সোমনাথ রায়, নয়াদিল্লি: আগেই সংসদীয় কমিটিতে ‘এক দেশ এক ভোটে’র প্রস্তাবকে সমর্থন জানিয়েছেন দেশের তিন প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি। কিন্তু এবার প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি জে এস খেহের এবং প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি ডি ওয়াই চন্দ্রচূড় প্রশ্ন তুললেন বিল নিয়ে। তাঁদের দাবি, বিলে বেশ কিছু ত্রুটি রয়েছে। সেই সঙ্গেই তাঁদের প্রস্তাব, নির্বাচন কমিশনকে সীমাহীন ক্ষমতা দেওয়া যাবে না।
প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি চন্দ্রচূড়ের মতে, সংবিধানের মৌলিক কাঠামোয় আঘাত না করলেও এই বিলে বেশ কিছু ত্রুটি রয়েছে। আরও সংশোধনী প্রয়োজন। নাহলে ভবিষ্যতে আইনি জটিলতায় পড়তে হতে পারে। কমিশনকে সংবিধানে অনেক বেশি ক্ষমতা দেওয়া হয়ে গিয়েছে। পাঁচ বছর সরকার না থাকলে সুশাসন দেওয়া সম্ভব নয়। এদিকে ব্যয় কমানোর যে কথা বলা হচ্ছে তাও ফেলে দেওয়ার নয়। তবে আমাদের বাছতে হবে যে কোনটা বেশি দরকার, সুশাসন, নাকি ব্যয় হ্রাস। কমিশনের ভূমিকা নিয়ে মানুষের মনে অনেক প্রশ্ন দেখা দিচ্ছে বলেও জানান প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি জে এস খেহের।
উল্লেখ্য, ‘এক দেশ, এক ভোট’ বিলের খসড়া অনুযায়ী, কখনও সংখ্যাগরিষ্ঠতার অভাবে যদি বিধানসভা বা লোকসভা ভেঙে যায়, তা হলে শুধুমাত্র মেয়াদের বাকি সময়টুকুর জন্য লোকসভা বা বিধানসভা উপনির্বাচন হবে। তার পর থেকে সমস্ত স্তরের নির্বাচন একসঙ্গে হবে। তাতে বিপুল খরচে রাশ টানা যাবে বলে যুক্তি সরকারপক্ষের। আবার বিরোধীদের অভিযোগ, বিধানসভা-লোকসভা-পুরসভা-পঞ্চায়েত ভোট একসঙ্গে হলে গণতন্ত্রের বৈচিত্র নষ্ট হবে। একেকটা নির্বাচন হয় একেকটা বিষয়ের উপর ভিত্তি করে। সেই সুযোগ হাতছাড়া হবে আমজনতার।
সর্বশেষ খবর
-
সমর্থকদের উপস্থিতিতে নিষেধাজ্ঞা, হোটেল আর ট্রেনিংয়ে ‘কারফিউ’ ব্রাজিলের
-
বন্ধুত্বের উপহার, প্রথমবার সংসদে যাওয়ার সুযোগ হারিয়েও রাজ্যসভা আসন কংগ্রেসকে ছাড়লেন বিজয়
-
প্রাক বর্ষার বৃষ্টি উত্তরবঙ্গে, অস্বস্তির মাঝেই বিক্ষিপ্ত বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা কলকাতা-সহ একাধিক জেলায়
-
সকালে টিকিট কেটে দুপুরে কোটিপতি! রাতারাতি ভাগ্যবদল যুবকের
-
পালাবদলে বাড়ছে শক্তি! আরএসএস শিক্ষক সংগঠনে একধাক্কায় ৩০ হাজার সদস্যবৃদ্ধি