Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৪ আষাঢ় ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ১০ জুলাই ২০২৬
Census

জনগণনায় বিপত্তি, প্রশ্ন করেও মিলছে না জবাব, ঢুকতেই দিচ্ছেন না অনেকে! দুয়ার এঁটে লুকিয়ে কারা?

তথ্য সংগ্রহের কাজটা করতে গিয়ে পদে পদে বাধার সম্মুখীন হতে হচ্ছে সমীক্ষকদের। আদৌ সময়মতো তথ্য পাওয়া যাবে তো? প্রশ্ন উঠছে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২৪, ২০২৬, ১৪:২৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২৪, ২০২৬, ১৪:২৫

options
link
জনগণনায় বিপত্তি, প্রশ্ন করেও মিলছে না জবাব, ঢুকতেই দিচ্ছেন না অনেকে! দুয়ার এঁটে লুকিয়ে কারা? zoom
জনগণনার তথ্য সংগ্রহ। ছবি AI দ্বারা নির্মিত।

ভারত সরকারের নির্দেশে দেশের বিভিন্ন রাজ্যে শুরু হয়েছে জনগণনা। কিন্তু সাইবার জালিয়াতি, ব্যক্তিগত তথ্য ফাঁস ইত্যাদি হাজারো অভিযোগের মধ্যে এই জনগণনার কাজ করতে গিয়ে চরম সমস্যায় পড়তে হচ্ছে তৃণমূল স্তরের সমীক্ষকদের। বহু জায়গায় দেখা যাচ্ছে সমীক্ষকদের সঙ্গে সহযোগিতা করছেন না আমজনতা। বিশেষ করে শহরাঞ্চলে।

এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের দাবি, রাজধানী দিল্লি ও আশেপাশের যে তথাকথিত সম্ভ্রান্ত এলাকা, সেখানে মানুষের বাড়ি বাড়ি গিয়েও তথ্য সংগ্রহ করে উঠতে পারছেন না সমীক্ষকরা। বহু বহুতলে সমীক্ষকরা বাড়ি গিয়ে কাউকে পাচ্ছেন না। আবার কোনও কোনও বাড়িতে হয়তো মানুষে রয়েছেন, তাঁরা দুয়ার এঁটে বসে। বারবার ডেকেও মিলছে না সাড়া। নাগরিকরা নিজেদের ব্যক্তিগত তথ্য শেয়ার করতে সংকোচ বোধ করছেন। বিশেষ করে আর্থিক তথ্য প্রকাশ করতে নারাজ। আরও সমস্যা হল, ওই সব সমীক্ষকদের সন্দেহের চোখে দেখা হচ্ছে। কোথাও কোথাও হেনস্তার মুখেও পড়তে হচ্ছে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

মূলত শহরের বহুতলে, চাকুরিজীবীদের মধ্যে এই প্রবণতা দেখা যাচ্ছে বলে জানাচ্ছেন সমীক্ষকরা। তুলনায় বসতি অঞ্চল বা আর্থিকভাবে পিছিয়ে থাকা এলাকায় সমীক্ষকরা অনেক বেশি সহযোগিতা পাচ্ছেন। অনায়াসে নিজেদের কাজটাও করতে পারছেন বলে খবর। কেন এই বৈপরীত্য? এর পিছনে মনস্তাত্ত্বিক কারণ রয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। অধুনা বহু সাইবার স্ক্যাম, বা আর্থিক প্রতারণার ঘটনা ঘটছে, ফলে শহুরে চাকুরিজীবীরা নিজেদের ব্যক্তিগত তথ্য অজানা কাউকে দিতে সংকোচ বোধ করছেন। আবার গ্রামাঞ্চলের দিকে তথাকথিত নিম্নবিত্ত পরিবারগুলির ধারণা, সরকারকে নিজেদের আর্থিক দুর্দশার কথা জানালে সুরাহা মিলতে পারে। সহজ করে বলতে গেলে, শহরাঞ্চলে-বহুতলে ‘অতিরিক্ত’ সচেতনতা সমীক্ষকদের সমস্যায় ফেলছে।

মোদ্দা কথা, এই কারণে তথ্য সংগ্রহের কাজটা করতে গিয়ে পদে পদে বাধার সম্মুখীন হতে হচ্ছে সমীক্ষকদের। আদৌ সময়মতো তথ্য পাওয়া যাবে তো? প্রশ্ন উঠছে। সেক্ষেত্রে অবশ্য বিকল্প হিসাবে সেলফ অ্যানুমিরেশনের ব্যবস্থা করছে সরকার। কিন্তু তাতেও কতটা কী হবে, প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.