সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: উত্তর ও পূর্ব ভারতের কোনও ম্যাকডোনাল্ডস-এর আউটলেটে খাবেন না। কারণ, এতে আপনার স্বাস্থ্যের ক্ষতি হতে পারে। বৃহস্পতিবার এমনই সতর্কতা জারি করল জনপ্রিয় মার্কিন ফাস্ট ফুড চেনটি। তাদের অভিযোগ, ভারতে ম্যাকডোনাল্ডস-এর ওই সব আউটলেটে খাবারের মানের দিকে মোটেও নজর দেওয়া হয় না। মার্কিন সংস্থাটি তাই ওই সব দোকানে খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছে না গ্রাহকদের।
[নতুন বছরে জমিয়ে পার্টি করেও সুস্থ থাকুন]
উত্তর ও পূর্ব ভারতে ম্যাকডোনাল্ডস-এর ব্র্যান্ডেড আউটলেটের দায়িত্বে রয়েছে কনৌট প্লাজা রেস্টুরেন্ট(CPRL)। যৌথ উদ্যোগে দিল্লি, কলকাতা মিলিয়ে এরকম ১৬০টি দোকান চালু ছিল ‘ম্যাক ডি’র। কিন্তু উত্তর ও পূর্ব ভারতের আউটলেটে ম্যাকের খাবারের গুণমান বজায় থাকছে না, এই অভিযোগে একের পর এক দোকান বন্ধ করে দিয়েছে মূল মার্কিন সংস্থাটি। ১৬০টির মধ্যে ৮৪টিই বন্ধ হয়ে গিয়েছে উৎসবের মরশুমে। দিল্লি, কলকাতায় বন্ধ হয়ে গিয়েছে বেশ কিছু পরিচিত ও জনপ্রিয় ম্যাকডোনাল্ডস-এর বিপণি।
[দেড় কেজি গাঁজা হবে? ফোন পেয়ে তাজ্জব নারকোটিক্স কর্তা]
অভিযোগ আরও রয়েছে। CPRL-কে দীর্ঘদিন ধরেই ম্যাকডোনাল্ডস-এর যাবতীয় খাবারের কাঁচামাল সরবরাহ করে এসেছে রাধাকৃষ্ণ ফুডল্যান্ড। কিন্তু এবার তারাও টাকাপয়সা না পেয়ে সরবরাহ বন্ধ করে দিয়েছে। ভারতে ‘ম্যাক ডি’-র এক মুখপাত্র একটি সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, ভারতে ম্যাকের ফ্র্যাঞ্চাইজির নিয়মকানুন মানা হয়নি। CPRL যেভাবে ম্যাকের ব্র্যান্ড নেম খারাপ করছে, সেটা ভূ-ভারতে কোথাও হয়নি। ম্যাকের খাবারের যে মান বজায় রাখা হয়, সেটা দিল্লি বা কলকাতায় থাকছে না। তাই বাধ্য হয়েই ভারতে দায়িত্বপ্রাপ্ত সংস্থাটির সঙ্গে সব সম্পর্ক ছিন্ন করতে চাইছে ম্যাকডোনাল্ডস। গত আগস্ট মাস থেকে CPRL-এর সঙ্গে ম্যাকের আইনি লড়াই চলছে। তা সত্ত্বেও ম্যাক ব্র্যান্ড নেমকে ব্যবহার করে ভারতে এখনও বেশ কিছু দোকান খুলে রেখেছে ভারতীয় সংস্থাটি, অভিযোগ ম্যাক কর্তৃপক্ষের।
[জন্মদিনের পার্টির আগুনেই জতুগৃহ মুম্বইয়ের বহুতল]
তবে এই অভিযোগ উড়িয়ে পালটা ম্যাক-কেই দায়ী করেছেন CPRL-এর এমডি বিক্রম বক্সী। তিনি জানিয়েছেন, এখন রাধাকৃষ্ণর চেয়েও বড় লজিস্টিক পার্টনার পেয়ে গিয়েছেন তাঁরা। ColdEX নামের ওই সংস্থাটি KFC, Pizza Hut, Burger King-এর মতো সংস্থার খাবারের কাঁচামাল সরবরাহ করে ভারত জুড়ে। কিন্তু ম্যাকডোনাল্ডস নয়া সরবরাহকারী সংস্থাটির নাম শোনার আগেই চুক্তি বাতিল করে দেয়। বক্সীর অভিযোগ, ‘ম্যাক ডি’ আমেরিকাতে যে মানের খাবার গ্রাহকদের বিক্রি করে, ভারতে সেটা না করে তার চেয়ে অনেক নিচু মানের খাবার সরবরাহ করতে চাইছিল। তিনি বাধা দেওয়াতেই নাকি গোঁসা হয়েছে ম্যাকের কর্তার, অভিযোগ বক্সীর। তবে গাফিলতি যাই থাকুক, আপাতত বিমানে করে কাঁচামাল সরবরাহ করে কোনওমতে ম্যাক-এর কয়েকটি রেস্তরাঁ চালু রাখা হয়েছে, ভবিষ্যতে কতদিন সেগুলি চলবে, সেটা এখনও কারও জানা নেই।
[নজরে আগ্রাসী দুশমন, সুপারসনিক ইন্টারসেপ্টর মিসাইলের সফল উৎক্ষেপণ ভারতের]
সর্বশেষ খবর
-
প্রয়াত পদ্মশ্রী সাহিত্যিক রবিলাল টুডু, রোগভোগের পর না ফেরার দেশে ‘বীর বীরসা’র স্রষ্টা
-
বিশ্বকাপের আগে ‘অমানবিক’ ফিফা! দর্শকদের ভোগান্তি বাড়তে পারে এই সিদ্ধান্তে
-
দাউদ ইব্রাহিমের হাড়হিম হুমকি, ‘তোর খেলা শেষ’, আইপিএলের ভয়ঙ্কর অভিজ্ঞতা শোনালেন ললিত
-
ভেঙে খানখান সাধের দল! ‘বিদ্রোহী’দের ফেরাতে জনে জনে ফোন করছেন মমতা
-
গেট খুললেই জুতোর বাড়ি! প্রতারণার অভিযোগে দুর্গাপুরে তৃণমূলের নেতার বাড়ির সামনে ধরনা