শ্বশুরবাড়িতে দিনের পর দিন নির্যাতন। স্বামীর থেকেও কোনও সাহায্য মেলেনি। শেষ পর্যন্ত চরম সিদ্ধান্ত নিলেন দিল্লির তরুণী। আত্মঘাতী হওয়ার আগে শেষ বার্তা দিয়ে বললেন, ‘বাবা আমি চলে যাচ্ছি।’ নিজের দেড় বছর বয়সি শিশুকন্যার দায়িত্বও বাবার হাতে দিয়েছেন ওই তরুণী। শ্বশুরবাড়িতে কীভাবে হেনস্তার শিকার হয়েছেন সেই নিয়েও একাধিক অভিযোগ জানিয়েছেন শেষ বার্তায়।
জানা গিয়েছে, ২৪ বছর বয়সি ওই তরুণীর বিয়ে হয়েছিল বছরতিনেক আগে। স্বামীর সঙ্গে থাকতেন দিল্লির নাংলোই এলাকায়। সম্ভবত শ্বশুরবাড়ির সঙ্গে না থাকার জেরেই সমস্যার সূত্রপাত। ওই তরুণীর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়, কিন্তু কোনও সুইসাইড নোট মেলেনি। পরে তাঁর ফোন থেকে উদ্ধার হয় তিন মিনিটের একটি ভিডিও। সেখানেই শ্বশুরবাড়ির অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন তিনি। স্পষ্ট জানান, বিয়ে করাটা তাঁর বিরাট ভুল হয়েছিল।
আরও পড়ুন:
চরম পদক্ষেপ করার আগে কেঁদে কেঁদে তিনি বলেছেন, “আমি কোনও কালো জাদু করিনি। আমার শাশুড়িকে মারধর করিনি। দেওর-ভাশুর কারোর গায়ে হাত তুলিনি। উলটে আমাকে মারধর করা হয়েছে।” ভিডিওতে তিনি আরও জানিয়েছেন, শ্বশুরবাড়িতে নানাভাবে হেনস্তার শিকার হলেও স্বামীকে পাশে পাননি। উলটে তরুণীকেই দোষারোপ করতেন। নিজের শেষ বার্তায় তরুণীর আক্ষেপ, ‘আমি শুধু ছোট্ট একটা পরিবার চেয়েছিলাম। কিন্তু সেটা হল না। আমি ওদের সঙ্গে আর থাকতে পারলাম না।’
নিজের দেড় বছরের মেয়েকেও স্বামীর হাতে তুলে দিতে নারাজ ওই তরুণী। ভিডিওতে তিনি বলেছেন, “বাবা, আমার মেয়েকে তুমি কারোর হাতে দেবে না। ওকে তোমার কাছেই রেখো। ওকে নিজের মেয়ের মতো করেই মানুষ কোরো।” আপাতত ওই তরুণীর দেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। পুলিশও তদন্ত শুরু করছে। তবে এখনও কাউকে আটক বা গ্রেপ্তার করা হয়নি এই ঘটনায়। যদিও পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে যথাযথ পদক্ষেপ করা হবে।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
ব্রিটেন-ভারত মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি, অর্থনীতির পুনর্গঠন
-
বাড়ির একমাত্র উপার্জনকারী আর ফিরবে না, তারাতলার বিপর্যয়ে দিশেহারা কাটোয়ার রোহিতের মা
-
ভরদুপুরে অন্ধকার তারাতলা, বজ্রপাতের ‘কার্পেট বম্বিং’য়ে ব্যাহত উদ্ধারকাজ
-
২৬ বছর বাদে বাংলা সিনেমা প্রযোজনায় অনুপম খের, অভিনয়ে টোটা-পাওলিরা
-
ভেনেজুয়েলার পর এবার ভূমিকম্পের কবলে জাপান, ৭.২ মাত্রার কম্পনে আতঙ্কে দ্বীপরাষ্ট্র