Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Trains

নাক ডেকে ঘুমোচ্ছেন নেশায় বুঁদ সহকারী স্টেশন মাস্টার, দু’ঘণ্টা দাঁড়িয়ে একাধিক Train

অভিযুক্তকে সাসপেন্ড করেছে রেল।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১৮, ২০২১, ১৭:২১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১৮, ২০২১, ১৭:২১

options
link
নাক ডেকে ঘুমোচ্ছেন নেশায় বুঁদ সহকারী স্টেশন মাস্টার, দু’ঘণ্টা দাঁড়িয়ে একাধিক Train zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: রাত ১২টা থেকে সকাল ৮টা পর্যন্ত স্টেশন ডিউটি ছিল তাঁর। কাজ যতই থাক, তা বলে কি নেশা করবেন না? তা আবার হয় নাকি? তাই কাজে আসার আগেই গলা ভিজিয়েছিলেন রঙিন জলে। স্বাভাবিকভাবেই কাজে বসতেই চোখে জড়িয়ে আসে ঘুম। সেই ঘুম যখন ভাঙল ততক্ষণ হাওড়া-দিল্লি রুটে একের পর এক ট্রেন দাঁড়িয়ে পড়েছে। আটকে পড়েছে মালগাড়িও। রেলের উপরতলার কর্তাদের নাজেহাল দশা। যিনি এমন কাণ্ড ঘটিয়েছেন তিনি উত্তরপ্রদেশের (UP) এক সহকারী স্টেশন মাস্টার। মদ্যপান করে তাঁর নাক ডেকে ঘুমানোর জেরে প্রায় দেড় ঘণ্টা দিল্লি–হাওড়া রুটে ট্রেন চলাচল বন্ধ ছিল বলে অভিযোগ। আর এই অভিযোগ প্রমাণিত হলে সাধের সরকারি চাকরিটাও হারাতে হতে পারে তাঁকে।

গত বুধবারের ঘটনা। অভিযোগ, রাত ১২টার পর থেকে প্রায় দেড়টা পর্যন্ত দিল্লি–হাওড়া রুটের ট্রেন চলাচল স্তব্ধ ছিল। সবুজ সংকেত দেখতে না পেয়ে বিভিন্ন স্টেশনে দাঁড়িয়ে পড়ে বৈশালী এক্সপ্রেস, সঙ্গম এক্সপ্রেস, ফরাক্কা এবং মগধ এক্সপ্রেসের মতো গুরুত্বপূর্ণ ট্রেন। কিন্তু কেন এমনটা ঘটল? দিল্লি-হাওড়া রুটের গুরুত্বপূর্ণ স্টেশন উত্তরপ্রদেশের কঞ্চৌসি। বুধবার রাতে সেই স্টেশনের দায়িত্বে ছিলেন সহকারী স্টেশন মাস্টার অনিরুদ্ধ কুমার। কিন্তু ডিউটিতে যোগ দেওয়ার আগেই নেশায় বুঁদ তিনি। স্টেশনে এসে কাজে যোগ দিয়েই লম্বা ঘুম দেন তিনি। যার জেরে দেশের অন্যতম ব্যস্ত রেল রুট কার্যত স্তব্ধ হয়ে যায়।

Advertisement

[আরও পড়ুন: জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদ, সাইকেলে সংসদে পৌঁছবেন TMC সাংসদরা]

রেল সূত্রে খবর, বহুক্ষণ স্টেশনে ট্রেন দাঁড়িয়ে ছিল। খবর যায় কন্ট্রোল রুমে। পরিস্থিতি বেগতিক বুঝতে পেরে স্টেশনে ছুটে আসেন রেলের উচ্চপদস্থ কর্তারা। আর অনিরুদ্ধের কেবিনে এসে চোখ কপালে ওঠে তাঁদের। স্টেশনে সার দিয়ে দাঁড়িয়ে ট্রেন। আর নিজের কেবিনে নাক ডেকে ঘুমোচ্ছেন অনিরুদ্ধ। শেষে স্টেশন মাস্টার বিশ্বম্ভর দয়াল চোখে মুখে জলের ছিঁটে দিয়ে ঘুম থেকে তোলেন তাঁকে। রাত দুটো নাগাদ স্বাভাবিক হয় ওই রুটের ট্রেন চলাচল। এদিকে ইতিমধ্যে অনিরুদ্ধের বিরুদ্ধে তৈরি হয়েছে চার্জশিট। তিনি মদ্যপ ছিলেন বলে অভিযোগও জমা পড়েছে। সাসপেন্ড করা হয়েছে তাঁকে। ডিউটির সময় মদ্যপ ছিলেন প্রমাণিত হলে চাকরি খোয়াতে হতে পারে তাঁকে।

[আরও পড়ুন: গুজরাটে Mamata, এবার মোদির গড়েও শোনা যাবে ‘দিদি’র ২১ জুলাইয়ের বার্তা]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.