BREAKING NEWS

৯ আশ্বিন  ১৪২৭  শনিবার ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

সাত মাস পর সাক্ষাৎ, ছেলে ওমরকে দেখে আবেগাপ্লুত ফারুখ আবদুল্লা

Published by: Sucheta Chakrabarty |    Posted: March 14, 2020 5:39 pm|    Updated: March 14, 2020 5:39 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: দিনের হিসেবে মোটে সাত মাস, তবে অপেক্ষা প্রায় এক যুগের সমান। সাত মাস পর ছেলে ওমর আবদুল্লার সঙ্গে দেখা করলেন কাশ্মীরের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ফারুখ আবদুল্লা। কাশ্মীরে ৩৭০ ধারা বিলোপের পর জনসুরক্ষা আইনে (PSA) তাঁকে আটক করে রাখা হয় শ্রীনগরের একটি জেলে। গতকালই মুক্তি পান তিনি।

শুক্রবার জনসুরক্ষা আইনের নিয়ন্ত্রণ থেকে মুক্তি লাভের পর জম্মু-কাশ্মীরের প্রশাসনের কাছ থেকে ছেলে ওমরের সঙ্গে দেখা করার অনুমতি চান কাশ্মীরের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী। প্রায় সাত মাস আগে তাদের দুজনকেই বন্দি করে রাখা হয়। আজ তাঁকে তার বাড়ি থেকে শ্রীনগরের জেলের কাছে থাকা হরি নিবাসে নিয়ে যাওয়া হয় সেখানেই বন্দি করে রাখা হয়েছে ওমর আবদুল্লাকে। এতদিন পর ছেলেকে দেখে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন বর্ষীয়ান ফারুখ। জড়িয়ে ধরেন ছেলে ওমর আবদুল্লাকে। এদিন ছেলে ওমরের সঙ্গে দেখা করতে যাওয়ার আগে সকালে প্রথমে ডাল লেকের কাছে বাবা শেখ আবদুল্লার কবরে শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করতে যান ফারুক আবদুল্লা। তার বাবাও কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন। কালো কুর্তা, কারাকুলি টুপিতে সজ্জিত হয়ে প্রথা মেনে স্ত্রী মইলি ও নাতি আদিমের সঙ্গে বাবাকে শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করেন তিনি।

শুক্রবার বন্দিদশা থেকে মুক্তি পেয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন কাশ্মীরের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী। সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি জানান,”যারা আমার জন্য প্রার্থনা করেছিলেন তাদের সকলেকে ধন্যবাদ জানাই। তাদের সকলের কাছে আমি কৃতজ্ঞ। তবে এখনই আমরা সবাই মুক্তি পাইনি। এই মুক্তির স্বাদ তখনই পূর্ণ হবে যখন ওমর আবদুল্লা, মেহেবুবা মুফতি ও বাকিরা সকলেই ছাড়া পাবেন। আমার বিশ্বাস সরকার খুব দ্রুত সিদ্ধান্ত নেবেন।” এদিন ছেলের সঙ্গে সাক্ষাতের পর ফারুক আবদুল্লা দেখা করেন বর্ষীয়ান কংগ্রেস নেতা গুলাম নবি আজাদের সঙ্গে। ৩৭০ ধারা বিলোপের পর কাশ্মীরের রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের বন্দি করা হলে তাদের মুক্তি চেয়ে কেন্দ্রের কাছে একাধিক বার প্রশ্ন তোলেন গুলাম নবি আজাদ।

গতবছর ৫ সেপ্টেম্বর কাশ্মীরে ৩৭০ ধারা বাতিলের পর জনসুরক্ষা আইনের অধীনে সকল রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের আটক করে রাখা হয়। তবে এই বছর জানুয়ারিতে সেই মেয়াদ ফুরিয়ে যাওয়ার আগেই ‘কাশ্মীরে আইন-শৃঙ্খলা ভঙ্গের’ অভিযোগে পুনরায় পিডিপি নেত্রী মেহবুবা মুফতি ও ওমর আবদুল্লাকে আটক করে রাখা হয়।

[আরও পড়ুন: করোনা আতঙ্কে খালি করা হল বেঙ্গালুরুর ইনফোসিস অফিস, বাড়ি বসেই কাজের নির্দেশ]

জনসুরক্ষা আইনের অধীনে এনে কোনও ব্যক্তিকে প্রায় বিচার ছাড়াই ৩ মাস আটক করে রাখা যাবে। এমনকি সেই বন্দিদশার মেয়াদ কালও বাড়ানো যাবে। ৩৭০ ধারা বিলোপের পর লোকসভায় এই আইনের বিরোধীতা করেন প্রচুর মানুষ। তবে গতকাল বন্দিদশা থেকে মুক্তির পর তাঁকে শুভেচ্ছা জানান পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

[আরও পড়ুন: মাস্ক ও হ্যান্ড স্যানিটাইজারের দেদার কালোবাজারি, অপরাধে ৭ বছরের জেল]

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement