Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
মালদ্বীপ

ভারতে অনুপ্রবেশের চেষ্টা, আটক মালদ্বীপের প্রাক্তন ভাইস প্রেসিডেন্ট

ফের রাজনৈতিক ডামাডোলের আশঙ্কা মালদ্বীপে৷

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২, ২০১৯, ১০:২০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২, ২০১৯, ১০:২০

options
link
ভারতে অনুপ্রবেশের চেষ্টা, আটক মালদ্বীপের প্রাক্তন ভাইস প্রেসিডেন্ট zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করতে গিয়ে আটক মালদ্বীপের প্রাক্তন ভাইস প্রেসিডেন্ট আহমেদ আধিব আবদুল গফুর। বৃহস্পতিবার সকালে তামিলনাড়ুর তুতিকোরিন বন্দরে প্রবেশ করে মঙ্গোলিয়ার একটি টাগবোট৷ সেটির সঙ্গে বাঁধা একটি বজরায় ছিলেন গফুর৷ বন্দর থেকে বড় জাহাজ সমুদ্রে টেনে নিয়ে যাওয়ার জন্য ব্যবহৃত নৌকাগুলিকে টাগবোট বলা হয়৷ মালদীপে পাথর ফেলতে গিয়েছিল ওই নৌকাটি৷ তখনই সেটিতে চড়ে ভারতের উদ্দেশে রওনা দেন গফুর,  সূত্রের খবর এমনই৷    

[আরও পড়ুন: বেজিংয়ের রেস্তরাঁ থেকে আরবি শব্দ ও ইসলামিক প্রতীক সরানোর নির্দেশ চিনের]

Advertisement

বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র রবীশ কুমার জানিয়েছেন, ‘ভারতে ঢোকার জন্য বৈধ পাসপোর্ট, ভিসা, নথি কিছুই নেই গফুরের। তাই আমরা তাঁকে প্রবেশের অনুমতি দিইনি। তাছাড়া উনি অবৈধভাবে জলপথে ভারতে ঢোকার চেষ্টা করছিলেন। উপকূলরক্ষীরা তাঁকে তামিলনাড়ুর তুতিকোরিন বন্দরের কাছে আটক করে। ভারতে ঢোকার বৈধ প্রবেশপথ দিয়ে উনি আসেননি। তাঁকে জেরা করা হচ্ছে।’ সূ্ত্রের খবর, মালদ্বীপে রাজনৈতিক ডামাডোল ফের মাথাচাড়া দিতে পারে এই আশঙ্কায় গ্রেপ্তার এড়াতে হয়তো গফুর পালিয়ে আসছিলেন। ভারতে তাঁর আশ্রয় নেওয়ার পরিকল্পনা ছিল। তিনি কেন ভারতে অবৈধভাবে অনুপ্রবেশের চেষ্টা করছিলেন, তা জানা যায়নি। উল্লেখ্য, মালদ্বীপের প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট আবদুল্লা ইয়ামিনকে হত্যার ষড়যন্ত্রে দোষী সাব্যস্ত হয়েছিলেন গফুর৷ যদিও পরে সেই রায় খারিজ করে দেয় সে দেশের সুপ্রিম কোর্ট৷ তবে ফের মামলটি শুরু করার নির্দেশ ও দেওয়া হয়৷   

রাজনৈতিক অস্থিরতার পর মালদ্বীপে শান্তি ফেরাতে চেষ্টা করেছে ভারত। ভৌগলিক অবস্থানের জন্য  বরাবরই ভারতের সঙ্গে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক মালদ্বীপের৷ তবে গত কয়েক বছরে পরিস্থিতি পালটেছে৷ ঋণের ফাঁদে ফেলে দ্বীপরাষ্ট্রটিকে প্রায় কবজা করে ফেলেছিল চিন৷ ‘ভারত বিরোধী’ প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট আবদুল্লা ইয়ামিনের সময়ে ক্ষুদ্র অথচ কৌশলগত দিক থেকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দেশটি দিল্লির মাথা ব্যথার কারণ হয়ে ওঠে৷ তবে শেষমেশ পরিস্থিতি সামাল দিতে সফল হয় ভারত৷ ২০১৮ সালের সেপ্টেম্বরের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে অপ্র‌ত্যাশিতভাবে হেরে যান আবদুল্লা ইয়ামিন। প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন ৫৪ বছরের ইব্রাহিম মহম্মদ সলিহ ওরফে ইবু। গণতন্ত্রপন্থী ও ভারতের বন্ধু সলিহর জয়ের নেপথ্যে দিল্লির হাত রয়েছে বলেও মনে করেন অনেকে৷   

[আরও পড়ুন: মৃত্যুর ১২৭ বছর পর আজও ফরাসি কবি র‌্যাঁবোর সমাধিস্থলে আসে চিঠি]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.