Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৬ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ১২ আগস্ট ২০২৬

জয়সলমেরে মিলল ডাইনোসরের পায়ের ছাপ!

এই গোষ্ঠীর ডাইনোসররা ছিল তৃণভোজী। মোটামুটি এদের আয়তন হত ১-৩ মিটার। সাধারণত, সমুদ্র উপকূলবর্তী এলাকায় বাস করত এরা।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১২, ২০১৬, ১৬:২৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১২, ২০১৬, ১৬:২৫

options
link
জয়সলমেরে মিলল ডাইনোসরের পায়ের ছাপ! zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেক্স: এর আগে মিলেছিল ডিম, হাড়, দাঁত! আবিষ্কারকরা যা-ই বলুন না কেন, যথেষ্ট বিতর্কও ছিল সেই সবের সত্যতা নিয়ে!

সেই সব পেরিয়ে এসে এবার পাওয়া গেল পায়ের ছাপ! দাবি জোরদার হল, ভারতের মাটিতেও ঘুরে বেড়াত ডাইনোসররা!
সম্প্রতি জয়সলমেরের থাইয়াট গ্রাম সংলগ্ন এলাকায় মিলেছে এই ১৫০ মিলিয়ন বছর আগেকার ডাইনোসরের পায়ের ছাপ। খুঁজে পেয়েছেন যোধপুরের জয়নারায়ণ ব্যাস বিশ্ববিদ্যালয়ের আবিষ্কারকরা!
আবিষ্কারকরা জানিয়েছেন, যে ডাইনোসরটির পায়ের ছাপ খুঁজে পাওয়া গিয়েছে, সেটি ইউব্রোনটিস গ্লেনেরনসেনসিস থেরোপড গোষ্ঠীর। এই গোষ্ঠীর ডাইনোসররা ছিল তৃণভোজী। মোটামুটি এদের আয়তন হত ১-৩ মিটার। সাধারণত, সমুদ্র উপকূলবর্তী এলাকায় বাস করত এরা।
”যে পায়ের ছাপটি পাওয়া গিয়েছে, সেটি তেকোণা আকৃতির! প্রায় ৩০ সেন্টিমিটার লম্বা! পায়ের ছাপ দেখে বোঝা যাচ্ছে, বেশ শক্তপোক্ত হাড়ের গঠন ছিল এদের। আর এই পায়ের ছাপের মাপ ধরেই অনুমান করা হচ্ছে যে এরা প্রায় ১-৩ মিটার পর্যন্ত লম্বা হত। প্রস্থে হত প্রায় ৫ মিটারের কাছাকাছি”, জানিয়েছেন জয়নারায়ণ ব্যাস বিশ্ববিদ্যালয়ের জিওলজিস্ট এবং বিজ্ঞানী ড. বীরেন্দ্র সিং পারিহার।

Advertisement

dinosaur1_web
পরিসংখ্যান বলছে, এর আগেও এই গোষ্ঠীর ডাইনোসরের অস্তিত্ব মিলেছে ফ্রান্স, পোল্যান্ড, স্লোভাকিয়া, ইতালি, স্পেন, সুইডেন, অস্ট্রেলিয়া আর আমেরিকায়। তবে, ভারতের মাটিতে এই প্রথম এদের অস্তিত্বের খোঁজ মিলল!
নয়া এই আবিষ্কারে স্বাভাবিক ভাবেই আনন্দিত বিজ্ঞানীরা। তাঁদের বক্তব্য, এই আবিষ্কার ডাইনোসরদের নিশ্চিহ্ন হয়ে যাওয়ার সঠিক কারণটি খুঁজে পেতে সাহায্য করবে।
তবে, একটা প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে! যে ডাইনোসররা বাস করত সমুদ্র উপকূলবর্তী এলাকায়, তাদের পায়ের ছাপ মরু-অঞ্চলে পাওয়া যায় কী ভাবে?
তারও উত্তর দিয়েছেন বিজ্ঞানীরা। তাঁদের বক্তব্য, দীর্ঘ দিন ধরে পৃথিবী নানা পরিবর্তনের মধ্যে দিয়ে এসেছে। এখন আমরা যে পৃথিবী দেখছি, বরাবর তার রূপ এবং ভৌগোলিক স্বভাব এরকম ছিল না। কাজেই এই আবিষ্কার পৃথিবীর বিবর্তন এবং সমুদ্র শুকিয়ে মরুভূমির জন্মসূত্রেও নতুন আলোকপাত করবে, এমনটাই দাবি!

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.