সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: চলতি বছরের ১ জুলাই থেকে সপ্তম পে কমিশনে (7th Pay Commission) বর্ধিত হারে ডিএ (DA) পেতে পারেন কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মী (Central government employees) এবং পেনশন ভোগীরা। ডিএ ১৭ শতাংশ থেকে বেড়ে ২৮ শতাংশ হতে পারে। আর এর ফলে প্রায় ৫০ লক্ষ কেন্দ্রীয় কর্মচারি এবং প্রায় ৬৫ লক্ষ পেনশন ভোগীরা উপকৃত হবেন। করোনার কারণে ৩ দফা ডিএ বকেয়া রয়েছে কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের। জুলাই থেকে তা মিটিয়ে দেওয়ার ইঙ্গিত আগেই দিয়েছিল কেন্দ্রীয় সরকার। তবে বকেয়া ডিএ-র এরিয়ার মিলবে না বলেই মনে করা হচ্ছে।
সম্প্রতি অল ইন্ডিয়া কনজুমার প্রাইস ইনডেক্স (এআইসিপিআই) তথ্য প্রকাশ পেয়েছে। যেখানে দেখা যাচ্ছে, এই বছরের জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত পরিসংখ্যান হিসাব করে ৪ শতাংশ ডিএ বৃদ্ধি পেতে পারে বলে জানা গিয়েছে। এখন ১৭ শতাংশ হারে ডিএ পান কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মী এবং পেনশন ভোগীর। এর আগে ২ দফা ডিএ বকেয়া রয়েছে। ২০২০ সালের জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত ৪ শতাংশ, ২০২০ সালের জুন থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত ৩ শতাংশ এবং চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত ৪ শতাংশ ধরে মোট ১১ শতাংশ বৃদ্ধি পেতে পারে ডিএ। ফলে ১৭ শতাংশ থেকে বেড়ে তা ২৮ শতাংশে পৌঁছে যেতে পারে।
[আরও পড়ুন: করোনা টিকার হাহাকারের মধ্যেই দুঃসংবাদ, নষ্ট হয়েছে ২৩ শতাংশ ডোজ]
অর্থমন্ত্রকের প্রতিমন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুর মার্চে সংসদে জানিয়েছিলেন ১ জুলাই থেকে বকেয়া ডিএ দিয়ে দেওয়া হবে কর্মীদের। করোনার কারণে এত দিন সেগুলি দেওয়া যায়নি বলেও জানিয়ে ছিলেন তিনি। তবে বয়েকা ডিএ-র কোনও এরিয়ার দেওয়ার হবে না বলেও জানান তিনি। সেই খবরে কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মী এবং পেনশন ভোগীরা কিছুটা হলেও মুষড়ে পড়েন। তবে শেষ পর্যন্ত বকেয়া ডিএ দেওয়ার খবর সামনে আসতে ফের হাসি ফুটেছে তাঁদের মুখে।
[আরও পড়ুন: উত্তরপ্রদেশের ৫ শহরে হচ্ছে না লকডাউন, সুপ্রিম কোর্টে স্বস্তি যোগী সরকারের]
সর্বশেষ খবর
-
একশোর বদলে পাঁচশোর নোটের টোপ! কমিশনের লোভে ব্যবসায়ী পেলেন সাদা কাগজের টুকরো
-
তৃণমূল জমানায় অবহেলা! দুর্যোগ-বিধ্বস্ত উত্তরবঙ্গকে স্বমহিমায় ফেরাতে আড়াইশো কোটি বরাদ্দ শুভেন্দুর
-
নিজের গড় রেজিনগরেই হারের ভয়! উপনির্বাচনে বাম-কংগ্রেস-তৃণমূল মহাজোট চাইছেন হুমায়ুন
-
আপত্তি শুধু ‘সেক্যুলার’ কংগ্রেসের! নিয়ম মেনে বন্দে মাতরম পুরোটা দাঁড়িয়ে সম্মান আবদুল্লাদের
-
নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনে প্রার্থীই দিতে পারবে না তৃণমূল? সর্বদলীয় বৈঠকে গড়হাজিরায় উঠছে প্রশ্ন