Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬

প্রাক্তন রেলমন্ত্রীকে নোংরা জল, ফের বিতর্কে ভারতীয় রেল

রেলের ভূমিকায় বেজায় ক্ষুব্ধ ব্যারাকপুরের সাংসদ।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ২, ২০১৭, ১১:২৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ২, ২০১৭, ১১:২৭

options
link
প্রাক্তন রেলমন্ত্রীকে নোংরা জল, ফের বিতর্কে ভারতীয় রেল zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: রেলের খাবারে টিকটিকি বা পোকা পাওয়ার ঘটনা যেন গা সওয়া হয়ে গিয়েছে। পানীয় জল এবং লেমন জ্যুসের প্যাকেটের সিল খুলে এক যাত্রী দেখলেন প্রচন্ড নোংরা। যাত্রীটি সাধারণ কেউ নন। ট্রেনটিও হেলাফেলার নয়। শতাব্দী এক্সপ্রেসে এমনই তিক্ত অভিজ্ঞতার মুখে পড়লেন প্রাক্তন রেলমন্ত্রী দীনেশ ত্রিবেদী। এই ঘটনায় বেজায় ক্ষুব্ধ তিনি। তাঁর প্রশ্ন, একজন প্রাক্তন রেলমন্ত্রীর ক্ষেত্রে এমন ঘটলে সাধারণ যাত্রীরা আর কী পরিষেবা পাবেন?

[লাস ভেগাসে ক্যাসিনোয় বন্দুকবাজের হামলা, মৃত্যুমিছিল]

Advertisement

বিজয়া দশমীর দিন ব্যারাকপুরের তৃণমূল সাংসদ বিলাসবহুল ট্রেনে দিল্লি যাচ্ছিলেন। তখনই ট্রেনে এমন নিম্নমানের পানীয় পান। দীনেশ ত্রিবেদীর দাবি, তিনি লেবু জলের প্যাকেট খোলার পর অজস্র নোংরা দেখতে পান। এমনকী পানীয় জলও ছিল অপরিচ্ছন্ন। একে কীভাবে জল বলা যায় তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন প্রাক্তন রেলমন্ত্রী। তাঁর বক্তব্য, ভাড়া অনেকটা বাড়ানো হলেও পরিষেবা রয়েছে সেই তিমিরে। অবস্থা এতটাই খারাপ যে  পানীয় জল পর্যন্ত ঠিকমতো মেলে না। এই নিয়ে কেন্দ্রের বিজেপিশাসিত সরকারের বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষকে পথে নামার ডাক তিনি দিয়েছেন। যে সংস্থা এধরনের পানীয় জোগান দেয় সেই ফ্রেসকার সঙ্গে সরকারের চুক্তি বাতিলের দাবি জানিয়েছেন দীনশে ত্রিবেদী। যেসব সংস্থা খাবার বা পানীয় সরবরাহ করে তাদের ঠিকমতো নজরদারি না করার জন্য এমন পরিস্থিতি বলে প্রাক্তন রেলমন্ত্রী অভিযোগ করেছেন।

[এসি কামরায় যাত্রীদের আর কম্বল দেবে না রেল!]

এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমে এই খবর সম্প্রচার করার পর টনক নড়ে ভারতীয় রেলের। টুইট করে রেলের তরফে জানানো হয় এক ক্যাটারিং সুপারভাইজার বিষয়টি নিয়ে দীনেশ ত্রিবেদীর সঙ্গে কথা বলেন। অভিযোগের ভিত্তিতে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কয়েক মাস আগে ক্যাগের রিপোর্ট বলেছিল রেলের খাবার অখাদ্য। এমনকী রেলের দেওয়া কম্বল, চাদর, বালিশের মান নিয়েও প্রশ্ন তুলেছিল ক্যাগ। বিশষেজ্ঞরা বলছেন শতাব্দী এক্সপ্রেসে দীনেশ ত্রিবেদীর এই অবস্থা বুঝিয়ে দিল ক্যাগ যতই হুঁশিয়ারি দিক, রেলের হুঁশ এতটুকু ফেরেনি।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.