Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬

ঠান্ডায় কাঁপছে উত্তর ভারত, অব্যাহত শৈত্যপ্রবাহ, দৃশ্যমানতার অভাবে দেরিতে ২০ উড়ান

১১ জানুয়ারি অবধি আবহাওয়ার পরিবর্তন হবে না, জানিয়েছে মৌসম ভবন।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৮, ২০২৩, ০৯:৩৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৮, ২০২৩, ০৯:৩৬

options
link
ঠান্ডায় কাঁপছে উত্তর ভারত, অব্যাহত শৈত্যপ্রবাহ, দৃশ্যমানতার অভাবে দেরিতে ২০ উড়ান zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: জানুয়ারির শুরুতে চালিয়ে খেলছে শীত। ঠান্ডায় জবুথবু গোটা উত্তর ভারত (North India)। গতকালই রাজস্থানের (Rajashtan) বেশকিছু জায়গায় হিমাঙ্কের নিচে পৌঁছায় তাপমাত্রা। এইসঙ্গে ঘন কুয়াশায় বিপর্যস্ত সাধারণ জনজীবন। সামান্য দূরের জিনিসও দেখা যাচ্ছে না। দৃশ্যমানতার সমস্যায় ট্রেন, বাস, বিমান পরিষেবা ব্যাহত হচ্ছে। রবিবার তাপমাত্রা খানিক বাড়লেও কুয়াশার জঞ্ঝাট শনিবারের মতোই অব্যাহত। ফলে দিল্লির ইন্দিরা গান্ধী বিমানবন্দরে (Delhi Airport) কমপক্ষে ২০টি বিমানের উড়ানের সময় পিছোনো হয়েছে।

গোটা উত্তর ভারত জুড়েই ডিসেম্বরের শেষ থেকে শৈত্যপ্রবাহ শুরু হয়েছে। তবে শীতের দাপট বেড়েছে গত এক সপ্তাহে। তবে রবিবার তাপমাত্রা বেশ কিছুটা চড়েছে। মৌসম ভবন জানিয়েছে, এদিন ভোরে দিল্লি (Delhi), উত্তরপ্রদেশ (Uttar Pradesh) এবং রাজস্থানের তাপমাত্রা ছিল যথাক্রমে ৭ ডিগ্রি, ৫ ডিগ্রি এবং ৭ ডিগ্রি। উল্লেখ্য, এটি গড় তাপমাত্রা। রাজস্থানের বেশকিছু জায়গায় গতকাল তাপমাত্রা শুন্যে নেমেছিল। এদিন সেইসব জায়গায় তাপমাত্রা সামান্যই বেড়েছে। মৌসম ভবন জানিয়েছে, শৈত্যপ্রবাহ পরিস্থিতি ১১ জানুয়ারি পর্যন্ত বজায় থাকবে। তা দিল্লি, উত্তরপ্রদেশ, রাজস্থান, পাঞ্জাব (Punjab) ছাড়াও হরিয়ানা (Haryana), মধ্যপ্রদেশ (Madhya Pradesh), এমনকী বিহার (Bihar), ওড়িশা (Odisha), পশ্চিমবঙ্গের প্রান্তিক অঞ্চলগুলিতেও অনুভব হবে।

Advertisement

[আরও পড়ুন: কাশ্মীরে জঙ্গিদমনে বিরাট সাফল্য সেনার, খতম দুই জেহাদি]

এই অবস্থায় দিল্লি-সহ উত্তর ভারতের বেশকিছু জায়গায় কমলা সতর্কতা (Orange Alert) জারি করা হয়েছে। শৈত্যপ্রবাহের কামড় তো আছেই, তার সঙ্গে পাল্লা দিয়েছে ঘন কুয়াশা। এর কারণে দৃশ্যমানতা এতটাই নেমেছে যে, বাস, ট্রেন, বিমান চলাচল ভীষণ ভাবে বিপর্যস্ত হয়েছে। রবিবার সকালে পালমে ও সফদরজংয়ের দৃশ্যমানতা কমেছে ৫০ মিটারে। পাঞ্জাবে অমৃতসর, পাতিয়ালা, আম্বালা ও চণ্ডীগড়ের অবস্থা আরও খারাপ। সেখানে দৃশ্যমানতে ২৫ মিটারেরও কম। রাজস্থানের গঙ্গানগরেও একই পরিস্থিতি। বিহার এবং মধ্যপ্রদেশে বেশি কিছু এলাকায় দৃশ্যমানতা ৫০ মিটারের নিচে রয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

[আরও পড়ুন: গঙ্গায় হীরাবেনের চিতাভস্ম বিসর্জন, হরিদ্বারে বৈদিক রীতি সম্পন্ন করলেন মোদির ভাই]

শনিবার কুয়াশার কারণে দিল্লি বিমানবন্দর থেকে ৩৪টি বিমান দেরিতে ছাড়ে। রবিবার সকালে ২০টি উড়ানের সময় পিছোনো হয়েছে দৃশ্যমানতার অভাবে। এদিকে দিল্লিতে ভবঘুরেদের জন্য যাবতীয় সরকারি আশ্রয়স্থাল খুলে দিয়েছে প্রশাসন। যাতে শীত থেকে রক্ষা পান তাঁরা। এর মধ্যেই দিল্লির বাতাসের গুণমানও ভয়ানক অবস্থায় পৌঁছেছে। বাতাসে যে ভাবে দূষিত কণার পরিমাণ বাড়ছে, তাতে আগামী দিনে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে বলে আশঙ্কা পরিবেশবিদদের।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.