Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
Farmers Protest Rakesh Tikait

যোগী সরকারের ‘জবরদস্তি’তে পুনরুজ্জীবিত কৃষকরা! রাতারাতি বাড়ল বিক্ষোভকারীর ভিড়

'আত্মহত্যা করব কিন্তু বিক্ষোভস্থল থেকে নড়ব না', হুঁশিয়ারি কৃষক নেতাদের।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২৯, ২০২১, ০৯:০৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২৯, ২০২১, ০৯:০৭

options
link
যোগী সরকারের ‘জবরদস্তি’তে পুনরুজ্জীবিত কৃষকরা! রাতারাতি বাড়ল বিক্ষোভকারীর ভিড় zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বজ্র আঁটুনি ফস্কা গেরো। সাধারণতন্ত্র দিবসে দিল্লিতে অশান্তির পর এমনিতেই শক্তি হারাচ্ছিল কৃষক আন্দোলন। সিঙ্ঘু, গাজিপুর ও রাজধানী দিল্লির অন্যান্য সীমান্ত থেকে ধীরে ধীরে ঘরে ফেরার পথে পা বাড়াচ্ছিলেন হতাশ আন্দোলনকারীরা। সরকারিভাবে গোটা দুই কৃষক সংঠন আন্দোলন প্রত্যাহারও করে নিয়েছিল। কৃষকদের যে সংঠনটি সবচেয়ে প্রভাবশালী সেই ভারতীয় কিষাণ ইউনিয়নও (Bharatiya Kisan Union) আন্দোলন প্রত্যাহার করা নিয়ে ভাবনা চিন্তা শুরু করেছিল। কিন্তু রাতারাতি সবকিছু বদলে গেল উত্তরপ্রদেশ সরকারের একটা ভুল পদক্ষেপে।

গাজিপুর সীমান্তে বিক্ষোভকারীদের একপ্রকার জোর করে তুলে দেওয়ার ছক কষেছিল উত্তরপ্রদেশের প্রশাসন। বৃহস্পতিবার রাতের মধ্যে গাজিপুরে কৃষকদের বিক্ষোভস্থল (Protest) খালি করে দেওয়ার নির্দেশ দেয় যোগী সরকার। সেখানে জারি করা হয় ১৪৪ ধারা। বিক্ষোভস্থল কার্যত ছেয়ে ফেলা হয় নিরাপত্তারক্ষীতে। এমনকী ৪ কোম্পানি র‍্যাফ মোতায়েন করা হয়। ওই বিক্ষোভস্থলে বিদ্যুৎ এবং জলের সরবরাহ আগে থেকেই অনিয়মিত করে দেওয়া হয়েছিল। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে ঘটনাস্থলে যান ভারতীয় কিষাণ ইউনিয়নের নেতা রাকেশ টিকাইত (Rakesh Tikait)। যার বিরুদ্ধে কিনা দেশদ্রোহিতার মামলা করেছে সরকার। টিকাইত ঘটনাস্থলে যেতেই বদলে যায় পরিস্থিতি। তিনি অভিযোগ করেন, বিজেপি ষড়যন্ত্র করে বিক্ষোভ বন্ধ করে দিতে চাইছে। চোখের জলে ঘোষণা করেন, “কৃষি আইন প্রত্যাহার না করা পর্যন্ত এক পাও নড়ব না। প্রয়োজনে গুলি খাব। প্রয়োজনে অনশন করব। নিজের গ্রাম থেকে এনে জল খাব। রাকেশ টিকাইত আত্মহত্যা করবে, তবু বিক্ষোভ স্থল ছাড়বে না।”

[আরও পড়ুন: রাতের মধ্যে গাজিপুর সীমানা খালি করার নির্দেশ প্রশাসনের, অবস্থানে অনড় কৃষকরা]

টিকাইতের সেই আবেগঘন ভাষণ কৃষকদের জন্য টনিকের কাজ করে। রাতারাতি শ’য়ে শ’য়ে কৃষক নতুন করে গাজিপুরের বিক্ষোভস্থলে হাজির হন। উত্তরপ্রদেশ, রাজস্থান এবং হরিয়ানার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে হাজার হাজার কৃষক ট্রাক্টরে চেপে গাজিপুরের উদ্দেশে রওনা দেন। গতকাল সারারাত কৃষক নেতারা গাজিপুরের বিক্ষোভস্থলে ‘জয় জওয়ান-জয় কিষাণ’ স্লোগান দেন। সেই সঙ্গে উড়তে দেখা যায় জাতীয় পতাকা। এরপরই কৃষক নেতারা জানিয়ে দিয়েছেন, সরকারের ৩ কৃষি আইন বাতিল না হওয়া পর্যন্ত নিজেদের বাড়িতে ফিরবেন না তাঁরা। তাঁদের অভিযোগ, কৃষকদের আন্দোলন রুখতে গাজিপুরের প্রতিবাদস্থলে গুন্ডা পাঠিয়েছে বিজেপি সরকার। কৃষকদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র হচ্ছে। 

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.