Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Anil Ambani

ঘরছাড়া আম্বানি! একাধিক বাড়ি-সহ ৩০০০ কোটির সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত আর কম কর্তার

অনিলের বিরুদ্ধে সব মিলিয়ে ১৭ হাজার কোটি টাকার তছরুপের অভিযোগ রয়েছে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ৩, ২০২৫, ১০:৩৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ৩, ২০২৫, ১০:৩৮

options
link
ঘরছাড়া আম্বানি! একাধিক বাড়ি-সহ ৩০০০ কোটির সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত আর কম কর্তার zoom
ফাইল ছবি

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: গত মাসে অনিল আম্বানির রিলায়েন্স গ্রুপের দুটি সংস্থা ও ইয়েস ব্যাঙ্কের প্রাক্তন সিইও রানা কাপুরের বিরুদ্ধে জালিয়াতি লেনদেন সংক্রান্ত মামলায় চার্জশিট জমা হয়েছে। সেই মামলায় এবার বড় ধাক্কা অনিল আম্বানির। ৪০টি সম্পত্তি এবং ৩ হাজার ৮৪ কোটি টাকা বাজেয়াপ্ত করেছে ইডি।

রিলায়েন্স কমার্শিয়াল ফাইন্যান্স লিমিটেড (আরসিএফএল) এবং রিলায়েন্স হোম ফাইন্যান্স লিমিটেড (আরএইচএফএল) সংক্রান্ত মামলাতেই এই বাজেয়াপ্ত করার ঘটনা ঘটেছে বলে জানা গিয়েছে। ইডি আধিকারিকরা জানিয়েছেন অক্টোবর মাসের ৩১ তারিখ এই নির্দেশ দেওয়া হয়। বাজেয়াপ্ত হওয়া সম্পত্তিগুলির মধ্যে রয়েছে অনিল আম্বানির পালি হিলের বসতবাড়ি, নয়াদিল্লির রিলায়েন্স সেন্টার-সহ দিল্লি, নয়ডা, গাজিয়াবাদ, মুম্বই, পুনে থানে, হায়দরাবাদ এবং চেন্নাইয়ের সম্পত্তি।

Advertisement

২০১৭-২০১৯ সালে, আরএইচএফএল ইন্সট্রুমেন্টে ২ হাজার ৯৬৫ কোটি টাকা এবং আরসিএফএল ইন্সট্রুমেন্টে ২ হাজার ৪৫ কোটি টাকা বিনিয়োগ করে ইয়েস ব্যাঙ্ক। ২০১৯ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে, এই বিনিয়োগগুলি এনপিএ হয়ে হয়ে যায়। আরএইচএফএল-এর জন্য ১ হাজার ৩৫৩ কোটি টাকা এবং আরসিএফএল-এর জন্য ১ হাজার ৯৮৪ কোটি টাকা বকেয়া হয়। ইডি তদন্তে জানা যায়, অনিল আম্বানি গ্রুপের আর্থিক সংস্থাগুলিতে রিলায়েন্স নিপ্পন মিউচুয়াল ফান্ডের সরাসরি বিনিয়োগ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ বোর্ড অফ ইন্ডিয়া-র স্বার্থ সংঘাতের নিয়ম অনুসারে নিষিদ্ধ। অভিযোগ, অনিল আম্বানি, যিনি তখন এডিএ গ্রুপের চেয়ারম্যান ও রিলায়েন্স ক্যাপিটালের ডিরেক্টর ছিলেন, রানা কাপুরের সঙ্গে যোগসাজশে ইয়েস ব্যাঙ্কের তহবিল থেকে রিলায়েন্সের সংস্থাগুলিতে সরবরাহ করেছিলেন। যার ফলে বেসরকারি এই ঋণদাতা প্রতিষ্ঠানটি বিপুল ক্ষতির মুখে পড়ে। ২০২২ সালে ইয়েস ব্যাঙ্কের চিফ ভিজিল্যান্স অফিসারের অভিযোগের ভিত্তিতে সিবিআই দুটি ফৌজদারি মামলা দায়ের করে।

অনিল আম্বানির সংস্থা আগেই নিজেদের দেউলিয়া ঘোষণা করেছে। অনিলের বিরুদ্ধে সব মিলিয়ে ১৭ হাজার কোটি টাকার তছরুপের অভিযোগ রয়েছে। কার্যত গলা পর্যন্ত ঋণে ডুবে আর কমের প্রাক্তন কর্ণধার। সম্পত্তি বেচে পাওনাদারদের দেনা মেটানোর চেষ্টাও করেছেন তিনি। কিন্তু তাতেও সমস্যা কমছে না অনিলের। একাধিক ব্যাঙ্ক জালিয়াতির অভিযোগ এনেছে আর কম কর্তার বিরুদ্ধে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.