Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ১০ আগস্ট ২০২৬

ছত্তিসগড়ে খতম ৩ মাওবাদী, উদ্ধার বিপুল অস্ত্রভাণ্ডার

উদ্ধার একে-৪৭, ইনসাস-মতো অত্যাধুনিক অস্ত্র।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ২৬, ২০১৭, ০৬:৪২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ২৬, ২০১৭, ০৬:৪২

options
link
ছত্তিসগড়ে খতম ৩ মাওবাদী, উদ্ধার বিপুল অস্ত্রভাণ্ডার zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ফের গুলির লড়াইয়ে কেঁপে উঠল মাওসন্ত্রাসে জর্জরিত ছত্তিসগড়। নিরাপত্তারক্ষীদের সঙ্গে প্রবল সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে মাওবাদীরা। খতম হয় তিন জঙ্গি। উদ্ধার করা হয়েছে বিপুল অস্ত্রভাণ্ডার।

পুলিশ সূত্রে খবর, বুধবার রাতে রাজধানী রায়পুর থেকে প্রায় ২০০ কিমি দুরে মাওবাদী অধ্যুষিত মানপুর এলাকায় অভিযান চালায় পুলিশ ও আইটিবিপি-র একটি যৌথবাহিনী। ওই এলাকার অন্তর্গত কোপেনকাড়ক গ্রামের জঙ্গলে মাওবাদীদের একটি দল লুকিয়ে থাকার খবর পায় নিরাপত্তারক্ষীরা। সঙ্গেসঙ্গেই ঘিরে ফেলা হয় এলাকা। শুরু হয় চিরুনি তল্লাশি। পুলিশ সুপার প্রশান্ত আগরওয়াল জানান, পালানোর পথ বন্ধ হওয়ায় পুলিশবাহিনীর উপর হামলা চালায় মাওবাদীরা। শুরু হয় প্রবল লড়াই। বেশ কিছুক্ষণ ধরে চলা সংঘর্ষের পর নিকেশ হয় তিন মাওবাদী। তবে অন্ধকারের সুযোগ নিয়ে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয় বেশ কয়েকজন জঙ্গি। ওই ডেরা থেকে উদ্ধার করা হয়েছে প্রচুর পরিমাণের অস্ত্রশস্ত্র ও গোলাবারুদ।

জঙ্গিদের ঘাঁটি থেকে একে-৪৭, ইনসাস অটোমেটিক রাইফেলের মতো অত্যাধুনিক অস্ত্র উদ্ধার হওয়ায় উদ্বেগ ছড়িয়েছে নিরাপত্তা মহলে। বিদেশে থেকে এসব হাতিয়ারের আমদানি করে থাকতে পারে মাওবাদীরা বলে মনে করা হচ্ছে। যদিও কোন পথে সেই অস্ত্র দেশে প্রবেশ করছে তা নিয়ে ধন্দে রয়েছে পুলিশ। মৃত জঙ্গিদের মধ্যে রয়েছে মহেশ নামের এক শীর্ষ মাও নেতা। তার মাথার দাম ৫ লক্ষ টাকা ধার্য করা ছিল। নিহত জঙ্গিরা বস্তার এলাকার বাসিন্দা বলে জানা গিয়েছে। নিরাপত্তারক্ষীদের উপর একাধিক হামলার নেপথ্যে হাত ছিল খতম জঙ্গিদের। ফলে এই অভিযান মাওবাদীদের পক্ষে বড়সড় ধাক্কা বলেই মনে করছে প্রশাসন।

 [উরির কায়দায় ফের জঙ্গি হামলা হতে পারে, আশঙ্কা সেনাপ্রধানের]

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.