Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬

কৃষকদের পাশেই মধ্যবিত্ত, মিছিলে খাবার-জল এগিয়ে দিচ্ছেন মুম্বইকররা

ছাত্ররা চাঁদা তুলে কৃষকদের হাতে বিস্কুটের প্যাকেট তুলে দিচ্ছেন।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১২, ২০১৯, ১৫:১২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১২, ২০১৯, ১৫:১২

options
link
কৃষকদের পাশেই মধ্যবিত্ত, মিছিলে খাবার-জল এগিয়ে দিচ্ছেন মুম্বইকররা zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ‘শাসনে যতই ঘেরো, আছে বল দুর্বলেরও…’,- সে শক্তিই যেন দেখছে গোটা ভারত। যে কৃষকদের হাজারও আন্দোলন, দাবিদাওয়া নিয়ে দিনের পর দিন একপ্রকার নিশ্চুপ থেকেছে প্রশাসন, এবার তাঁদেরই লং মার্চে লাল নিশানে সিঁদুরে মেঘ দেখছে প্রশাসন। আর সেই মিছিলের পাশেই আছে সাধারণ মানুষ। কেউ এগিয়ে দিচ্ছেন বিস্কুট। কেউবা খাবার জল। কেউ আবার রান্না করা খাবার এনে হাতে হাতে ধরিয়ে দিচ্ছেন অসহায় কৃষকদের।

[  মহারাষ্ট্রে কৃষকদের মহামিছিলে সিঁদুরে মেঘ দেখছে ফড়ণবিস সরকার ]

Advertisement

ক্ষোভ দীর্ঘদিনের। কিন্তু সুরাহা নেই। তামিলনাড়ু থেকে মহারাষ্ট্রে ধূমায়িত হয়েছে বিক্ষোভ। বিভিন্ন সময় বিচ্ছিন্ন আন্দোলনের মাধ্যমে প্রশাসনের কানে তা পৌঁছানোর চেষ্টাও হয়েছে। কিন্তু বুলেট ট্রেন আর নোট বাতিলে বুঁদ সরকারের কানে বোধহয় সে হাহাকার পৌঁছায়নি। একের পর এক আত্মহত্যাতেও ঋণ মকুবের নামে তামাশা চলেছে। এমনকী কৃষকদরদী বাজেটে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রীর বারবার কৃষক শব্দ উচ্চারণ করাই সার, সুবিধার ছিটোফোঁটা তাঁদের কাছে পৌঁছায়নি। ফলে এই লং মার্চ যেন অবশ্যম্ভাবী হয়ে পড়েছিল। গ্রাম দিয়ে শহর ঘেরার ডাক কত সময়ে উঠেছে। কিন্তু গণ অভ্যুত্থান তো সচরাসচর সম্ভব হয়। তবে বিচ্ছিন্ন শক্তি একত্র হলে যে প্রশাসনের ঘুম উড়তে পারে, ফড়ণবিস সরকার তা এখন হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছে। এই কৃষক আন্দোলনের পরিণতি কী হবে তা পরের কথা, কিন্তু এই ঘোর ভোগবাদী সময়ে কৃষকরা যেভাবে বামপন্থাকে আঁকড়ে ধরে সিস্টেমের মুখে তাচ্ছিল্য ছুড়ে দিতে পেরেছে, তা নিঃসন্দেহে আগামীকে উৎসাহিত করবে অধিকার বুঝে নেওয়া প্রখর দাবিতে।

[  তামিলনাড়ুর জঙ্গলে দাবানলে প্রাণ গেল ৯ পড়ুয়ার, নিখোঁজ অনেকেই ]

29102007_1544695102326870_7150357357921304576_n

তবে এ শুধু কৃষকদের আন্দোলন। আপাতভাবে তাই-ই বটে। তবে মধ্যবিত্তের মধ্যেও এর প্রভাব দারুণ। আধুনিক সময়ে কনসেন্ট মেকিংয়ে উল্লেখ্য ভূমিকা থাকে সোশ্যাল মিডিয়ার। যা মূলত মধ্যবিত্ত অধ্যুষিত। সেই সোশ্যাল মিডিয়ার সমর্থন একবাক্যে কৃষকদের প্রতি। তবে সবটুকু ভারচুয়াল নয়। কৃষকদের পাশে দাঁড়াতে এগিয়ে এসেছেন আম মুম্বইকররা। এগিয়ে এসেছেন বহু তরুণ। ছাত্ররা চাঁদা তুলে কৃষকদের হাতে বিস্কুটের প্যাকেট তুলে দিচ্ছেন। স্থানীয় বাসিন্দারা রান্না করা খাবার বয়ে নিয়ে গিয়ে মিছিলে হাঁটা কৃষকদের দিয়ে এসেছেন। মধ্যরাত থেকে শুরু হয়েছে এই মিছিল। যাতে বাসিন্দাদের কোনও অসুবিধা না হয়। এদিকে বাসিন্দারা পূর্ণ সমর্থন জানিয়ে কৃষকদের যাতে কোনও অসুবিধা না হয় সেদিকে নজর দিয়েছেন। ধর্মীয় মৌলবাদের অভিযোগে দেশ যখন জর্জরিত, তখন এই কৃষক অভ্যুত্থান আর মধ্যবিত্তের সমর্থন এক অন্য দেশের স্বরূপ চেনাচ্ছে। যে দেশ ধর্মের ভিত্তিতে বিভাজিত নয়, পেটের দায়ে এককাট্টা।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.