২৮ আশ্বিন  ১৪২৭  মঙ্গলবার ২০ অক্টোবর ২০২০ 

Advertisement

বিরোধীশূন্য রাজ্যসভায় পাশ তৃতীয় কৃষি বিলও, ‘অত্যাবশ্যকীয় পণ্য’ থেকে বাদ চাল-আলু-তেল

Published by: Subhajit Mandal |    Posted: September 22, 2020 1:33 pm|    Updated: September 22, 2020 2:08 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: কার্যত বিরোধীশূন্য রাজ্যসভায় পাশ হয়ে গেল অত্যাবশ্যকীয় পণ্য আইনের সংশোধনী বিল (Essential commodities Amendment law)। গত ১৫ সেপ্টেম্বর লোকসভায় বিলটি পেশ করা হয়েছিল। লোকসভার বাধা সহজেই উতরে যাওয়ার পর আজ বিলটি পেশ করা হয় সংসদের উচ্চকক্ষে। সেখানেও বিলটি পাশ হল বিনা বাধায়। কারণ, আটজন বিরোধী সাংসদকে সাসপেন্ড করার প্রতিবাদে রাজ্যসভার অধিবেশন বয়কট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিরোধী শিবির। এবার রাষ্ট্রপতি সই করলেই সাড়ে ছ’দশক পুরনো অত্যাবশ্যকীয় পণ্য আইনটি সংশোধিত হবে।

এই বিল (Farm Bill 2020) পাশ হওয়ার ফলে, অত্যাবশ্যকীয় পণ্যের ধারণাটাই একপ্রকার পালটে গেল। এখন থেকে চাল, আলু, পিঁয়াজ, ভোজ্য তেল, ডালের মতো বেশ কয়েকটি দৈনন্দিন খাদ্যসামগ্রী আর অত্যাবশ্যকীয় পণ্য হিসেবে গণ্য হবে না। এর ফলে এই পণ্যগুলি এবার থেকে ইচ্ছেমতো মজুত রাখতে পারবে ব্যবসায়ীরা। মজুত রাখার পাশাপাশি ইচ্ছেমতো দামে এগুলি বিক্রি করা যাবে, এক এলাকা থেকে কিনে অন্য এলাকায় নিয়ে বিক্রিতে কোনও বাধা থাকবে না। এক কথায় এই নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যগুলির কেনাবেচা এবং মজুতদারির উপর এতদিন যে সরকারি নিয়ন্ত্রণ ছিল তা পুরোপুরি উঠে যাচ্ছে। তবে, কোনও জরুরি অবস্থা বা যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে সরকার চাইলে এই পণ্যগুলির মজুতদারির উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করতে পারবে। অত্যধিক হারে মূল্যবৃদ্ধি সেটাও নিয়ন্ত্রণ করতে পারবে।

[আরও পড়ুন: বিরোধীদের চা খাইয়ে নিজে অনশনে রাজ্যসভার ডেপুটি চেয়ারম্যান, ‘বিহার তাস’ খেললেন মোদি]

সরকারের দাবি, এর ফলে এই নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের বাজার খুলে যাবে। কর্পোরেট থেকে শুরু করে ছোট ব্যবসায়ীরাও এই কৃষিপণ্যগুলিতে বিনিয়োগ করতে পিছপা হবে না। কর্পোরেটদের আগমন ঘটায় কৃষকরা নিজেদের পণ্যের জন্য আরও বেশি দাম পাবেন। যদিও, বিরোধী শিবির বলছে অন্য কথা। তাঁদের আশঙ্কা, এই বিলটি পাশ হয়ে যাওয়ার ফলে এই নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যগুলির বাজার পুরোপুরি কর্পোরেট নিয়ন্ত্রণে চলে যাবে। তাঁরা ইচ্ছেমতো কম দামে কৃষিপণ্য কিনবে এবং মজুত করে রেখে বাজারে কৃত্রিম সংকটের পরিস্থিতি সৃষ্টি করে সেই পণ্যই পরে আকাশছোঁয়া দামে আম আদমির কাছে বেচবে। এর ফলে কৃষকরা তো ক্ষতিগ্রস্ত হবেনই, মধ্যবিত্তের পকেটেও টান পড়বে।

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement