রান্ত ওই যুবক। এরপরই সংক্রমণের আতঙ্ক এক ধাক্কায় কয়েকগুণ বেড়ে গিয়েছে। কারণ, প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে সংক্রমিত অবস্থাতেই কর্মসূত্রে একাধিক মানুষের সংস্পর্শে এসেছেন তিনি। সেই কারণেই তাঁর রিপোর্ট পজিটিভ হওয়ার পরই শেষ কয়েকদিনে তিনি যাদের সংস্পর্শে এসেছিলেন এরকম ৭২টি পরিবারকে হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও আক্রান্তের ১৭ জন সহকর্মীকে কোয়ারেন্টাইন সেন্টারে পাঠানো হয়েছে।

[আরও পড়ুন: করোনায় বৃদ্ধের মৃত্যু, নিজামুদ্দিন ফেরত ব্যক্তির সংস্পর্শে এসেছিলেন বলে দাবি পরিবারের]

এই ঘটনার পরই জোম্যাটো ইন্ডিয়া টুইটার হ্যান্ডেলে একটি বিবৃতি দিয়ে জানিয়েছে যে, “অনলাইনে অর্ডারের পরও বেশ কিছু ডেলিভারি রেস্তরাঁর কর্মীরাও করে থাকেন।” পাশাপাশি সেখানে বলা হয়, আক্রান্ত যখন কাজে যুক্ত ছিলেন, তখন তিনি আক্রান্ত হয়েছিলেন কিনা তা এখনও নিশ্চিত নয়। জানা গিয়েছে, এই ঘটনার পর বিভিন্ন রেস্তরাঁর তরফে কর্মী ও ডেলিভারি বয়দের আরও সুরক্ষিতভাবে কাজ করার নির্দেশ দিয়েছে। সেইসঙ্গে জোম্যাটোর তরফেও সকলের সুরক্ষার দিকে নজর দেওয়া হচ্ছে বলে জানানো হয়েছে।

 

 

[আরও পড়ুন: হায় ঈশ্বর! পেটের জ্বালা মেটাতে শ্মশানের ‘পচা’ কলাই ভরসা পরিযায়ী শ্রমিকদের]

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement