Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
Delhi

খুন করে দুর্ঘটনার গল্প! লিভ-ইন সঙ্গী হত্যায় গ্রেপ্তার ফরেন্সিক ছাত্রী, দিল্লি পুলিশের জালে প্রাক্তন প্রেমিকও

দেহ লোপাটে ঘি-মদ ঢেলে আগুন!

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ২৭, ২০২৫, ১৫:৫৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ২৭, ২০২৫, ১৫:৫৮

options
link
খুন করে দুর্ঘটনার গল্প! লিভ-ইন সঙ্গী হত্যায় গ্রেপ্তার ফরেন্সিক ছাত্রী, দিল্লি পুলিশের জালে প্রাক্তন প্রেমিকও zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: দিল্লিতে ইউপিএসসি পরীক্ষার্থী-যুবক খুনের ঘটনার তিন সপ্তাহ পর খুনের বিষয়ে নিশ্চিত হল পুলিশ। গ্রেপ্তার করা হল ২১ বছর বয়সি একত্রবাস সঙ্গী তরুণীকে। ফরেন্সিকের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী দেহ লোপাট করতে পঠনপাঠনের জ্ঞান কাজে লাগান। খুনের ঘটনাকে দুর্ঘটনা বলে চালানোর চেষ্টা করেন। তাতেও অবশ্য শেষ রক্ষা হল না।

পুলিশ জানিয়েছে, মৃত ৩২ বছরের যুবকের নাম রামকেশ মীনা। তাঁকে খুনে অভিযুক্ত লিভ-ইন সঙ্গী অমৃতা চৌহান এবং তাঁর প্রাক্তন প্রেমিক সুমিত কাশ্যপ। ষড়যন্ত্রে সঙ্গী হন সন্দীপ কুমার নামের এক যুবক। তিনি সুমিতের বন্ধু। সকলেই মোরাদাবাদের বাসিন্দা বলে জানা গিয়েছে। চলতি মাসের শুরুতে দিল্লির গান্ধী বিহারের ফ্ল্যাটে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায় রামকেশকে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রেমের সম্পর্ক থেকেই একত্রবাস করছিলেন রামকেশ ও অমৃতা। এর মধ্যেই প্রাক্তন প্রেমিক সুমিত ফিরে আসে অমৃতার জীবনে। এরপরেই রামকেশকে হত্যার পরিকল্পনা করে অমৃতা ও সুমিত।

Advertisement

দিল্লি পুলিশ জানিয়েছে, জিজ্ঞাসাবাদে খুনের কথা স্বীকার করেছে অভিযুক্তরা। রামকেশকে তাঁরা শ্বাসরোধ করে খুন করেন। এরপর বাতানুকূল যন্ত্রে বিস্ফোরণের নাটক করেন তাঁরা। আদতে লিভ-ইন সঙ্গীর দেহে তেল, ঘি এবং মদ ঢেলে পুড়িয়ে দেন অমৃতা। ফরেনসিক নিয়ে পঠনপাঠনের জ্ঞান কাজে লাগান তিনি। ৫ অক্টোবরের সিসিটিভি খতিয়ে দেখে পুলিশ। তাতে দেখা যায় দুই মুখোশধারী ব্যক্তি গান্ধী বিহারের ফ্ল্যাটে প্রবেশ করছেন। রাত ৩টে নাগাদ অমৃতাকে সঙ্গে নিয়ে বেরিয়ে যেতে দেখা যায় তাঁদের। পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে তিন অভিযুক্তকেই।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.