Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ ভাদ্র ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

কাস্টিং কাউচের ফাঁদ থেকে মুক্ত নয় সংসদও, বিস্ফোরক কংগ্রেস নেত্রী রেণুকা

সরোজ খানের মন্তব্যে সংযোজন রাজনৈতিক নেত্রীর।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ২৭, ২০১৮, ১৮:১১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ২৭, ২০১৮, ১৮:১১

options
link
কাস্টিং কাউচের ফাঁদ থেকে মুক্ত নয় সংসদও, বিস্ফোরক কংগ্রেস নেত্রী রেণুকা zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: কাস্টিং কাউচ নিয়ে বেফাঁস মন্তব্য করে বিতর্ক বাড়িয়ে দিয়েছিলেন বলিপাড়ার কোরিওগ্রাফার সরোজ খান। এবার তার মাত্রা বাড়িযে দিলেন কংগ্রেস নেত্রী তথা প্রাক্তন সাংসদ রেণুকা চৌধুরি। তাঁর সাফ কথা, শুধু সিনেমা ইন্ডাস্ট্রি নয়। কাস্টিং কাউচ সর্বত্রই রয়েছে। এমনকী সংসদও এ ফাঁদ থেকে মুক্ত নয়।

[  ‘ধর্ষণ করে ফেলে দেয় না, খাবারও জোগায় বলিউড’, বিস্ফোরক মন্তব্য সরোজ খানের ]

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

কাস্টিং কাউচ নিয়ে সিনেদুনিয়ার অভিযোগ দীর্ঘদিনের। হলিউড প্রযোজক হার্ভে ওয়েনস্টাইনের কুকীর্তি ফাঁস হওয়ার পর থেকেই এ নিয়ে শোরগোল পড়ে। মুখ খোলেন বলিউডের একাধিক অভিনেত্রী। তবে সবথেকে নজরকাড়া প্রতিবাদটি করেন তেলুগু অভিনেত্রী শ্রী রেড্ডি। অর্ধনগ্ন হয়েই তিনি এই ঘটনার বিরুদ্ধে সোচ্চার হন। কাঠগড়ায় তোলেন সিনে ইন্ডাস্ট্রিকে। ইন্ডাস্ট্রির সম্ভ্রম রক্ষা করতেই আসরে নামেন বর্ষীয়ান কোরিওগ্রাফার সরোজ খান। তিনি বলেন, ইন্ডাস্ট্রিকে দোষ দিয়ে লাভ নেই। ইন্ডাস্ট্রি তো ধর্ষণ করে ফেলে দেয় না, খাবার জোগানোরও বন্দোবস্তও করে। তাঁর মতে, কুপ্রস্তাব আসতেই পারে। তবে কে কীভাবে তা গ্রহণ করবেন তা তো ব্যক্তিগত বিষয়। সরোজের মন্তব্যের পরই বিতর্ক চরমে ওঠে। শেষমেশ ক্ষমা চেয়ে নেন তিনি। তবে রেণুকার মন্তব্যে বিতর্কের জল গড়াল অন্যদিকে।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

এদিন কংগ্রেস নেত্রী বলেন, কাস্টিং কাউচ সর্বত্র রয়েছে। এমনকী সংসদও এ দোষ থেকে মুক্ত নয়। বা অন্যান্য কর্মক্ষেত্রে মহিলাদের এই পরিস্থিতিতে পড়তে হয় না তা তো নয়। নেত্রীর মতে, এবার এ নিয়ে আওয়াজ তোলার সময় হয়েছে।  ভারতীয় নারীরা যেন উঠে দাঁড়ান এবং বলেন ‘মি টু’। অর্থাৎ যৌন হেনস্তার কথা গোপন না করে তা প্রকাশ্যে এনে সোচ্চার হওয়ারই ডাক দিয়েছেন নেত্রী। তবে  রেণুকার মন্তব্য বিতর্ক আরও বাড়াল। রাজনৈতিক ক্ষেত্রেও যে একই ধরনের যৌন হেনস্তা চলে সে ইঙ্গিতই থাকল তাঁর কথায়।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.