সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ডিসেম্বর শীতেও উত্তপ্ত হয়েছিল রাজধানী। দিল্লির রাস্তায় নির্মমভাবে গণধর্ষণ করা হয়েছে এক তরুণীকে। নাম তখনও জানা যায়নি। কিন্তু নাম তাঁর রাখা হয়েছিল নির্ভয়া। প্রতিবাদে মুখর হয়েছিল গোটা দেশ। দিল্লির রাস্তা ভরে গিয়েছিল প্রতিবাদীদের মুখে। ২০১২ সালের ২৯ ডিসেম্বর সিঙ্গাপুরে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করে নির্ভয়া ওরফে জ্যোতি সিং। শেষ শব্দে দোষীদের শাস্তি জানিয়ে গিয়েছিলেন ধর্ষিতা। মেয়ের বিচারের জন্য বছরের পর বছর লড়েছেন নির্ভয়ার মা আশাদেবী। নাবালক ছাড় পেলেও চারজনের ফাঁসির সাজা শুনিয়েছে শীর্ষ আদালত। সাজা ঘোষণার এক বছরের মাথাতেই কুরুচিকর মন্তব্য শুনতে হল আশাদেবীকে। তাও এক প্রাক্তন পুলিশকর্তার মুখ থেকে।
[সেতু-সমুদ্রম প্রকল্পে রাম সেতুর কোনও ক্ষতি হবে না, সুপ্রিম কোর্টে কেন্দ্রের আশ্বাস]
‘নির্ভয়ার মায়ের শারীরিক গঠন এত ভাল, কে জানে নির্ভয়া কতটা সুন্দরী ছিলেন।’ এমনই কুরুচিকর মন্তব্য করেছেন কর্ণাটকের প্রাক্তন পুলিশকর্তা এইচ টি সাংলিয়ানা। নারী দিবস উপলক্ষ্যে একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সেখানে নির্ভয়ার বিচারের লড়াইয়ের জন্য কুর্নিশ জানানো হয় আশাদেবীকে। এমন অনুষ্ঠানে মঞ্চে দাঁড়িয়ে এমন অশালীন মন্তব্য করেন প্রাক্তন ডিজিপি। কেবল এই কথা বলেই ক্ষান্ত হননি তিনি। বলেন, এমন অবস্থায় মহিলারা পড়লে প্রাণ বাঁচানোর তাগিদে তাঁদের আত্মসমর্পণ করা উচিত। পরে পুলিশের দ্বারস্থ হওয়া উচিত।
[‘পাকিস্তান জিন্দাবাদ’ স্লোগান দিয়ে বিহারে গ্রেপ্তার ২, ভিডিও ভাইরাল]
ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট সমাজকর্মী অনিতা ছেরিয়া। প্রাক্তন পুলিশকর্তার মুখে এমন মন্তব্য শুনেই স্থান ত্যাগ করতে চেয়েছিলেন তিনি। কিন্তু তা করতে পারেননি। নির্ভয়ার মা-বাবার সম্মানের খাতিরে সেখানেই থেকে যান। পরে বলতে উঠে সাংলিয়ানাকে উত্তরও দেন। অনিতা যেতে না পারলেও এমন কুরুচিকর মন্তব্যের প্রতিবাদে স্থান ত্যাগ করেন সাংবাদিক পুষ্পা অচন্তা। ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই নিন্দায় সরব হয়েছে বিভিন্ন মহল।
[NDA-এর বিরুদ্ধে অনাস্থা চন্দ্রবাবুদের, সমর্থন কংগ্রেস, তৃণমূল-সহ বিরোধীদের]
সর্বশেষ খবর
-
ডিজিটাল ভারতের সাফল্যের মূল্য যেন সাধারণ মানুষকে চোকাতে না হয়!
-
গৃহহীন এখনও ২৩ লক্ষ, রাজ্যে সময়মতো ‘আবাস প্লাস’ সমীক্ষা শেষ করতে চালু সেলফ সার্ভে
-
মুখ্যমন্ত্রীর কপ্টারে যান্ত্রিক ত্রুটি! কেশপুরে যাওয়ার পথে কোলাঘাটে জরুরি অবতরণ
-
ট্রাইব্যুনালে কত নিষ্পত্তি? এসআইআর মামলায় কমিশনের কাছে তথ্য তলব সুপ্রিম কোর্টের
-
বন্ধু হেমন্ত, নাকি আন্দোলনরত পড়ুয়া! সমর্থনের ধর্ম সংকটে মধ্যবর্তী রাস্তা নিলেন কেজরিওয়াল