Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬

সুড়ঙ্গে কাজ করতে গিয়ে ধ্বংসস্তূপের নিচে জীবন্ত চাপা পড়ে মৃত্যু চার শ্রমিকের

আর্থিক সাহায্যের দাবিতে দেহ নিতে অস্বীকার করে বিক্ষোভে মৃতদের পরিবার।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ৩০, ২০১৮, ১৮:৫০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ৩০, ২০১৮, ১৮:৫০

options
link
সুড়ঙ্গে কাজ করতে গিয়ে ধ্বংসস্তূপের নিচে জীবন্ত চাপা পড়ে মৃত্যু চার শ্রমিকের zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সুড়ঙ্গ সারানোর কাজ করতে গিয়ে ধ্বংসস্তূপের নিচে জীবন্ত চাপা পড়লেন চার নির্মাণ শ্রমিক। এই মর্মান্তিক ঘটনায় ওই চার জনেরই মৃত্যু হয়েছে। ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে মৃতদেহ উদ্ধারের পর শুরু হয় বিক্ষোভ। আর্থিক সাহায্যের দাবিতে ময়নাতদন্তের পর দেহ নিতে অস্বীকার করেন মৃতের পরিবারের সদস্যরা। ঘটনাটি ঘটেছে রাজস্থানের সিরোহি জেলায়।

[চাকরিতে ইস্তফা, শিক্ষককে বেঁধে জুতোর মালা পরিয়ে দিল কোচিং সেন্টারের মালিক]

পুলিশ জানিয়েছে, মৃত শ্রমিকরা হলেন দেবী সিং (৩২), উত্তম কুমার (২৩), মহেন্দ্র কুমার মিনা (২৭) ও মহেন্দ্র হিরাগর (৩০)। রাজস্থানের বেওয়ার-পিনডওয়ারা জাতীয় সড়কে চলছে নির্মাণকার্য। সেখানে পুরনো একটি সুড়ঙ্গের পুনর্নির্মাণের প্রয়োজন হয়ে পড়েছিল। একটি বেসরকারি সংস্থাকে এই নির্মাণের দায়িত্ব দেওয়া হয়। সেই সংস্থার অধীনে নির্মাণ কাজ করছিল একটি ঠিকাদার সংস্থা। চার নির্মাণ শ্রমিকই সেই ঠিকাদার সংস্থার কর্মী। শুক্রবার নির্মাণকার্য চলাকালীন ঘটনাস্থলে থাকা একটি মেশিন আচমকাই খারাপ হয়ে যায়। মেশিনে কি হয়েছে তা দেখতে নেমে ধ্বংস্তূপের নিচে চাপা পড়ে যান চার জন। প্রত্যক্ষদর্শীরা সঙ্গেসঙ্গেই চার জনকে উদ্ধারের কাজে নামেন। দীর্ঘক্ষণ ধ্বংসস্তূপের মধ্যে থেকে ততক্ষণে চার শ্রমিকই প্রায় নিথর হয়ে গিয়েছেন। তড়িঘড়ি তাঁদের স্থানীয় সরকারি হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা মৃত বলে ঘোষণা করেন।

Advertisement

[ধর্ষণের পুরনো ভিডিও দেখিয়ে ব্ল্যাকমেলের হুমকি তরুণীকে, দাবি ১০ লক্ষ টাকাও]

শ্রমিকদের পরিজনেরাই তাঁদের মৃতদেহগুলি চিহ্নিত করেন। এদিকে কাজ করতে গিয়ে মৃত্যুর ঘটনা ঘটায় সংশ্লিষ্ট বেসরকারি সংস্থার কাছে আর্থিক সাহায্যের দাবি করেছেন মৃতদের আত্মীয়রা। যতক্ষণ না সাহায্য মিলছে ততক্ষণ দেহ নিতেও অস্বীকার করেন তাঁরা। বর্তমানে মৃত শ্রমিকদের দেহগুলির ঠিকানা সরকারি হাসপাতালের মর্গ। এই প্রসঙ্গে এক বিবৃতিতে সিরোহির কালেক্টর বাবুলাল মিনা জানান, মৃত শ্রমিকদের পরিবারকে আর্থিক সাহায্য করবে রাজস্থান সরকার। এই মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনায় সংশ্লিষ্ট বেসরকারি সংস্থা ও ঘটনাস্থলে থাকা মেশিন চালকের বিরুদ্ধে স্বতঃপ্রণোদিত মামলা রুজু করেছে কোতয়ালি থানার পুলিশ।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.