Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৯ আগস্ট ২০২৬

অপারেশন থিয়েটারে পড়ে রয়েছেন রোগী, চুম্বনে মত্ত ডাক্তার-নার্স

ভাইরাল ভিডিও ঘিরে বিতর্ক তুঙ্গে৷

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১৫, ২০১৯, ১০:২৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১৫, ২০১৯, ১০:২৫

options
link
অপারেশন থিয়েটারে পড়ে রয়েছেন রোগী, চুম্বনে মত্ত ডাক্তার-নার্স zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: অপারেশন টেবিলে অচৈতন্য অবস্থায় পড়ে রয়েছে রোগী। অপারেশন থিয়েটারের দরজাও বন্ধ। কোনও কারণে তখনও এসে পোঁছাননি মূল সার্জন। সুযোগ বুঝে নার্স বা সেবিকাকে কাছে টেনে নিলেন সহকারী চিকিৎসক। চুম্বন করলেন তাঁর ঠোঁটে। গোটা ঘটনাই ভিডিও রেকর্ডিং হচ্ছিল। দু’দিন পর সেটি পৌঁছাল হাসপাতাল কর্মী ও নার্সদের একটি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ। তারপর সেখান থেকে ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ল সোশ্যাল মিডিয়ায় এবং একাধিক গ্রুপে৷ হাসপাতাল সেবিকা ও চিকিৎসকের চুম্বনের এই ভাইরাল ভিডিও ঘিরেই এখন তুঙ্গে বিতর্ক৷

[কম্পিউটার-মোবাইলে নজরদারি ইস্যুতে কেন্দ্রকে নোটিস সুপ্রিম কোর্টের ]

Advertisement

এমনই ঘটনা ঘটেছে মধ্যপ্রদেশের উজ্জয়িনীর একটি সরকারি হাসপাতালে। ভাইরাল ভিডিওটি রেকর্ড করা হয়েছে ওই হাসপাতালেরই মূল ভবনের অপারেশন থিয়েটারের অন্দরে। ভিডিওতে থাকা চিকিৎসকের নাম ডা. রাজু নিদারিয়া। সোমবারই অভিযুক্ত চিকিৎসককে পদ থেকে সরিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন উজ্জয়িনীর জেলাশাসক শশাঙ্ক মিশ্র৷ তাঁর নির্দেশ মতোই অভিযুক্তকে সরিয়ে দিয়েছেন আরসিএমএইচও ডা. এম এল মালব্য। মধ্যপ্রদেশের স্বাস্থ্যমন্ত্রী তুলসী সিলাবটও অবিলম্বে ওই চিকিৎসকের বিরুদ্ধে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। একইসঙ্গে ভিডিওয় থাকা সেবিকার বিরুদ্ধেও তদন্ত শুরু হয়েছে। জানা গিয়েছে, অভিযুক্ত সিভিল সার্জন ডা. নিদারিয়া একজন অ্যানাসথেশিয়া বিশেষজ্ঞ। অর্থাৎ অস্ত্রোপচারের আগে রোগীকে আংশিক বা সম্পূর্ণ চেতনাহীন করা তাঁর কাজ। তবে তাঁর বিরুদ্ধে আগেও সেবিকাদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ হওয়ার ও তাদের হেনস্তা করার অভিযোগ দায়ের হয়েছে৷ কিন্তু, প্রমাণের অভাবে ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হয়নি। তবে এবার হাতেনাতে ধরা পড়ায় অবিলম্বে পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে ওই চিকিৎসককে।

[মাত্র ১৫৪ টাকায় দেখতে পাবেন একশোটি বাছাই করা চ্যানেল, নয়া নির্দেশ TRI-এর]

এই ঘটনার পিছনে কোনও ভাবে ওই সেবিকার ষড়যন্ত্র রয়েছে কিনা তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা৷ কারণ, যে ভিডিওটি ভাইরাল হয়েছে, সেটি দেখেই মনে হচ্ছে, ওটি সেবিকার মোবাইলেই রেকর্ড করা হয়েছে। শুক্রবার ভিডিওটি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে শেয়ার করা হলেও রবিবারের মধ্যেই তা ভাইরাল হয়ে যায় সোশ্যাল মিডিয়ায়। পুলিশ জানিয়েছে, এখনও বেপাত্তা ওই চিকিৎসক। হাসপাতাল কর্মীরা জানিয়েছে, ছুটি নিয়ে শনিবার থেকেই হাসপাতালে আসছেন না ডা. নিদারিয়া। এমনকী তাঁর মোবাইল ফোনও বন্ধ। তদন্তকারীরাও ওই চিকিৎসকের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেননি।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.