Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
DMK

তিলক নিয়ে যৌনগন্ধী মন্তব্যে হিন্দুদের অপমান! চাপে পড়ে মন্ত্রীর বিরুদ্ধে পদক্ষেপ স্ট্যালিনের

অভিযুক্তকে মন্ত্রীপদ থেকে সরানোর দাবি বিজেপির।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১১, ২০২৫, ১৬:১৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১১, ২০২৫, ১৬:১৫

options
link
তিলক নিয়ে যৌনগন্ধী মন্তব্যে হিন্দুদের অপমান! চাপে পড়ে মন্ত্রীর বিরুদ্ধে পদক্ষেপ স্ট্যালিনের zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: হিন্দু ধর্মের প্রতীক ‘তিলক’ নিয়ে ঘৃণ্য রসিকতা তামিলনাড়ুর বনমন্ত্রী তথা ডিএমকে নেতা কে পনমুদির! তাঁর মন্তব্যে বিতর্ক চরম আকার নিতেই এবার কড়া পদক্ষেপ স্ট্যালিন সরকারের। দলের অন্দরে বিরোধিতা শুরু হতেই দলের সহাসচিব পদ থেকে সরানো হল পনমুদিকে। যদিও বিজেপির দাবি, অবিলম্বে মন্ত্রিসভা থেকে বরখাস্ত করা হোক অভিযুক্তকে।

সম্প্রতি এক সভামঞ্চে মহিলাদের উপস্থিতিতে হিন্দুদের নিয়ে কুমন্তব্য করতে শোনা যায় পনমুদিকে। তিনি বলেন, ‘মহিলাদের কাছে অনুরোধ, আমি এখন যা বলব তার জন্য আমায় ভুল বুঝবেন না।” এরপরই ঘৃণ্য রসিকতা করে সভামঞ্চে মন্ত্রী বলেন, ”এক ব্যক্তি একবার এক যৌনকর্মীর কাছে যান। সেখানে ওই মহিলা তাঁকে প্রশ্ন করেন তিনি শিব নাকী বৈষ্ণব? ওই ব্যক্তি এর অর্থ বুঝতে পারেননি। এর পর যৌনকর্মী তাঁকে বুঝিয়ে বলেন, শিব অর্থাৎ শৈব তিলক। যা শোয়ানো থাকে। এবং বৈষ্ণব অর্থাৎ লম্বা তিলক, যা সোজা দাঁড় করানো থাকে। শুয়ে নাকি, দাঁড়িয়ে কীভাবে ওই যৌনকর্মীর সঙ্গে মিলন করবেন সেটাই জানতে চান ওই যৌনকর্মী।” হিন্দু ধর্মের প্রতীক তিলক নিয়ে মন্ত্রীর এহেন মন্তব্য প্রকাশ্যে আসতেই বিতর্ক চরম আকার নেয়। তামিলনাড়ুর বিজেপি নেতা আন্নামালাই, খুশবু সুন্দরের মতো শীর্ষ নেতৃত্বরা পনমুদির বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপের দাবি জানান।

Advertisement

দলের অন্দরেও বিতর্ক চরম আকার নেয়। ডিএমকে সাংসদ কানিমোঝি বলেন, এই ধরনের নোংরা রসিকতা কোনওভাবেই গ্রহনযোগ্য নয়। এই অশ্লীল মন্তব্যের তীব্র নিন্দা করছি আমি। পাশাপাশি বিজেপি নেতা তথা অভিনেত্রী খুশবু সুন্দর বলেন, উনি যে মন্তব্য করেছেন তা অত্যন্ত ঘৃণ্য। অবিলম্বে মন্ত্রিসভা থেকে বরখাস্ত করা হোক ওনাকে। ঘরে বাইরে তীব্র সমালোচনার মুখে পড়ে বিতর্কে রাশ টানতে এরপরই পদক্ষেপ করেন তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী এমকে স্ট্যালিন। বিজ্ঞপ্তি জারি করে ডিএমকের মহাসচিব পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয় তাঁকে। তবে দলীয় পদ থেকে সরানো হলেও মন্ত্রীপদে এখনও বহাল রয়েছেন ওই নেতা।

অবশ্য পানিমুদির বিতর্কিত মন্তব্য এই প্রথমবার নয়। এর আগে হিন্দিভাষীদের আক্রমণ শানিয়ে তিনি বলেছিলেন, ‘এই হিন্দিভাষীরা তামিলনাড়ুতে এসে ফুচকা বেচেন।’ ২০২৩ সালে উচ্চশিক্ষামন্ত্রীর পদে থাকাকালীন সনাতন ধর্মকে ধ্বংস করার বার্তা দেন। তিনি বলেন, ইন্ডিয়া জোট নিয়ে আমাদের মধ্যে মতভেদ থাকলেও একটি বিষয়ে আমরা এক। তা হল, সনাতন ধর্মকে শিকড় থেকে উপড়ে ফেলা।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.