Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
Neelam Shinde

কোমায় মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছে মেয়ে, অবশেষে মার্কিন ভিসা পেলেন ভারতীয় তরুণীর বাবা

কেন্দ্রের তরফে আবেদন যাওয়ার পরেই দ্রুত ভিসা দেওয়া হল তরুণীর বাবা ও ভাইকে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২৫, ১৫:১৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২৫, ১৫:১৩

options
link
কোমায় মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছে মেয়ে, অবশেষে মার্কিন ভিসা পেলেন ভারতীয় তরুণীর বাবা zoom
ফাইল ছবি।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: কোমায় থাকা মেয়েকে দেখতে আমেরিকা যাওয়ার ভিসা পেয়ে গেলেন বাবা। মার্কিন মুলুকে দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হওয়া নীলম শিণ্ডে এখন মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছেন। তাই নীলমের বাবা এবং ভাইকে দ্রুত ভিসা দিল মার্কিন দূতাবাস। শুক্রবার ইন্টারভিউয়ের পরেই তাঁদের ভিসা দেওয়া হয়।

ক্যালিফোর্নিয়ার হাসপাতালে রয়েছেন নীলম। কোমায় আচ্ছন্ন মেয়ের কাছে পৌঁছতে চাওয়া পরিবারের তরফে কেন্দ্রই ট্রাম্প প্রশাসনের কাছে আবেদন করে। হোয়াইট হাউস সাড়া দেয় সেই আবেদনে। সান ফ্রান্সিসকোর ভারতীয় কনসুলেটও গোটা ঘটনা নিয়ে পোস্ট করে এক্স হ্যান্ডেলে। নীলমের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে সবরকম সাহায্যের বার্তা দেওয়া হয় সেখানে। অন্যদিকে, কেন্দ্রের তরফে আবেদন যাওয়ার পরে দ্রুত নীলমের বাবাকে ইন্টারভিউয়ের জন্য ডাকে মার্কিন দূতাবাস।

Advertisement

শুক্রবার সকালে ইন্টারভিউয়ের পরেই ভিসা দেওয়া হয় নীলমের বাবা এবং ভাইকে। পরে নীলমের মামা সঞ্জয় কদম জানান, “নীলম মারাত্মকভাবে আহত। তবে কেন্দ্র এবং রাজ্য সরকার অনেক সাহায্য করেছে। আমরা ভিসা পেয়েছে। প্রাথমিকভাবে আমরা এজেন্টদের মাধ্যমে মার্কিন দূতাবাসে ইন্টারভিউয়ের ডাক পাওয়ার চেষ্টা করছিলাম। তবে মিডিয়ার মাধ্যমে নীলমের খবর জানতে পারে সরকার। এমার্জেন্সি ভিসার পন্থা যেন আরও সরল করা যায়, সেজন্য কেন্দ্রের কাছে আমরা আবেদন জানিয়েছি।”

প্রসঙ্গত, গত ১৪ ফেব্রুয়ারি কালিফোর্নিয়ার রাস্তায় একটি চারচাকা গাড়ি পিষে দেয় নীলম শিণ্ডে নামের বছর পঁয়ত্রিশের তরুণীকে। মহারাষ্ট্রের সাতারা জেলার বাসিন্দা নীলমকে উদ্ধার করে শহরের একটি বেসরকারি হাসপাতালের আইসিইউ বিভাগে ভর্তি করে পুলিশ। জানা গিয়েছে, দুর্ঘটনার পরেই কোমায় চলে যান তিনি। ১৬ ফেব্রুয়ারি নীলমের বাবা তানাজি শিণ্ডে জানতে পারেন দুর্ঘটনার কথা। তারপর থেকে ভিসা পাওয়ার চেষ্টা করেছেন। অবশেষে শিকে ছিড়ল তাঁদের কপালে। এবার যত তাড়াতাড়ি সম্ভব মার্কিন মুলুকে পৌঁছতে চান তাঁরা। 

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.