BREAKING NEWS

১ আশ্বিন  ১৪২৭  শুক্রবার ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

বিজেপিকে সাহায্য করার জের, Facebook India’র আধিকারিকের বিরুদ্ধে FIR

Published by: Paramita Paul |    Posted: August 18, 2020 3:49 pm|    Updated: August 18, 2020 3:55 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ফেসবুকের আধিকারিক আঁখি দাসের বিরুদ্ধে ছত্তিশগড়ে অভিযোগ দায়ের করলেন এক সাংবাদিক। তাঁর বিরুদ্ধে বিশেষ সম্প্রদায়ের আবেগকে অসম্মান করার অভিযোগ রয়েছে। পালটা তাঁকে খুনের হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলে সরব হয়েছেন আঁখিও। এমনকী, দিল্লি পুলিশের কাছে লিখিত অভিযোগও দায়ের করেছেন তিনি। ভারতে ফেসবুকে বিজেপি নেতাদের বিদ্বেষমূলক মন্তব্য ছড়াতে বকলমে সাহায্য করেছেন মহিলা আধিকারিক। মার্কিন মিডিয়ায় এই প্রতিবেদন প্রকাশের পর থেকে সমালোচনার কেন্দ্রে রয়েছেন আঁখি।

রায়পুরের সাংবাদিক আওয়েশ তিওয়ারি সোমবার রাতে আঁখির বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন। পুলিশকে তিনি জানিয়েছেন, মার্কিন মিডিয়ার প্রতিবেদনটি ফেসবুকে পোস্ট করার পরই বিতর্ক শুরু হয়। আঁখির পক্ষ নিয়ে রাম সাহু ও বিবেক সিনহা নামে দুজন ব্যক্তি ক্রমাগত আওয়েশকে আক্রমণ করতে শুরু করেন। তাঁরা লেখেন, “আঁখি দাস হিন্দু। তাই তিনি নিজের বিশ্বাসকে বাঁচাতে এই কাজ করেছেন।” এই মন্তব্যের প্রতিবাদ করতেই ওই সাংবাদিককে নানা রকম কটূক্তি করা হয়। এমনকী হোয়াটসঅ্যাপ ফেসবুকে খুনের হুমকি দেওয়া হয় তাঁকে। এরপরই ছত্তিশগড়ে আঁখি দাস ও আরও তিনজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন আওয়েশ।

[আরও পড়ুন : PM CARES-এর অর্থ জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা তহবিলে পাঠানো যায় না, মত সুপ্রিম কোর্টের]

এদিকে মার্কিন মিডিয়ার প্রতিবেদনকে হাতিয়ার করে আঁখিকে হেনস্তা করার অভিযোগ উঠছে বারবার। সোশ্যাল মিডিয়ায় তাঁর বিরুদ্ধে কুরুচিকর মন্তব্য করা হচ্ছে বলে অভিযোগ। এমনকী, তাঁকে খুনের হুমকিও দেওয়া হচ্ছে বলে সরব হয়েছেন তিনি। এরপরই আওয়েশ-সহ মোট পাঁচজনের বিরুদ্ধে পুলিশের কাছে অভিযোগ দায়ের করেছেন আঁখি।

[আরও পড়ুন :মেয়াদ শেষ তথাগত রায়ের, মেঘালয়ের নতুন রাজ্যপাল হলেন সত্যপাল মালিক]

সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে তেলেঙ্গানার বিজেপি বিধায়ক টি রাজা বিদ্বেষমূলক মন্তব্য ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছিল। কিন্তু বিধায়কের বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থাই নেওয়া হয়নি। অথচ ফেসবুকে বিদ্বেষমূলক মন্তব্যের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নিয়ম রয়েছে। কিন্তু এক্ষেত্রে কেন তেমন পদক্ষেপ করল না ফেসবুক? তার ব্যাখাও ওই প্রতিবেদনে দেওয়া হয়েছে।

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement