Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
Bengaluru Metro

ভরা মেট্রোয় তরুণীর উরুতে হাত! চড় খেয়েও মুখে হাসি অভিযুক্তর

'আমি প্রথমে হতভম্ব হয়ে গিয়েছিলাম', বলছেন তরুণী।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ২৭, ২০২৫, ১৪:১৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ২৭, ২০২৫, ১৪:১৮

options
link
ভরা মেট্রোয় তরুণীর উরুতে হাত! চড় খেয়েও মুখে হাসি অভিযুক্তর zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বেঙ্গালুরু মেট্রোয় এক হাড়হিম অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এক তরুণী। ২৫ বছরের ফ্যাশন ডিজাইনার ওই তরুণীর অভিযোগ, তাঁর পাশে বসে ক্রমাগত শরীরে ‘অশালীন’ স্পর্শ করছিলেন এক বছর পঁয়তাল্লিশের ব্যক্তি। তাঁকে চড় মারার পরও তিনি ছিলেন নির্বিকার। এমনকী তাঁকে হাসতেও দেখা যায়! তরুণী জানিয়েছেন, প্রথমটায় হতভম্ব হয়ে গেলেও পরে তিনি সংবিৎ ফিরে পান এবং প্রতিবাদে সোচ্চার হন।

ঠিক কী হয়েছিল? ওই তরুণী জানিয়েছেন, ”দুই সহযাত্রীর মাঝে আমি বসেছিলাম। এবং যাত্রার অর্ধেকটা সময় কিছুই ঘটেনি। আমি অত্যন্ত স্বচ্ছন্দেই সেখানে বসেছিলাম।” কিন্তু পরিস্থিতি বদলে যায় অভিযুক্ত তাঁর পাশে বসার সময়ই। তরুণী বলছেন, ”যে মুহূর্তে লোকটা আমার পাশে বসল আমার মনে হল দু’জনের মাঝখানে বসে আমি যেন ক্রমাগত চেপে যাচ্ছি। আসলে লোকটি আমার একেবারে গা ঘেঁষে বসেছিল। খানিক পরেই বুঝতে পারলাম, একটা হাত আমার শরীরে ঘুরে বেড়াচ্ছে।”

Advertisement

প্রথমে অবশ্য ওই তরুণীর মনে হয়েছিল, ভুল করে হাত লেগে গিয়েছে। কিন্তু ক্রমেই ভুল বুঝতে পারেন তিনি। তাঁর কথায়, ”ও নিজের পা আমার পায়ের উপরে তুলে দিয়েছিল। আমি ওকে বলি পা সরিয়ে ঠিকভাবে বসুন। কিন্তু তারপরও পরিস্থিতি বদলায়নি। ধীরে ধীরে আমি বুঝতে পেরে গেলাম, এটা কোনও ভুল নয়। যা হচ্ছে সবই ইচ্ছাকৃত। লোকটা চেষ্টা করছে, চেষ্টা ঠিক নয়, আমাকে স্পর্শ করতে শুরু করেছে…” লোকটি উরুতে ক্রমাগত স্পর্শ করছে বুঝতে পেরে তরুণী ক্ষোভ উগরে দিয়ে বলেন, ”আমি চুপ করে গেলে আর প্রতিবাদ করতে পারতাম না। আর লোকটা ক্রমাগত ওই কাজই করে চলত। সুতরাং আমি দাঁড়িয়ে পড়ে এক চড় মারি। লোকটাকে বলি উঠে দাঁড়াতে।”

পরে ট্রেন থেকে নেমে আসেন তরুণী। তিনি জানিয়েছেন, সঙ্গে লোকটিও নামে। এরপরও লোকটিকে ফের চড় মারেন তিনি। এবং এতবার চড় খেয়েও নির্বিকারই থাকে অভিযুক্ত। তার মুখে ছিল হাসির রেখা। যা দেখে উত্তেজিত তরুণী মোবাইলে রেকর্ডিং করতে থাকেন। তিনি বলেন, ”হাসো, হাসো। আমি তোমাকে বিখ্যাত করে দেব।”

তরুণী জানান, চাপে পড়ে লোকটি ‘সরি’ বললেও সেই সঙ্গে আরও কিছু বলতে থাকে। যেহেতু তার ভাষা কন্নড়, তাই সবটা তিনি বুঝতে পারেননি। এর মধ্যে ঘটনাস্থলে হাজির হয় পুলিশ। পুলিশের সঙ্গে তরুণীর মা-ও কথা বলেন। তবে তাঁরা কেউই এফআইআর দায়ের করতে চাননি। তরুণী বলেন, তিনি কোনও অভিযোগ দায়ের করছেন না। তবে পুলিশ এনসিআর ফাইল করে লোকটিকে সতর্ক করে তারপর ছেড়েছে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.