Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬

আরও বিপাকে তবলিঘি জামাত প্রধান মৌলানা সাদ, একাধিক স্থানে অভিযান ED’র

জামাতের প্রায় ২ হাজার বিদেশি সদস্যকে কালো তালিকাভুক্ত করা হয় ভারতে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১৯, ২০২০, ১৬:৫৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১৯, ২০২০, ১৬:৫৯

options
link
আরও বিপাকে তবলিঘি জামাত প্রধান মৌলানা সাদ, একাধিক স্থানে অভিযান ED’র zoom
ফাইল ফটো

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: আরও বিপাকে তবলিঘি জামাত প্রধান মৌলানা সাদ কান্দালভি। তাঁর বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া একটি আর্থিক দুর্নীতির মামলায় বুধবার একাধিক স্থানে অভিযান চালায় এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ED)।

[আরও পড়ুন: দলিত হওয়ার ‘সাজা’! সরকারি স্কুলে তেরঙ্গা উত্তোলন করতে দেওয়া হল না পঞ্চায়েত প্রধানকে]

জানা গিয়েছে, এদিন মুম্বই, দিল্লি ও হায়দরাবাদ-সহ বেশ কয়েকটি জায়গায় তবলিঘি জামাতের দপ্তরে প্রমাণ সংগ্রহের জন্য Prevention of Money Laundering Act বা PMLA আইনের আওতায় অভিযান চালান ED’র তদন্তকারীরা। দিল্লি পুলিশের দায়ের করা মামলার উপর ভিত্তি করে গত এপ্রিল মাসে মৌলানা সাদের বিরুদ্ধে টাকা পাচারের অভিযোগে তদন্ত শুরু করে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাটি। উল্লেখ্য, করোনা আবহে সরকারি নির্দেশ অমান্য করে দিল্লির নিজামুদ্দিনে ধর্মীয় সমাবেশের অভিযোগে গত ৩১ মার্চ মৌলানা সাদ-সহ সাতজনের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করে দিল্লি পুলিশ। তারপর সেই মামলা নিজের হাতে তুলে নেয় ED। তবলিঘি জামাতের আয়ের উৎস ও টাকা পাচার-সহ আর্থিক দুর্নীতির মামলায় তদন্ত শুরু করে সংস্থাটি।

Advertisement

উল্লেখ্য, মার্চ মাসে দিল্লিতে জামাতের ডাকা ধর্মীয় সমাবেশে অংশ নিতে ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, বাংলাদেশ, থাইল্যান্ড-সহ বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে সদস্যরা ভারতে আসেন। জামাতের পরও তাদের সকলকে একটি বাড়িতে রাখা হয়। সেই সময়ই দেশে ক্রমেই বাড়তে থাকে করোনার সমংক্রমণ। কয়েক দিনের মধ্যেই ভারতে সংক্রমণের মাত্রা হু হু করে বেড়ে যায়। ফলে আতঙ্ক দেখা দেয় সকলের মনে। আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ার সঙ্গে জামাত নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। তখন অবশ্য দিল্লি প্রশাসন নিজের সমস্ত দায় ঝেড়ে জমায়েতে অনুমতি দেওয়ার কথা অস্বীকার করে। তাদের না জানিয়েই জমায়েত করা হয়েছিল বলে জানায় তারা। তারপরই কেন্দ্রের তরফ থেকে কড়া পদক্ষেপ নেওয়া হয়। জামাতের প্রায় ২ হাজার বিদেশি সদস্যকে কালো তালিকাভুক্ত (blacklist ) করা হয় ভারতে। আগামী ১০ বছর এই নিষেধাজ্ঞা জারি থাকবে।

[আরও পড়ুন: আহত ISIS জঙ্গিদের চিকিৎসার জন্য অ্যাপ তৈরি, বেঙ্গালুরু থেকে গ্রেপ্তার ‘জেহাদি’ ডাক্তার]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.