BREAKING NEWS

১২ কার্তিক  ১৪২৭  বৃহস্পতিবার ২৯ অক্টোবর ২০২০ 

Advertisement

গালওয়ানের সংঘর্ষের পর চিনের সঙ্গে সম্পর্কে গভীর ফাটল ধরেছে, জানালেন বিদেশমন্ত্রী

Published by: Biswadip Dey |    Posted: October 17, 2020 1:14 pm|    Updated: October 17, 2020 2:01 pm

An Images

ফাইল চিত্র

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: গত জুনে গালওয়ানে (Galwan) চিন‌ের (China) সেনার সঙ্গে ভারতীয় সেনার সংঘর্ষ বিরাট প্রভাব ফেলেছে দু’দেশের সম্পর্কে। একথা মেনে নিলেন কেন্দ্রীয় বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর (S Jaishankar)। শুক্রবার এশিয়া সোসাইটির ভারচুয়াল সভায় একথা বলেন তিনি। প্রসঙ্গত, গত ১৫ জুন লালফৌজের সঙ্গে সংঘর্ষে ২০ জন ভারতীয় সেনা শহিদ হন। নিহত চিনা সেনার সংখ্যা জানা যায়নি। কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর মতে, এর পর থেকেই চিনের সঙ্গে ভারতের সম্পর্কে গভীর ফাটল ধরেছে। অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী কেভিন রুডের সঙ্গে যৌথভাবে তাঁর লেখা বই ‘দ্য ইন্ডিয়ান ওয়ে: স্ট্র্যাটেজিস ফর অ্যান আনসার্টেন ওয়ার্ল্ড’-কে নিয়ে এদিনের প্রায় ঘণ্টাখানেকের আলোচনার সময়ই বিদেশমন্ত্রী চিনের প্রসঙ্গে এই কথাগুলি বলেন। 

[আরও পড়ুন: প্রকাশ্যে যুবককে গুলি করে খুন বিজেপি বিধায়ক ঘনিষ্ঠের! ফের প্রশ্নের মুখে উত্তরপ্রদেশের আইনশৃঙ্খলা]

গত মাসে চিনের বিদেশমন্ত্রী ওয়াং ই-র সঙ্গে রুদ্ধদ্বার বৈঠক করেন জয়শঙ্কর। সীমান্তে উত্তেজনা কমাতে প্রায় আড়াই ঘণ্টা আলোচনা হয় তাঁদের মধ্যে। সেই বৈঠক প্রসঙ্গে জয়শঙ্কর জানিয়েছেন, চিনের বিদেশমন্ত্রীর কাছ থেকে তিনি লাদাখে চিনের আচরণের কোনও যুক্তিগ্রাহ্য ব্যাখ্যা পাননি। চিনের সঙ্গে পাকিস্তানের সম্পর্কের বিষয়টিও উঠে আসে তাঁর কথায়।

তিনি বলেন, ১৯৯৩ সালে দুই দেশের মধ্যে একাধিক মৌ স্বাক্ষরিত হয় নিয়ন্ত্রণরেখায় শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখতে। ধারণাগত থেকে আচরণগত স্তর, সর্বত্রই দুই দেশের মধ্যে সীমান্তে উত্তেজনা কমাতে পদক্ষেপ করা হয়েছিল। কিন্তু এবছর লক্ষ্য করা যাচ্ছে, গত ৩০ বছরের সম্পর্কের অবনতি হয়েছে। সীমান্তে লালফৌজের সংখ্যা বাড়িয়ে চিন সেই চুক্তির পরিপন্থী কাজ করেছে বলেও জানান তিনি। তিনি বলেন, ১৯৭৫ সালের পর এই প্রথম লাদাখে সংঘর্ষে সেনামৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। এর গভীর প্রভাব পড়েছে বলে তিনি দাবি করেন। কেন চিন এমন করছে, সে সম্পর্কে কোনও কারণ তাঁর জানা নেই বলে জানান জয়শঙ্কর।

[আরও পড়ুন: বাতিল হতে পারে চারটি পরিচিত ওষুধ! করোনা চিকিৎসার পদ্ধতিতে বদলের ভাবনা কেন্দ্রের]

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement