Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১ ভাদ্র ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ১৯ আগস্ট ২০২৬
শাহিনবাগ আন্দোলনে যানজট

যানজটে বিরক্ত হয়েই শাহিনবাগে গুলি দুষ্কৃতীর! পুলিশি জেরায় চাঞ্চল্যকর তথ্য

হামলার আগে 'হিন্দুত্ববাদী' স্লোগান কেন, নিরুত্তর পুলিশ।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২, ২০২০, ১৭:১৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২, ২০২০, ১৭:১৪

options
link
যানজটে বিরক্ত হয়েই শাহিনবাগে গুলি দুষ্কৃতীর! পুলিশি জেরায় চাঞ্চল্যকর তথ্য zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: যানজটে নাকাল হয়ে শাহিনবাগে গুলি চালিয়েছিল হামলাকারী। দিল্লি পুলিশ সূত্রে এমনটাই খবর। কিন্তু গুলি চালানোর সময় কেন হিন্দুত্ববাদি স্লোগান দিয়েছিল, সে সম্পর্কে কিছু জানাতে পারেনি দিল্লি পুলিশ। 

শাহিনবাগে CAA বিরোধী আন্দোলনের জেরে যানজট হচ্ছে। আর তাতে নাকাল দিল্লিবাসী। অভিযোগ, দিল্লি ও নয়ডার সংযোগকারী গুরুত্বপূর্ণ এই রাস্তা পার করতে প্রায় দেড় ঘণ্টা সময় লাগছে। নিত্যদিন এই যানজটে নাকাল হচ্ছিল হামলাকারী কপিল গুর্জর। সেই রাগ থেকেই শনিবার শাহিনবাগে শূণ্যে গুলি চালায় সে। তবে ছেলের এই কীর্তি দেখে স্তম্ভিত তার বাবা গজ সিং। তিনি জানেনই না, তার ছেলে কেন এমন সিদ্ধান্ত নিল।

Advertisement

[আরও পড়ুন : ‘বিরিয়ানি নয়, জঙ্গিদের গুলি খাওয়াই’, দিল্লির নির্বাচনী প্রচারে স্বীকারোক্তি যোগীর়]

প্রসঙ্গত, শনিবার বিকেলের দিকে আচমকাই বন্দুক হাতে প্রকাশ্যে শূন্যে গুলি চালিয়ে দেয় কপিল। সঙ্গে স্লোগান – ‘হিন্দুস্তানে শুধু হিন্দুরাজই চলবে।’  থতমত খেয়ে যান আন্দোলনকারীরা। যদিও সঙ্গে সঙ্গেই দিল্লি পুলিশ ওই বন্দুকবাজকে ধরে ফেলে। তাকে হেফাজতে নেয় পুলিশ। রবিবার তাকে আদালতে তোলা হয়ে ১৪ দিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দেন বিচারক। এদিকে জেরায় উঠে এসেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। সূত্রের খবর, দিন কয়েক বাদের কপিলেন বোনের বিয়ে। সেই উপলক্ষ্যে লাজপত নগরে প্রায় রোজই যাতায়াত করতে হত তাকে। কিন্তু শাহিনবাগে আন্দোলন চলায় যাতায়াত করতে অনেক বেশি সময় লাগছিল তার। যানজটে বিরক্ত হয়ে গুলি চালায় কপিল।

[আরও পড়ুন : উত্তরপ্রদেশে স্ত্রীর মুন্ডু কেটে থানায় গিয়ে জাতীয় সংগীত গাইল যুবক]

এদিকে ‘কীর্তিমান’ ছেলের কীর্তিকলাপে হতবাক তার পরিবার। কপিলের বাবা গজ সিং জানান, “১২টা নাগাদ বাড়িতে ছিল ও। পরে ওকে এই এলাকায় নামিয়ে দিয়ে যাই। তারপর থেকে কোনও খবর আমি জানতাম না। টেলিভিশনের পর্দায় ওকে দেখে আমি অবাক।” ছেলে কেন এমন করল, সেসম্পর্কে তার কোনও ধারণা নেই বলে জানান গজ সিং। এমনকী জেলে ছেলের সঙ্গে দেখাও করতে যাননি তিনি। এলাকায় শান্তশিষ্ট ছেলে বলেই পরিচিত কপিল। সে যে এমন ভয়ানক কাণ্ড ঘটাতে পারে, তা ভাবতেই পারছেন না প্রতিবেশীরাও।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.