জাল টাকার কারবারি, নকল আয়ুর্বেদিক ওষুধ বিক্রি, তোলাবাজি, নাবালিকাকে অর্ধনগ্ন করে ভিডিওর মতো চাঞ্চল্যকর অভিযোগ গুজরাটের (Gujrat) সুরাট জেলার এক স্বঘোষিত ধর্মগুরুর বিরুদ্ধে। রীতিমতো শিষ্য-শিষ্যা নিয়ে বড়সড় আশ্রম খুলে বসেছিলেন অভিযুক্ত প্রদীপ জটাঙ্গিয়া। যিনি এলাকায় প্রদীপ গুরুজি নামেই পরিচিত। গত সপ্তাহে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, সুরাট জেলার কামরেজ তালুকের ধোরান পর্দি গ্রামের রয়েছে প্রদীপ গুরুজির ‘শ্রী সত্য যোগ ফাউন্ডেশন’। অভিযোগ, এই আশ্রমই ছিল নানাবিধ অবৈধ কাজের ঘাঁটি। এখান থেকেই সম্প্রতি পাঁচশো টাকার ৪০ হাজার জাল নোট বাজেয়াপ্ত করে প্রশাসন। তদন্তকারীদের দাবি, ধর্মীয় বিশ্বাস ও অলৌকিক আয়ুর্বেদিক ঔষেধের নামে মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করতেন প্রদীপ গুরুজি। তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ, সন্তানহীনা দম্পতিদের সাহায্যের অজুহাতে বিপুল পরিমাণ অর্থ আদায় করতেন, নকল ওষুধের ব্যবসার পাশাপাশি আপত্তিকর ভিডিও ফাঁস করা, হুমকি দিয়ে অর্থ আদায়েরও অভিযোগ উঠেছে।
পুলিশে বক্তব্য, কুকর্ম যাতে প্রকাশ্যে না আসে তার জন্য উঁচু পাঁচিল দিয়ে ঘেরা ছিল আশ্রমটি। ধর্মগুরুর অনুমতি ছাড়া কেউ ভিতরে প্রবেশ করতে পারতেন না। তদন্তে জানা গিয়েছে, স্বঘোষিত গুরু সন্তানহীনা তরুণীদের গর্ভধারণের জন্য ১৫-১৮ হাজার টাকা করে নিতেন। ‘অলৌকিক আয়ুর্বেদিক ওষুধের’ প্রতিশ্রুতি দিয়ে তাঁদের প্রলুব্ধ করতেন। যদিও বাস্তবে তাঁদের নকল ও নিম্নমানের ওষুধ দিতেন। প্রসবপূর্ব আধ্যাত্মিক আচারের অজুহাতে বিশেষ শিবির আয়োজন করে মানুষকে বোকা বানাতেন বলেও অভিযোগ।
আরও পড়ুন:
এই সমস্ত অভিযোগের মধ্যেই সম্প্রতি ভণ্ড গুরুর আরেক কীর্তি সামনে আসে। যখন ‘সুষুম্না নাড়ি’ বিষয়ক জ্ঞান প্রদানের অজুহাতে যোগগুরুর নির্দেশে প্রকাশ্যে একজন নাবালিকাকে অর্ধনগ্ন করা হয়। অভিযোগ, আশ্রমের ভিতরেই চলে এই কুকীর্তি।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
সভাপতি পদে দায়িত্ব নিয়েই মহামেডানকে ঋণমুক্ত করার আশ্বাস হুমায়ুনের, বার্তা ‘রাজনীতি’ নিয়েও
-
আগামী সপ্তাহেই সংসদে ‘অপারেশন লোটাস’! মমতার নির্দেশে হঠাৎ দিল্লিতে অভিষেক
-
‘ওয়াকা ওয়াকা’র নস্ট্যালজিয়া উসকে ফিরছে শাকিরা ম্যাজিক, কোন গানে ‘ফিফা’র মঞ্চ মাতাবেন নোরা?
-
‘ভাইকিং’ পোশাকে ফোটোশুট হালান্ডদের, বিশ্বকাপের আগে বিপাকে নরওয়ে
-
কারা পাবেন আবাসের বাড়ি? সুবিধাভোগী যাচাইয়ে ত্রিস্তরীয় ব্যবস্থা, রয়েছে ‘সেলফ সার্ভে’র সুবিধাও