২ আশ্বিন  ১৪২৭  সোমবার ২১ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

কোয়ারেন্টাইনে দায়িত্বে থাকা চিকিৎসক! করোনা পরীক্ষা হতে পারে লালুপ্রসাদ যাদবের

Published by: Subhajit Mandal |    Posted: April 29, 2020 10:17 am|    Updated: April 29, 2020 10:17 am

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: এবার করোনা পরীক্ষা করা হতে পারে আরজেডি সুপ্রিমো তথা বিহারের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী লালুপ্রসাদ যাদবের ( Lalu Prasad Yadav)। পশুখাদ্য কেলেঙ্কারিতে দোষী সাব্যস্ত হয়ে ১৪ বছরের কারাদণ্ডের সাজা ভোগ করছেন প্রাক্তন রেলমন্ত্রী। ২০১৭ সালের শেষদিক থেকে রাঁচি সেন্ট্রাল জেলেই আছেন তিনি। তবে মাঝে মধ্যেই শারীরিক অসুস্থতার জন্য হাসপাতালে ভরতি হতে হয় লালুকে (Lalu Prasad Yadav)। আপাতত তিনি ভরতি রাঁচির রাজেন্দ্র ইনস্টিটিউট অফ মেডিক্যাল সায়েন্সে (Rajendra Institute of Medical Sciences)।

Lalu-Hemant-Soren

এই হাসপাতালে লালুর চিকিৎসার দায়িত্বে আছেন ডাঃ উমেশ প্রসাদ। এই চিকিৎসকের তত্বাবধানে থাকা অন্য আরেক রোগী সদ্য করোনা সংক্রমিত হয়েছেন। ওই ৬৫ বছরের বৃদ্ধ আবার গত ১৫ দিন ধরে রাঁচির রাজেন্দ্র ইনস্টিটিউট অফ মেডিক্যাল সায়েন্সেই চিকিৎসারত। এই পরিস্থিতিতে ওই হাসপাতালের সমস্ত স্টাফ এবং চিকিৎসকদের নমুনা পরীক্ষা করা হচ্ছে। লালুর চিকিৎসক ডাঃ উমেশ প্রসাদ-সহ হাসপাতালের একাধিক চিকিৎসককে কোয়ারেন্টাইনে পাঠানো হচ্ছে। প্রয়োজনে লালুপ্রসাদেরও নমুনা পরীক্ষা করা হতে পারে বলে জানিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। যদিও ঝাড়খণ্ডের স্বাস্থ্যমন্ত্রী বন্না গুপ্ত জানিয়েছেন, লালু পুরোপুরি নিরাপদ এবং তাঁর করোনা সংক্রমণের কোনও সম্ভাবনাই নেই। তা সত্বেও সুযোগ বুঝে লালুকে জেল থেকে বের করার দাবিতে সরব হয়েছে তাঁর দল আরজেডি। এই পরিস্থিতিতে লালুপ্রসাদের মতো ভিআইপিকে হাসপাতালে রাখা ঠিক নয়, এই দাবি তুলে তাঁকে প্যারোলে মুক্তি দেওয়ার দাবি তুলছেন তেজস্বী যাদবরা। ঝাড়খণ্ড সরকারও বিহারের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীকে প্যারোলে মুক্তি দেওয়ার কথা ভাবছে। লালুকে কীভাবে মুক্তি দেওয়া যায় তা নিয়ে রাজ্যের অ্যাডভোকেট জেনারেলের পরামর্শও চেয়েছেন ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী।

[আরও পড়ুন: ঋণ মকুব না হলে কমল নাথ ও রাহুল গান্ধীর বিরুদ্ধে মামলা করুন, কৃষকদের পরামর্শ বিজপির]

সামনেই বিহারের নির্বাচন। আর সেই নির্বাচনের গতিপ্রকৃতি কী হবে তার অনেকটাই নির্ভর করবে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী লালুপ্রসাদ যাদবের উপস্থিতির উপর। লালু যদি জেল থেকে ছাড়া পান, তাহলে তাঁর দল আরজেডির নেতৃত্বাধীন মহাজোট বিজেপি-জেডিইউ-এলজেপি জোটকে কড়া টক্কর দিতে পারে। আর লালু যদি মুক্তি না পান তাহলে হয়তো যোগ্য নেতৃত্বের অভাবেই শাসক শিবিরকে চ্যালেঞ্জ জানাতে পারবে না বিরোধীরা। অন্তত বিহারের স্থানীয় রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা এমনটাই মনে করছেন। সেজন্যই করোনা সংক্রমণের আশঙ্কাকে হাতিয়ার করে লালুকে ছাড়ানোর চেষ্টা করছে তাঁর দল, এমনটাই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement