BREAKING NEWS

৩ মাঘ  ১৪২৭  রবিবার ১৭ জানুয়ারি ২০২১ 

READ IN APP

Advertisement

কৃষি আইনকে কেন্দ্র করে বিজেপি-জেজেপি জোটে ভাঙনের আশঙ্কা! আসরে অমিত শাহ

Published by: Subhajit Mandal |    Posted: January 13, 2021 10:19 am|    Updated: January 13, 2021 10:19 am

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বিতর্কিত কৃষি আইন (Farm Law 2020) ইস্যুতে আরও খানিকটা চাপে পড়তে চলেছে বিজেপি। গেরুয়া শিবিরের এক বড় জোটসঙ্গী অকালি দল ইতিমধ্যেই এনডিএ ছেড়েছে। রাজস্থানের লোকতান্ত্রিক জনতা দলও জোট ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এবার প্রশ্ন উঠছে আরও এক জোটসঙ্গীর ভবিষ্যৎ নিয়ে। কথা হচ্ছে হরিয়ানায় বিজেপির জোটসঙ্গী জেজেপির। অকালি দলের পথ ধরে বিজেপির (BJP) সঙ্গ ছাড়ার জন্য চাপ বাড়ছে দুষ্মন্ত চৌটালার উপরও।

দলের বিধায়করা রাজনৈতিকভাবে জমি হারানোর ভয়ে জোট ছাড়ার হুমকি দিচ্ছেন। সমস্যার সমাধান না হলে জেজেপি যে এনডিএ ছাড়তে পারে, সে ইঙ্গিত দিয়েছেন জেজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি তথা হরিয়ানার উপমুখ্যমন্ত্রী দুষ্মন্ত চৌটালার (Dushyant Chautala) বাবা অজয় চৌটালাও। হরিয়ানায় আপাতত জেজেপির সমর্থনে সরকারে আছে বিজেপি। মুখ্যমন্ত্রী মনোহরলাল খাট্টারের (Manohar Lal Khattar) গদিতে টিকে থাকা নির্ভর করছে জেজেপির উপর। সেই জেজেপিতেই কিনা বিদ্রোহ। যা উদ্বিগ্ন করে তুলেছে খোদ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে। সমস্যা মেটাতে নিজে আসরে নেমেছেন তিনি। গতকাল নয়াদিল্লিতে গিয়ে শাহর সঙ্গে দেখা করে এসেছেন মুখ্যমন্ত্রী খাট্টার এবং উপমুখ্যমন্ত্রী দুষ্মন্ত চৌটালা। সেই সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন হরিয়ানা মন্ত্রিসভার বেশ কয়েকজন মন্ত্রী। এঁদের মধ্যে কেউ কেউ আবার বেসুরো।

[আরও পড়ুন: দেশের দৈনিক করোনা আক্রান্তের সংখ্যা সামান্য বাড়ল, আজ বিভিন্ন রাজ্যে যাচ্ছে কোভ্যাক্সিন]

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক শেষে অবশ্য বিজেপি-জেজেপি দুই শিবিরই দাবি করেছে জোট নিয়ে কোনও সংশয় নেই। হরিয়ানা সরকার নিজেদের মেয়াদ শেষ করবে। মুখ্যমন্ত্রী খাট্টার বলছেন, “রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি একদম ঠিক আছে। বিরোধী সংবাদমাধ্যম ভিত্তিহীন গুজব ছড়াচ্ছে। আমাদের সরকার মেয়াদ শেষ করবে।” উপমুখ্যমন্ত্রী দুষ্মন্ত চৌটালা বলছেন,”আমার মনে হয়, সরকার ঠিকঠাকই চলছে। আর কৃষকদের সব সমস্যা নিয়ে আলোচনা চলছে। আশা করা যায় সুপ্রিম কোর্ট ব্যাপারটা মিটিয়ে ফেলবে।” দুই নেতার এই বয়ানের পরও অবশ্য গুজব থামছে না। প্রশ্ন উঠছে, সব যদি ঠিকই থাকবে তাহলে বৈঠকের দরকার কেন পড়ল?

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement