২৪ অগ্রহায়ণ  ১৪২৬  বুধবার ১১ ডিসেম্বর ২০১৯ 

Menu Logo মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: নজিরবিহীনভাবে বিবেকানন্দের মূর্তি ভাঙচুরের পর থেকে থমথমে জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয় চত্বর। মনীষীর মূর্তি এবং ভাইস চ্যান্সেলরের অফিস ভাঙচুরের ঘটনায় এফআইআর দায়ের করল দিল্লি পুলিশ। সরকারি সম্পত্তি নষ্টের ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে।

ফি বৃদ্ধিকে কেন্দ্র করে গত সপ্তাহে উত্তাল হয়ে জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়। পড়ুয়াদের চাপের মুখে কার্যত মাথানত করে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। প্রত্যাহার করা হয় বর্ধিত ফি। এই পরিস্থিতিতে আবারও উত্তেজনার আগুনে ঘি ঢালে মূর্তি ভাঙচুরের ঘটনায়। বিশ্ববিদ্যালয়ের চত্বরে থাকা বিবেকানন্দের মূর্তি ভাঙচুর করা হয়। তাতে লেখা হয় অশ্রাব্য গালিগালাজও। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মনীষীর মূর্তি ভাঙচুরের ঘটনায় বিভিন্ন মহলে ওঠে সমালোচনার ঝড়। প্রতিবাদে পথেও নেমেছেন অনেকেই। কে বা কারা এই মূর্তি ভাঙার ঘটনার সঙ্গে জড়িত, তা এখনও জানা যায়নি।

শনিবার স্বামী বিবেকানন্দ মূর্তি কমিটির চেয়ারপার্সন বুদ্ধ সিং অভিযোগ দায়ের করেন। ওই অভিযোগপত্রে তিনি উল্লেখ করেন, “ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়া এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত। এখনও পর্যন্ত এই ঘটনায় জড়িত সাতজনকে শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে। তবে তাদের নাম জানা যায়নি।” ভাঙা মূর্তির পাশে লেখা কুকথা নিয়েও সুর চড়িয়েছেন তিনি। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “ওই মূর্তির পাশে যে রঙয়ের কালিতে লেখা ছিল। সেই রং দেখলেই ভাঙচুরকারীদের রাজনৈতিক পরিচিতি সম্বন্ধে ধারণা করা যায়।” মূর্তি ভাঙচুরের মতো বেনজির ঘটনার সঙ্গে যুক্তরা বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরেও ব্যাপক অশান্তির পরিবেশ তৈরি করে বলেই অভিযোগ বিবেকানন্দ মূর্তি কমিটির।

[আরও পড়ুন: খাটের সঙ্গে হাত-পা বেঁধে লাগাতার ধর্ষণ, নাবালক দাদার যৌন লালসার শিকার কিশোরী]

তবে কে বা কারা এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত, তা এখনও পুলিশের কাছে স্পষ্ট নয়। অভিযোগের ভিত্তিতে ঘটনাটি খতিয়ে দেখছে পুলিশ। অভিযুক্তদের দ্রুত গ্রেপ্তার করা হবে বলেও আশ্বাস পুলিশের।

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং