Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
Uttar Pradesh

এক কার্ডেই কেল্লাফতে, যোগীরাজ্যে সরকারি পরিষেবার চাবিকাঠি এখন ‘ফ্যামিলি আইডি’

যোগীরাজ্যে জনকল্যাণের খতিয়ানে নয়া নজির।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৪, ২০২৬, ১৭:০৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৪, ২০২৬, ১৭:০৪

options
link
এক কার্ডেই কেল্লাফতে, যোগীরাজ্যে সরকারি পরিষেবার চাবিকাঠি এখন ‘ফ্যামিলি আইডি’ zoom

হেমন্ত মৈথিল, লখনউ: উত্তরপ্রদেশের সাধারণ মানুষের দুয়ারে সরকারি পরিষেবা পৌঁছে দিতে এক অভিনব বিপ্লব ঘটিয়েছে যোগী আদিত্যনাথ সরকার। প্রশাসনের লক্ষ্য একটাই, সমাজের শেষ সারিতে দাঁড়িয়ে থাকা মানুষটিও যেন কোনও ভাবেই সরকারি সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত না হন। এই উদ্দেশ্যেই অত্যন্ত তৎপরতার সঙ্গে রাজ্যজুড়ে চালু করা হয়েছে ‘ফ্যামিলি আইডি’ বা ‘এক পরিবার এক পরিচয়’ প্রকল্প। এর মাধ্যমে ডিরেক্ট বেনিফিট ট্রান্সফার বা ডিবিটি ব্যবস্থার সঙ্গে জনকল্যাণমূলক প্রকল্পগুলিকে যুক্ত করে প্রতিটি যোগ্য পরিবারের কাছে একশো শতাংশ পরিষেবা পৌঁছে দিচ্ছে প্রশাসন। বর্তমানে কেন্দ্রীয় ও রাজ্য সরকারের মোট ৯৮টি প্রকল্পকে এই একটি ব্যবস্থার অধীনে আনা হয়েছে, যার সুফল সরাসরি ভোগ করছেন উত্তরপ্রদেশের ১৫ কোটিরও বেশি মানুষ।

এই ১২ সংখ্যার অনন্য পরিচয়পত্রটি আসলে একটি পরিবারের সামগ্রিক তথ্যের ভাণ্ডার। প্রশাসনের দাবি, এই ডিজিটাল ব্যবস্থার ফলে সরকারি কাজে স্বচ্ছতা যেমন বেড়েছে, তেমনই কমেছে জালিয়াতি বা একই ব্যক্তির একাধিকবার সুবিধা নেওয়ার প্রবণতা। ফ্যামিলি আইডি পোর্টালে ইতিমধ্যে ৪৪ লক্ষের বেশি মানুষ আবেদন জানিয়েছেন। শহরের ক্ষেত্রে লেখপাল এবং গ্রামের ক্ষেত্রে গ্রাম পঞ্চায়েত অফিসাররা এই নথি তৈরির কাজে সাধারণ মানুষকে সাহায্য করছেন। এর সবথেকে বড় সুবিধা হল, একবার পরিবারের নাম নথিভুক্ত হয়ে গেলে সাধারণ মানুষকে আর বারবার আয়, জাতি বা বাসস্থানের শংসাপত্রের জন্য সরকারি অফিসে দৌড়ঝাঁপ করতে হবে না। সমস্ত তথ্য কেন্দ্রীয় ডেটাবেসে মজুত থাকায় প্রশাসনিক জটিলতা অনেকটাই কমেছে।

Advertisement

মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের ডিজিটাল ও দায়বদ্ধ শাসনের এই মডেল ইতিমধ্যেই সাড়া ফেলেছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, যাঁদের কাছে রেশন কার্ড নেই, তাঁরাও যাতে সরকারি প্রকল্পের বাইরে না থাকেন, তার জন্য বিশেষ রেজিস্ট্রেশনের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। আধার নম্বরের সঙ্গে মোবাইল নম্বর যুক্ত থাকলেই ওটিপি ভেরিফিকেশনের মাধ্যমে যে কেউ এই পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত হতে পারছেন। এমনকী সাধারণ মানুষের সুবিধার জন্য এই কার্ড এখন ‘ডিজিলকার’-এও মজুত রাখা হচ্ছে। প্রায় ১৯ লক্ষ কার্ড ইতিমধেই বিলি করা হয়েছে। প্রতিটি কার্ড পিছু সরকারের প্রায় আট টাকা খরচ হলেও জনগণের জন্য এটি সম্পূর্ণ বিনামূল্যে পাওয়া যাচ্ছে। কৃষক, শ্রমিক থেকে শুরু করে প্রবীণ নাগরিক— প্রত্যেকের কাছে ন্যায্য অধিকার পৌঁছে দেওয়াই এখন যোগী সরকারের মূল লক্ষ্য।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.