Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Digital Arrest

দেশে ফিরে প্রতারণার শিকার! ডিজিটাল অ্যারেস্ট ১৫ কোটি লুট চিকিৎসক দম্পতির, ফিরবেন আমেরিকায়

১৭ দিন ধরে ডিজিটাল অ্যারেস্ট! সাইবার অপরাধীদের খপ্পরে পড়ে প্রায় ১৫ কোটি টাকা খুইয়েছিলেন দিল্লির চিকিৎসক দম্পতি। সেই ঘটনার তদন্তে নেমে গুজরাট থেকে দু'জনকে গ্রেপ্তার করল দিল্লি পুলিশ।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১৮, ২০২৬, ১৮:৪৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১৮, ২০২৬, ১৮:৪৪

options
link
দেশে ফিরে প্রতারণার শিকার! ডিজিটাল অ্যারেস্ট ১৫ কোটি লুট চিকিৎসক দম্পতির, ফিরবেন আমেরিকায় zoom
ছবি: সংগৃহীত।

১৭ দিন ধরে ডিজিটাল অ্যারেস্ট! সাইবার অপরাধীদের খপ্পরে পড়ে প্রায় ১৫ কোটি টাকা খুইয়েছিলেন দিল্লির চিকিৎসক দম্পতি। সেই ঘটনার তদন্তে নেমে গুজরাট থেকে দু’জনকে গ্রেপ্তার করল দিল্লি পুলিশ। তাতে প্রশ্ন উঠছে, তা হলে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির রাজ্যে বসেই এই অপরাধ সংগঠিত হয়েছে? এই বিষয়টি খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।

প্রায় ৪৮ বছর আমেরিকায় বসবাস করেছেন ওই বৃদ্ধ দম্পতি ওম তানেজা এবং ইন্দিরা তানেজা। ২০১৫ সালে তাঁরা দিল্লিতে ফিরে আসেন। সেখানেই পাকাপাকি ভাবে থাকতে শুরু করেছিলেন। কিন্তু সাইবার প্রতারণায় শিকার হয়ে সমস্ত সঞ্চয় লুট হয়ে যাওয়ায় তাঁরা ভারতে বাকি জীবন কাটানোর সিদ্ধান্ত থেকে পিছু হঠার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। ঠিক করেছেন, আবার আমেরিকাতেই ফিরে যাবেন।

Advertisement

পুলিশ জানিয়েছে, ধৃতদের নাম দিব্যাঙ্ক প্যাটেল এবং শীতাউলি। তাঁদের ভাদোদরা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। দিব্যাঙ্কের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে সদ্য চার কোটি টাকা ঢুকেছে বলেও জানতে পেরেছেন তদন্তকারীরা। দু’জনকেই গুজরাট থেকে দিল্লি নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

দম্পতির অভিযোগ, গত বছরের ২৪ ডিসেম্বর তাঁদের কাছে ফোন আসে। এক ব্যক্তি নিজেকে ইডি অফিসার হিসাবে পরিচয় দেন। তানেজা দম্পতি জানিয়েছেন, ফোনের ওপারের ওই ‘ইডি অফিসার’ দাবি করেন তাঁদের বিরুদ্ধে আর্থিক তছরুপের অভিযোগ জমা পড়েছে। শুধু তা-ই নয়, দম্পতিকে বলা হয়, তাঁরা জঙ্গি সংগঠনে অর্থ বিনিয়োগ করেছেন। এই কথা শোনার পর দম্পতি হতচকিত হয়ে যান। তাঁরা দাবি করেন, এমন কোনও ঘটনার সঙ্গে জড়িত নন। কিন্তু ওই অফিসার তাঁদের ক্রমাগত হুমকি দিতে থাকেন। সেই সঙ্গে দাবি করেন, যদি তাঁর দাবিমতো টাকা দেওয়া হয়, তা হলে এই অভিযোগ তুলে নেওয়া হবে। না হলে বাড়ি থেকে তাঁদের তুলে নিয়ে আসা হবে।

এই ধরনের হুমকি শোনার পর বেশ ঘাবড়ে যান দম্পতি। ফাঁদে পা দিয়েছেন বুঝতে পেরে তাঁদের আরও নানা রকম ভাবে ফোনে হুমকি দেওয়া শুরু হয়। দম্পতির অভিযোগ, তাঁদের কাছ থেকে দফায় দফায় টাকা আদায় করা হয়। কখনও দু’কোটি টাকা, কখনও তিন কোটি, এ ভাবে ১৭ দিন ধরে ‘ডিজিটাল’ গ্রেফতার করে বৃদ্ধ দম্পতির কাছ থেকে ১৪ কোটি ৮৫ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেওয়া হয়।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.