Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Farm Bill 2020 Bengali News

কৃষি বিল নিয়ে ভোটাভুটি হল না কেন? বিরোধীদের দুষে ব্যাখ্যা দিলেন রাজ্যসভার ডেপুটি চেয়ারম্যান

রুলবুক ছেঁড়ার অভিযোগে ফের সরব হরিবংশ।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ১, ২০২০, ১৪:২০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ১, ২০২০, ১৪:২০

options
link
কৃষি বিল নিয়ে ভোটাভুটি হল না কেন? বিরোধীদের দুষে ব্যাখ্যা দিলেন রাজ্যসভার ডেপুটি চেয়ারম্যান zoom
ফাইল ছবি

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: কৃষি বিল আইনে পরিণত হয়েছে রবিবার। তারপরেও সেই আইন নিয়ে বিতর্ক যেন থামতেই চাইছে না। রবিবারই রাজ্যসভার একটি ভিডিও ফুটেজ সামনে আসে, তারসঙ্গে সরকারের বয়ানের বড় তফাত ধরা পড়ে। এরপরই তড়িঘড়ি বিবৃতি জারি করে অভিযোগ ওড়ালেন রাজ্যসভর ডেপুটি চেয়ারম্যান হরিবংশ। লিখিত বিবৃতিতে দাবি করলেন, বিরোধী সাংসদদের হই-হট্টগোলের জন্যই ভোটাভুটি করা যায়নি।

গত ২০ সেপ্টেম্বর সংসদের উচ্চকক্ষ অর্থাৎ রাজ্যসভায় জোড়া কৃষি বিল পেশ করে শাসক শিবির। সেই সময় আদতে সেখানে কী ঘটেছে, তা নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। কারণ, হই হট্টগোলের জেরে বেশকিছুক্ষণ রাজ্যসভা টিভি বন্ধ রাখা হয়েছিল। গোটা ঘটনায় বিরোধীদের ঘাড়ে সমস্ত দোষ চাপিয়েছে সরকার। কিন্তু সেই দাবির সঙ্গে ফারাক পেয়েছিল একটি সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম। এমন পরিস্থিতিতে বিবৃতি দিয়ে নিজের যুক্তি তুলে ধরেন রাজ্যসভার ডেপুটি চেয়ারম্যান। হরিবংশের কথায়, “বিলটি সিলেক্ট কমিটিতে পাঠানোর জন্য সেদিন ১টা ১০ মিনিটে ভোটাভুটির দাবি জানান ত্রিচি শিবা। ওই ভিডিওয় দেখতে পাবেন, ১টা ৯ মিনিট নাগাদ, একজন সদস্য রুলবুক ছিঁড়ে দিচ্ছেন এবং আমার দিকে ছুড়ে দিচ্ছেন। তাছাড়া, আমায় কয়েকজন সদস্য ঘিরে ছিলেন। যাঁরা আমার থেকে কাগজ ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছিলেন।”

Advertisement

[আরও পড়ুন ; কৃষি বিল বিতর্কে নয়া মোড়, মিলছে না সরকারের বয়ান ও রাজ্যসভার ভিডিও ফুটেজ]

কী কারণে জোড়া বিল নিয়ে ভোটাভুটির পথে হাঁটেননি রাজ্যসভার ডেপুটি চেয়ারম্যান? তা নিয়ে হরিবংশের ব্যাখা, “আপনারা নিশ্চয় জানেন, নিয়ম ও প্রথা অনুযায়ী ভোটাভুটির জন্য দু’টি বিষয় গুরুত্বপূর্ণ। প্রথমত, ভোটাভুটির দাবি জানাতে হবে। এবং কক্ষের স্বাভাবিক পরিস্থিতি থাকবে।” তাঁর আরও দাবি. “আমি একটা সাংবিধানিক পদে আছি। তাই আমি আনুষ্ঠানিকভাবে (অভিযোগ) খণ্ডন করতে পারি না। আমি বিষয়টি আপনাদের নজরে আনছি এবং সিদ্ধান্ত নেওয়ার বিষয়টি আপনাদের উপর ছেড়ে দিচ্ছি। আমি রাজ্যসভা টিভির ভিডিও ফুটেজও পাঠাচ্ছি এবং ঘটনার বিস্তারিত রিপোর্ট পাঠাচ্ছি।” এ নিয়ে এখনও পর্যন্ত বিরোধীদের কোনও প্রতিক্রিয়া এখনও মেলেনি।

[আরও পড়ুন ; তীব্র শীতেও চিনকে টক্কর দিতে তৈরি ভারতীয় সেনা, লাদাখ সীমান্তে মোতায়েন T-90 ট্যাঙ্ক]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.