Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৯ আগস্ট ২০২৬
শিব সেনা

মহারাষ্ট্রের পরের মুখ্যমন্ত্রী হবেন শিব সেনার, ‘সামনা’র ঘোষণায় উদ্বেগে বিজেপি

মমতাও প্রাদেশিকতার রাজনীতি করছেন, কটাক্ষ শিব সেনার।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১৯, ২০১৯, ১৭:১৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১৯, ২০১৯, ১৭:১৮

options
link
মহারাষ্ট্রের পরের মুখ্যমন্ত্রী হবেন শিব সেনার, ‘সামনা’র ঘোষণায় উদ্বেগে বিজেপি zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: তাঁদের দল থেকেই নির্বাচিত হবে মহারাষ্ট্রের পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী৷ দলীয় মুখপাত্র ‘সামনা’তে এমনই ঘোষণা করল বিজেপির শরিক দল শিব সেনা৷ আত্মবিশ্বাসের সুরে তাঁরা জানালেন, আসন্ন নির্বাচনেও মহারাষ্ট্র বিধানসভায় গেরুয়া রঙ উড়বে৷ এবং তাঁদের দাপট বজায় থাকবে৷ তবে বিজেপিকে সঙ্গে নিয়ে শিব সেনা বিধানসভা নির্বাচন লড়বে কিনা, সেই বিষয়ে স্পষ্ট করে কোনও বার্তা দেয়নি  উদ্ধব ঠাকরের দল৷যদিও, বিজেপি-শিব সেনা জোট এখনও অটুট রয়েছে।

[ আরও পড়ুন: হাজিরা এড়ালে গ্রেপ্তার, আদালতের নির্দেশে বিপাকে জেহাদি জাকির ]

Advertisement

এমনকী, পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রসঙ্গও ‘সামনা’র সম্পাদকীতে উল্লেখ করেছে শিব সেনা৷ তৃণমূল নেত্রীর বিষয়ে সেখানে লেখা হয়েছে, ‘‘শিব সেনার নীতি মেনেই পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রীও ভূমিপুত্রদের অগ্রাধিকার দেওয়ার বিষয়টি নিয়ে লড়াই শুরু করেছেন৷ একই লড়াই চালাচ্ছে দক্ষিণেরও কয়েকটি রাজনৈতিক দল৷ তাঁরাও প্রদেশিকতাকে হাতিয়ার করে লড়াই করছে৷’’ কর্মীদের উজ্জীবিত হওয়ার বার্তা দিয়ে শিব সেনার মুখপত্রে লেখা হয়েছে, মহারাষ্ট্র শিব সেনাকে পোক্ত করে, দিল্লি পর্যন্ত পৌঁছাতে হবে৷

[ আরও পড়ুন: ‘আপনি নিরপেক্ষ হোন’, লোকসভায় প্রথম বক্তৃতাতেই স্পিকারকে সংহতির বার্তা অধীরের ]

উল্লেখ্য, কয়েকদিন আগেও উদ্ধব ঠাকরের নেতৃত্বাধীন শিব সেনার মুখপত্রে বাংলার ঘুমন্ত হিন্দুদের জাগিয়ে তোলার জন্য তৃণমূলনেত্রীকেই কৃতিত্ব দেওয়া হয়েছে। কটাক্ষ করে বলা হয়েছে, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্যই আজ অশান্ত হয়ে উঠেছে পশ্চিমবঙ্গের পরিস্থিতি। ক্রমশ কমছে তাঁর জনপ্রিয়তা। আর এর জন্য দায়ী উনি নিজেই। ওনার জন্যই জেগে উঠেছেন বাংলার ঘুমিয়ে থাকা হিন্দুরা। বলা হয়েছে, বাংলাকে গুজরাট বানাতে দেব না বলে উনি কী বোঝাতে চেয়েছেন? বাংলা তো গুজরাট হয়েই গিয়েছে। আগামিকাল ভগবান রাম যদি রেগে যান তাহলে হয়তো অযোধ্যা বা বারাণসীতে পরিণত হবে। ‘জয় শ্রীরাম’ শ্লোগান নিয়ে এরাজ্যে যে বিতর্ক তৈরি হয়েছে তার জন্যও দলীয় মুখপত্রে তৃণমূল সুপ্রিমোর প্রবল সমালোচনা করে শিব সেনা। মুখ্যমন্ত্রীর জন্যই পশ্চিমবঙ্গে ‘জয় শ্রীরাম’ স্লোগান দেওয়া অপরাধ হিসেবে দেখা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করে। বলে, জয় শ্রীরাম-এর পরিবর্তে জয় হিন্দ পোস্টার মারছে তৃণমূল। আসলে অস্বস্তিতে থেকেই এই কাণ্ড ঘটাচ্ছে তারা।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.