Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৯ আগস্ট ২০২৬
Anshuman Singh

ছেলের মরণোত্তর সম্মান নিয়ে বাপের বাড়ি চলে গিয়েছে পুত্রবধূ! অভিযোগ শহিদ অংশুমানের বাবার

অংশুমানের যাবতীয় নথিপত্রে নিজের বাবার বাড়ির ঠিকানা দিয়েছেন পুত্রবধূ, অভিযোগ বাবা রবি প্রতাপ সিংয়ের।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১২, ২০২৪, ১৬:০৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১২, ২০২৪, ১৬:০৮

options
link
ছেলের মরণোত্তর সম্মান নিয়ে বাপের বাড়ি চলে গিয়েছে পুত্রবধূ! অভিযোগ শহিদ অংশুমানের বাবার zoom
ফাইল ছবি।
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ছেলের মরণোত্তর সম্মান নিয়ে বাপের বাড়ি চলে গিয়েছে পুত্রবধূ! চাঞ্চল্যকর অভিযোগ আনলেন প্রয়াত ক্যাপ্টেন অংশুমান সিংয়ের বাবা। কেবল কীর্তি চক্র নিয়ে যাওয়াই নয়, অংশুমানের যাবতীয় নথিপত্রে নিজের বাবার বাড়ির ঠিকানা দিয়েছেন পুত্রবধূ, এমনটাই অভিযোগ এনেছেন অংশুমানের বাবা রবি প্রতাপ সিং।

গত বছরের জুলাই মাসে সিয়াচেনের (Siachen) এক ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে উদ্ধারকাজে শামিল হয়েছিলেন অংশুমান (Anshuman Singh)। অনেকের প্রাণ বাঁচালেও সিয়াচেনে শহিদ হন তিনি। তার পরে গত ৫ জুলাই অংশুমানকে কীর্তি চক্র সম্মানে ভূষিত করেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। সেই সম্মান নিতে রাষ্ট্রপতি ভবনে হাজির ছিলেন প্রয়াত অংশুমানের স্ত্রী স্মৃতি এবং মা মঞ্জু। উল্লেখ্য, বীরত্বের ক্ষেত্রে ভারতের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সম্মান এই কীর্তি চক্র।

Advertisement

[আরও পড়ুন: মোদির সফরের পরেই রাষ্ট্রসংঘে রাশিয়ার ‘পাশে’! যুদ্ধবিরোধী প্রস্তাবে ভোটদানে বিরত ভারত

কিন্তু রাষ্ট্রপতির থেকে পাওয়া এই সম্মান নিজের বাপের বাড়িতে নিয়ে চলে গিয়েছেন স্মৃতি, এমনটাই অভিযোগ এনেছেন অংশুমানের বাবা। সংবাদমাধ্যমের সামনে তিনি বলেন, ছেলের সরকারি নথিপত্রের সমস্ত জায়গায় ঠিকানা বদলে দিয়েছে তাঁর পুত্রবধূ। সমস্ত ক্ষেত্রে নিজের বাপের বাড়ির ঠিকানা লিখেছেন যেন তাঁর সঙ্গেই সরাসরি যোগাযোগ করে সেনা (Indian Army) কর্তৃপক্ষ। এমনকি অংশুমানের সমস্ত ছবি এবং অন্যান্য জিনিসপত্রও হাতিয়ে নিয়েছেন স্মৃতি।

গোটা ঘটনায় ক্ষিপ্ত রবি প্রতাপ। শহিদ জওয়ানের বাবা বলেন, “আমার ছেলেকে মরণোত্তর কীর্তি চক্র সম্মান দিলেন রাষ্ট্রপতি। কিন্তু সেই মেডেল একবার ছুঁয়েও দেখতে পেলাম না।” অংশুমানের মায়ের কথায়, “রাষ্ট্রপতি ভবন থেকে বেরিয়ে আসার সময় সেনা আধিকারিকদের অনুরোধে একবার কীর্তি চক্রটা ছুঁয়ে ছবি তুলেছিলাম। তার পরেই ওই মেডেল নিয়ে বাপের বাড়িতে চলে গিয়েছ স্মৃতি।” ছেলেকে হারানো বাবা-মায়ের আর্জি, এরকম মেডেলের একটি রেপ্লিকার ব্যবস্থা করা হোক। যেন বাবা-মাও ছেলের স্মৃতি আঁকড়ে বাঁচতে পারেন।

[আরও পড়ুন: নেপালে ভয়াবহ দুর্ঘটনা, রাস্তা ধসে নদীতে পড়ল বাস, মৃত ৭ ভারতীয়

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.