Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬

সন্তানের সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে শিশুচোর বদনাম, গণপিটুনিও জুটল বাবার কপালে

বিচ্ছেদের মামলা চলায় বাচ্চাদের সঙ্গে আলাদা করে দেখা করতে গিয়েছিলেন ওই ব্যক্তি।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১৮, ২০১৮, ২০:৫১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১৮, ২০১৮, ২০:৫১

options
link
সন্তানের সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে শিশুচোর বদনাম, গণপিটুনিও জুটল বাবার কপালে zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: অন্ধ্রপ্রদেশের বাসিন্দা মহেশ বাবু ও তাঁর স্ত্রীর সঙ্গে গত তিনমাস ধরেই বিবাহ বিচ্ছেদের মামলা চলছে। নয় বছর ও চার বছরের দুই সন্তানই থাকে স্ত্রীর কাছে। স্ত্রীর সঙ্গে বিবাদ থাকলেও, সন্তানদের এক পলক দেখার জন্য পাগলপারা অবস্থা বাবার। কিন্তু সন্তানদের সঙ্গে দেখা করতে গিয়েই গণপিটুনি খেতে হল ওই ব্যক্তিকে। কর্ণাটকের মাণ্ডি জেলার ঘটনা।

[শিশুচোর সন্দেহে ৩ সাধুকে গণপিটুনির হাত থেকে রক্ষা করল সেনা]

বুধবার অন্ধ্রপ্রদেশ থেকে তিন বন্ধুর সঙ্গে কর্ণাটকে আসেন মহেশ বাবু। সন্তানদের এক পলক দেখতেই এত দূর ছুটে আসা তাঁর। রাস্তার মাঝে আচমকাই একটি স্কুল বাস দাঁড় করাতে যান মহেশ বাবু। ওই বাসে করেই নিজের দুই সন্তান বাড়ি ফিরছিল। মহেশ বাবুর জোরাজুরিতে বাস দাঁড়িয়ে পড়ে। ওই বাসেই উঠে পড়েন তিনি। প্রায় নব্বই দিন ধরে কাছে নেই সন্তান। তাই দুই সন্তানকে জড়িয়ে ধরেন তিনি।

Advertisement

[শিশুচোর সন্দেহে গণপিটুনি, ত্রিপুরায় মৃত্যু যুবকের]

কিন্তু তাতেই গ্রামবাসীদের মনে সন্দেহ দানা বাঁধে। নিছক ভালবাসার টানে মহেশ বাবু এমন কাজ করেছেন, তা মানতে নারাজ গ্রামবাসীরা। শিশুচোর বলে মহেশ বাবুকে সন্দেহ করতে শুরু করেন তাঁরা। তাঁকে ঘিরে ধরেন গ্রামবাসীরা। শুরু হয় বেদম মারধর। হাজার আকুতি-মিনতিও কাজে দেয়নি তাঁর। উলটে আরও বাড়তে থাকে মারধর। প্রায় আধ ঘণ্টা ধরে রাস্তার মাঝে শুয়েই মার খেতে থাকেন মহেশ বাবু।

[ত্রিপুরায় গণপিটুনিতে মৃত্যুর ঘটনায় খুশি! বিপ্লব দেবের মন্তব্যে ফের বিতর্কের ঝড়]

ইতিমধ্যেই ঘটনাস্থলে পৌঁছায় বিশাল পুলিশবাহিনী। মহেশ বাবুকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। ওই দুটি শিশুকেও থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। খবর দেওয়া হয় শিশুদের মা আশাকেও। মহেশ বাবুর দাবি যে সম্পূর্ণ সত্যি তা জানান তিনি। এরপর শিশু দুটিকে তাদের মা-র হাতে তুলে দেওয়া হয়। স্থানীয় হাসপাতালে পাঠানো হয় মহেশ বাবুকেও।

[দেশে লাফিয়ে বাড়ছে শিশু পাচারের সংখ্যা, সমীক্ষার রিপোর্টে উদ্বেগ]

শিশু চোর সন্দেহে মারধরের ঘটনা দিন দিন বাড়ছে। গত ১৩ জুলাই শিশু চোর সন্দেহ মারধর করা হয় সার্চ ইঞ্জিন গুগলের ইঞ্জিনিয়ারকে। শিশুদের চকোলেট, বিস্কুট ও খেলনার লোভ দেখিয়ে অপহরণের চেষ্টা করছিলেন তিনি, এমনই অভিযোগ ওঠে তাঁর বিরুদ্ধে। এর আগে একই ঘটনার সাক্ষী হয়েছিল মহারাষ্ট্রের ধুলেতেও। একের পর এক এই ঘটনা সামনে আসার পর হোয়াটসঅ্যাপেও ওপরেও কড়া নজরদারি চালাচ্ছে কেন্দ্র। তবে তা সত্ত্বেও নিরস্ত করা যাচ্ছে না হামলাকারীদের।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.